থ্রিডি ভার্চ্যুয়াল রিয়্যালিটি যন্ত্রের মাধ্যমে এবার গর্ভস্থ সন্তানের বেড়ে ওঠা ও তার হৃৎস্পন্দন দেখতে ও শুনতে পাওয়া যাবে। এমনই দাবি করেছেন ব্রাজিলের গবেষকরা। খবর পিটিআই।
এ প্রযুক্তিতে এমআরআই ও আলট্রাসাউন্ড তথ্য ব্যবহার করে শিশুর সত্যিকারের একটি মডেল মা-বাবার সামনে তুলে ধরা হবে।
ব্রাজিলের ক্লিনিকা দ্য ডায়াগনস্টিকো ফর ইমাজেমের গবেষক হেরন ওয়ারনার বলেন, থ্রিডি ভ্রুণের মডেলকে ভার্চ্যুয়াল রিয়্যালিটি প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত করলে ভ্রুণের শারীরিক বৈশিষ্ট্য বোঝার বিষয়ে কাজে লাগে। এর মাধ্যমে মা-বাবা তাদের অনাগত সন্তানকে দেখতে পান। এভাবে ভ্রুণের যে ছবি দেখা যায়, তা সদ্যোজাত সন্তানের কাছাকাছি।
ভার্চ্যুয়াল রিয়্যালিটি হচ্ছে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত সিস্টেম, যাতে মডেলিং ও অনুকরণবিদ্যা প্রয়োগের মাধ্যমে মানুষ কৃত্রিম ত্রিমাত্রিক ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য পরিবেশের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন বা উপলব্ধি করতে পারে।
ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স ইমেজিং (এমআরআই) সাধারণত উচ্চ রেজল্যুশনে ভ্রুণ ও প্ল্যাসেন্টার ছবি দেখাতে পারে। আলট্রাসাউন্ডে যেহেতু উন্নত ছবি পাওয়া যায় না, তাই ভ্রুণের অবস্থা বুঝতে এমআরআই ব্যবহার করা হয়। ভ্রুণের এমআরআই ফলের ওপর ভিত্তি করে গবেষকরা ভার্চ্যুয়াল রিয়্যালিটি থ্রিডি মডেল তৈরি করেছেন।
ভার্চ্যুয়াল রিয়্যালিটিতে অনুকরণ করা পরিবেশ হুবহু বাস্তব পৃথিবীর মতো হতে পারে। এক্ষেত্রে অনেক সময় ভার্চ্যুয়াল রিয়্যালিটি থেকে বাস্তব অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়।
সূত্র:jagonews24
এ প্রযুক্তিতে এমআরআই ও আলট্রাসাউন্ড তথ্য ব্যবহার করে শিশুর সত্যিকারের একটি মডেল মা-বাবার সামনে তুলে ধরা হবে।
ব্রাজিলের ক্লিনিকা দ্য ডায়াগনস্টিকো ফর ইমাজেমের গবেষক হেরন ওয়ারনার বলেন, থ্রিডি ভ্রুণের মডেলকে ভার্চ্যুয়াল রিয়্যালিটি প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত করলে ভ্রুণের শারীরিক বৈশিষ্ট্য বোঝার বিষয়ে কাজে লাগে। এর মাধ্যমে মা-বাবা তাদের অনাগত সন্তানকে দেখতে পান। এভাবে ভ্রুণের যে ছবি দেখা যায়, তা সদ্যোজাত সন্তানের কাছাকাছি।
ভার্চ্যুয়াল রিয়্যালিটি হচ্ছে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত সিস্টেম, যাতে মডেলিং ও অনুকরণবিদ্যা প্রয়োগের মাধ্যমে মানুষ কৃত্রিম ত্রিমাত্রিক ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য পরিবেশের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন বা উপলব্ধি করতে পারে।
ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স ইমেজিং (এমআরআই) সাধারণত উচ্চ রেজল্যুশনে ভ্রুণ ও প্ল্যাসেন্টার ছবি দেখাতে পারে। আলট্রাসাউন্ডে যেহেতু উন্নত ছবি পাওয়া যায় না, তাই ভ্রুণের অবস্থা বুঝতে এমআরআই ব্যবহার করা হয়। ভ্রুণের এমআরআই ফলের ওপর ভিত্তি করে গবেষকরা ভার্চ্যুয়াল রিয়্যালিটি থ্রিডি মডেল তৈরি করেছেন।
ভার্চ্যুয়াল রিয়্যালিটিতে অনুকরণ করা পরিবেশ হুবহু বাস্তব পৃথিবীর মতো হতে পারে। এক্ষেত্রে অনেক সময় ভার্চ্যুয়াল রিয়্যালিটি থেকে বাস্তব অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়।
সূত্র:jagonews24


Social Links: