Recent Posts

শিশুর শরীরের ১০ শতাংশের বেশি ওজনের স্কুলব্যাগ বহন করানো যাবে না বলে রায় ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে তদারকির নির্দেশও দেয়া হয়েছে। বুধবার দুপুরে বিচারপতি মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও আশিস রঞ্জন দাসের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালত বিরতি শেষে বাকি রায় ঘোষণা করবেন।

গত আগস্টে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুদের শরীরের ওজনের ১০ শতাংশের বেশি ভারী স্কুলব্যাগ ব্যবহার নিষিদ্ধ করতে আইন প্রণয়নে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছিল। একই সঙ্গে প্রাক-প্রাথমিকে পড়ুয়া শিশুদের স্কুলব্যাগ বহন না করতেও রুল দেন আদালত।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করে জনস্বার্থে আবেদন করেন তিনজন আইনজীবী

এস এম মাসুদ হোসেন দোলন, মো. জিয়াউল হক ও আনোয়ারুল করিম।
এ বিষয়ে রিটকারী আইনজীবীরা সাংবাদিকদের বলেছিলেন, শিশুদের স্কুলে যাওয়ার সময় তাদের বেশি ওজনের ব্যাগের ওজন তার বহন অযোগ্য থাকে। এরই মধ্যে ভারতের মহারাষ্ট্র সরকার শিশুদের ওজনের ১০ শতাংশের বেশি ভারী স্কুলব্যাগ বহন না করার একটি নির্দেশনা জারি করেছেন। আমাদের দেশেও একটি আইন করতে আমরা আবেদন করেছিলাম।

সূত্র:manobkantha

শিশুদের স্কুলব্যাগ বহনে নিষেধাজ্ঞা

By Unknown → বুধবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৬
বণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ জানিয়েছেন মালয়েশিয়ায় অবৈধভাবে বসবাসকারী প্রায় ২ লাখ অভিবাসীকে বৈধ করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে দেশটির সরকার। খুব শিগগির তারা বৈধ অভিবাসীতে পরিণত হবে।

বুধবার সচিবালয়ে তার দফতরে ঢাকায় নিযুক্ত ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত ওয়ানজা ক্যাম্পোস নবরেগার সঙ্গে বৈঠক শেষে মালয়েশিয়া প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, `মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট সামিট-২০১৬-এর উদ্বোধনে সেদেশে গিয়েছিলাম। সেখানে দেশটির উপ-প্রধানমন্ত্রী ড. আহমেদ জাহিদ হামিদির সঙ্গে আমার বৈঠক হয়েছে। তিনি আমাদের মানব সম্পদ বেশি বেশি আমদানি করার বিষয়ে আশ্বস্ত করেছেন। একইসঙ্গে সে দেশে প্রায় দুই লাখ অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসী রয়েছেন তাদের বৈধ করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে মালয়েশিয়ান সরকার।’

তিনি বলেন, এবার সামিটে আমাদের বেশিকিছু রফতানিযোগ্য পণ্য প্রদর্শন করেছি। সেখানে আমদের পণ্যের সাড়া বেশ ভালো। ওই সামিটে মালয়েশিয়ার বড় বড় ২০০ কোম্পানি অংশগ্রহণ করেছিল। তাদেরকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বানও করা হয়েছে।

তোফায়েল আহমেদ আরো বলেন,  বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে অর্থনৈতিক, সামাজিকসহ সব ক্ষেত্রে বাংলাদেশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। বিশ্ববাসী বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রশংসা করছে। গত বছর বাংলাদেশ ৬ দশমিক ৫১ ভাগ জিডিপি অর্জন করেছে। গত ১০ বছরে গড়

জিডিপি অর্জন ছিল ৬ ভাগ। চলতি বছর ৭ দশমিক ২ ভাগ অর্জিত হয়েছে। বাংলাদেশের রফতানি এখন ৩২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি। দেশের ৫০ বছর পূর্তিতে ২০২১ সালে রফতানি ৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করতে সরকার কার্যক্রম গ্রহণ করেছে বলে জানান মন্ত্রী।

সূত্র:jagonews24

মালয়েশিয়ায় বৈধ হচ্ছেন ২ লাখ বাংলাদেশি অভিবাসী

By Unknown →
কিয়ামাত বা মহাপ্রলয় অবধারিত। যা আল্লাহ তাআলা কর্তৃক নির্ধারিত। তবে কখন এ মহাপ্রলয় সংঘটিত হবে সে সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট দিন-তারিখের কোনো বর্ণনা নেই। কুরআনের অনেক সুরায় কিয়ামাত বা মহাপ্রলয় সম্পর্কিত অসংখ্য বর্ণনা রয়েছে। তাছাড়া রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কিয়ামত অনুষ্ঠিত হওয়ার বিষয়ে হাদিসে বর্ণনা করেছেন।

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘নিশ্চয় শিঙ্গার মালিক (ইসরাফিল আলাইহিস সালাম)-এর দৃষ্টি অনবরত আরশের দিকে তাকিয়ে আছে; যে দিন থেকে তাঁকে এ কাজের দায়িত্বভার দেয়া হয়েছে।

এ ভয়ে যে, তাকে শিঙ্গায় ফুৎকার দেয়ার নির্দেশ করা হবে তাঁর দৃষ্টি নিক্ষেপের আগেই। আর তাঁর চোখ দুটি হবে তারকার মতো উজ্জ্বল। (মুসতাদরেকে হাকেম; সিলসিলা)

অন্য হাদিসে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কিয়ামতের দিন নিদ্দিষ্ট করে উল্লেখ করেছেন-

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘সর্বোত্তম দিন; যার প্রতি সূর্যোদ্বয় হয়েছে শুক্রবার।

সে দিন (হজরত) আদমকে (আলাইহিস সালাম) সৃষ্টি করা হয়েছে। সেদিনই তাঁকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছে। আবার সেদিনই তাঁকে জান্নাত থেকে বের করা হয়েছে। আর শুক্রবারই কিয়ামত অনুষ্ঠিত হবে।’ (মুসলিম)

কুরআন এবং হাদিসে কিয়ামতের বর্ণনার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য একটিই। আর তা হলো আল্লাহ তাআলার পথ থেকে বিমুখ হওয়া মানুষকে সত্যের পথে ফিরে আসার তাগিদ দেয়া। অন্যায় পথ পরিহার করা। কিয়ামতের ভয়াবহতা উল্লেখ করে মৃত্যু পরকালীন জীবনে আল্লাহ তাআলার কাছে জবাবদিহিতার মানসিকতা তৈরি করার প্রতি গুরুত্বারোপ করা।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে উল্লেখিত হাদিস থেকে কিয়ামতের কথা স্মরণপূর্বক দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ সম্পদ ঈমান লাভ এবং পরকালের চিরস্থায়ী জীবনের সফলতা লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন।

সূত্র:jagonews24

কিয়ামতের আগে হজরত ইসরাফিলের অপেক্ষা

By Unknown →
বাংলাদেশে বাসাবাড়িতে এবং বিভিন্ন যানবাহনে যেসব গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার করা হচ্ছে তার একটি বড় অংশই খুবই ঝুঁকিপূর্ণ । যেকোনও সময় এগুলো বিস্ফোরিত হতে পারে বলে আশংকার কথা বলা হচ্ছে সেফ সিলিন্ডার ক্যাম্পেইন নামে অলাভজনক একটি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে।
এমন প্রেক্ষাপটে আজ থেকে নতুন একটি প্রচারণা কার্যক্রমও শুরু করছে তারা। সরকারের বিস্ফোরক অধিদপ্তরের সাথে এই প্রচারণা চালাবে সেফ সিলিন্ডার ক্যাম্পেইন ।

বাংলাদেশে বাসাবাড়িতে এবং বিভিন্ন যানবাহনে যেসব গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার করা হচ্ছে তা কতটা নিরাপদ জানতে চাইলে এই ক্যাম্পেইনের একজন কর্মকর্তা মশিউল খন্দকার বলেন, "নির্দিষ্টভাবে গবেষণা নেই। বিস্ফোরক অধিদপ্তর থেকে পাওয়া তথ্যে একটা সিলিন্ডারের নির্দিষ্ট লাইফটাইম থাকে। দশ বছর ১৫ বছর। এর পর সেগুলো ধ্বংস করে ফেলতে হয়। কিন্তু আমাদের দেশে গাড়িতে যেটা ১০ বছর বা ১৫ বছর আগে লাগানো হয় সেটা এখনো চলছে। সেগুলো খুবই ঝুঁকিপূর্ণ এবং যেকোনও সময় বিস্ফোরিত হতে পারে"।

উল্লেখ্য, গত অক্টোবরেই বিস্ফোরক অধিদপ্তর রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের ১১ হাজার গ্যাস সিলিন্ডার পরীক্ষা করে সেগুলোর মধ্য থেকে আট হাজার সিলিন্ডার বাতিল করে।
গ্যাস, সিলিন্ডার, বাংলাদেশ, বিবিসি

বাংলাদেশে রাজধানীসহ বিভিন্ন শহর ও গ্রামেও এখন বাসায় বাসায় ব্যবহার হচ্ছে গ্যাসের সিলিন্ডার।
মি. খন্দকার বলেন, সবচেয়ে বড় বৈপরীত্য হচ্ছে, বাংলাদেশে গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে যারা ব্যবসা করছেন তারাই আবার টেস্টের সার্টিফিকেট দিয়ে থাকেন।
বিভিন্ন বাসাবাড়ি এবং অটো রিকশায় ব্যাপকভাবে ব্যবহার হয় গ্যাস সিলিন্ডার। কিন্তু অনেক সময়ই সেসবের বিস্ফোরণের কথা শোনা যায়।
"বিভিন্ন সময় যেসব দুর্ঘটনার খবর আসছে সেগুলো এসব কারণেই হচ্ছে" বলেও উল্লেখ করেন মি. খন্দকার।

এজন্য নিরাপদে গ্যাস সিলিন্ডার কিভাবে ব্যবহার করতে হয়, কিভাবে এগুলোর ব্যবস্থাপনা করতে হয় সেটাই তুলে ধরা হবে ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে।
সিলিন্ডার পরিবহনও সঠিকভাবে করা হয় না জানিয়ে তিনি বলেন, বলে অন্যান্য পণ্যসামগ্রীর মত খোলা ট্রাকে করে রোদের মধ্যে নিয়ে যাওয়া হয়। এগুলো পরিবহনের নিয়মের বিষয়ে বিআরটিএকে সচেতন করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

সূত্র:bbc

'গ্যাস সিলিন্ডারের একটি বড় অংশ খুবই ঝুঁকিপূর্ণ, যেকোনসময় বিস্ফোরিত হতে পারে'

By Unknown → মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৬
ড্যারেন স্যামির গতকালের ব্যাটিংকে অতিমানবীয় কিংবা এর চাইতেও বেশি কিছু বলা যেতে পারে। অন্যদিকে প্লে-অফ পর্যন্ত চলে আসা মাহমুদ  উল্লাহ রিয়াদের সাদামাটা দল খুলনা টাইটান্সও কিন্তু কম বিস্ময় জাগায়নি।

মাহমুদ উল্লাহর যোগ্য নেতৃত্ব পেয়েছে যে! আজ যে জিতবে সেই ঢাকার সাথে ফাইনাল খেলবে আগামী শুক্রবার।
এই সমীকরণ নিয়েই আজ সন্ধ্য পৌনে ৬টায় মাঠে নামছে রাজশাহী কিংস আর খুলনা টাইটান্স। গতকালের ম্যাচে ফেবারিট ঢাকার বিপক্ষে হেরে বসেছিল খুলনা। তাই রিয়াদের দল আজ শেষ আঘাত হানতে চাইবে। অন্যদিকে তামিমের চিটাগংকে বিদায় করে দেওয়া রাজশাহী আরও বিপুল উৎসহে মাঠে নামবে তা বলাই বাহুল্য।

খেলাটি সরাসরি দেখা যাবে চ্যানেল নাইন এবং সনি সিক্স এ।

সূত্র:kalerkantho

সন্ধ্যায় ড্যারেন স্যামির মুখোমুখি মাহমুদ উল্লাহ

By Unknown →
ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের বান্দা নামের একটি অঞ্চলে ৬ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এতে কয়েক ডজন ভবন ধসে গেছে এবং নিহত হয়েছে কমপক্ষে ১৮ জন ব্যক্তি।

বুধবার আচমকাই কেঁপে ওঠে বান্দা। স্থানীয় সময় সকাল ৫টা ৩ মিনিটে কম্পন অনুভূত হয়। ৬ দশমিক ৪ মাত্রার শক্তিশালী কম্পনে সুমাত্রা দ্বীপ কেঁপে উঠলেও কোনো সুনামি সতর্কতা দেওয়া হয়নি।

ভূমিকম্পের আঁচ পেতেই সিগলি শহরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মানুষ ঘর ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসতে শুরু করে। তবে সমুদ্র তীরবর্তী এলাকার মানুষের মধ্যে প্রবল আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।

৬ দশমিক ৪ মাত্রার কম্পনের ফলে যে কোনো সময় সুনামি আছড়ে পড়তে পারে বলে আতঙ্কে মানুষ ঘর বাড়ি ছেড়ে ছুটতে শুরু করে।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এই কম্পনে ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে বেশ কয়েকজন শিশুও রয়েছে।

চলতি বছরের জুন মাসেই ৬ দশমিক ৫ মাত্রার প্রবল ভূমিকম্প হয় সুমাত্রা দ্বীপের বেশ কিছু অঞ্চলে। ওই সময় কমপক্ষে ৮ জন আহত হয়েছিলেন। বেশ কিছু বাড়িঘরও ভেঙে পড়েছিল।

'প্যাসিফিক রিং অফ ফায়ার'-এর মধ্যেই রয়েছে সুমাত্রা দ্বীপ। ফলে মাঝে মধ্যেই জোর কম্পনে ঝটকা লাগছে ওই দ্বীপের বেশ কিছু অংশে।

সূত্র:ittefaq

ইন্দোনেশিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত ১৮

By Unknown →
আমাদের সাধারণ জ্ঞ্যানবুদ্ধি থেকে আমরা বুঝি যে, কোন কিছু রান্না করার আগে সেটি ভাল করে ধুয়ে নেয়া উচিত। বিশেষ করে মুরগি রান্না করার আগে আমরা সেই মুরগিকে আরও ভাল করে ধুয়ে নেই।

কারণ, কাঁচা মুরগির মধ্যে থাকা ব্যাকটেরিয়া শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক। খবর আনন্দবাজার এর।
তবে ফুড স্ট্যান্ডার্ডস এজেন্সির গবেষকরা বলছেন সম্পুর্ন অন্য কথা। তারা জানাচ্ছেন, ধোয়ার ফলে এই ব্যাকটেরিয়া আরও বেশি ছড়িয়ে পড়তে পারে। যা শরীরের জন্য হতে পারে আরও বেশি মারাত্মক ক্ষতিকারক।

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ক্যাম্পিলোব্যাকটর ও সালমোনেল্লা নামক এই দুইটি ব্যাকটেরিয়া এই মুহূর্তে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফুড পয়জনিং-এর অন্যতম কারণ। কাঁচা মুরগিতে এই দু’প্রকার ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতিই লক্ষ্য করা যায়। পাখিদের খাদ্যনালীতে সালমোনেল্লা ব্যাকটেরিয়া থাকে।

এই ব্যাকটেরিয়া শরীরে গেলে ডায়রিয়া, জ্বর, পেট ব্যথা, বমির মতো সমস্যা হতে পারে। এই ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ রুখে দেয়া সহজ হলেও ক্যাম্পিলোব্যাকটর অনেক বেশি ক্ষতিকারক। শুধু পানি দিয়ে ধুয়ে এই ব্যাকটেরিয়া পরিষ্কার করা সম্ভব হয় না। বরং মুরগির মধ্যে আরও বেশি ছড়িয়ে পড়তে পারে।

ফুড স্ট্যান্ডার্ডস এজেন্সির পরামর্শ অনুযায়ী, চিকেন জীবাণুমুক্ত করার একমাত্র উপায় হল ভাল করে রান্না করা। পরিষ্কার সুসিদ্ধ চিকেন খেলে ফুড পয়জনিং-এর ঝুঁকি থাকে না। রান্না করার সময় চিকেনের সবচেয়ে মোটা টুকরো কেটে দেখুন ভিতর থেকে ভাল করে গরম হয়ে সুসিদ্ধ হয়েছে কিনা। কোনোভাবেই যেন লালচে ভাব না থাকে।

সূত্র:d-pratidin

মুরগি ধুয়ে রান্না করেন? সাবধান!

By Unknown →
ডাক্তার, নার্স, আয়া, নাইট গার্ড সবাই মিলে ১২/১৩জন দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল। চার সন্ত্রাসী দ্বিতীয় তলায় উঠে অস্ত্রের মুখে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে বেডে ভর্তিরত মায়ের সঙ্গে থাকা ৭ম শ্রেণির ছাত্রীকে উঠিয়ে নিয়ে যায়। স্থানীয়দের সহায়তায় অপহরণের কিছুক্ষণের মধ্যে উদ্ধার করা হলেও ততক্ষণে ঐ স্কুল ছাত্রীকে সন্ত্রাসীরা গণধর্ষন করে। ঘটনাটি ঘটেছে গত সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। এ ঘটনায় সর্বত্র নিন্দার ঝড় উঠেছে।

সোমবার দুপুর ১২টা দিকে হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডের ১নং বেডে কথা হয় ডায়রিয়া আক্রান্ত সেই মায়ের সঙ্গে। সে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে বলেন সপ্তম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত আমার মেয়ে সোমবার সন্ধ্যায় তার পিতার সঙ্গে অসুস্থ মাকে দেখতে আসে হাসপাতালে। ঘরে কেউ না থাকার কারণে স্বামী সোমবার রাতে জালিয়াপালং ইউনিয়নের নিজ গ্রামের বাড়ি চলে যায় হাসপাতালে মেয়েকে রেখে। তিনি আরো বলেন, সোমবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে ওয়ার্ড থেকে পার্শ্ববর্তী বাথরুমে যাওয়ার সময় হাসপাতাল করিডোর থেকে তার মেয়েকে সন্ত্রাসীরা অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় স্থানীয় লোকজন ও হাসপাতালের রোগীরা চেঁচামেচি শুরু করলে স্থানীয় লোকজন ও নাইট গার্ডরা হাসপাতালের উত্তর পাশের বাউন্ডারি ওয়াল সংলগ্ন কবরস্থান থেকে রাত ১টার দিকে বিবস্ত্র অবস্থায় ঐ কিশোরী স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে বলে স্থানীয় উদ্ধারকারী নজরুল সহ কয়েকজন জানায়।

ঐ কিশোরীর পিতা বলেন, একটি সরকারি হাসপাতালে সব কিছু থাকার পরও কি করে সন্ত্রাসীরা হাসপাতালের ২ তলা উঠে আমার মেয়েকে তুলে নিয়ে গিয়ে সর্বনাশ ঘটাল এবং এর এর সুষ্ঠু বিচার পাব কিনা জানিনা। সোমবার সকালে সন্ত্রাসীরা হাসপাতালের বেডে এসে আমার স্ত্রীকে এই ঘটনায় কোন ধরনের বাড়াবাড়ি করলে শেষ করে ফেলা হবে বলে হুমকি দিয়ে যায়। এ কারণে মেয়েকে দ্রুত বাড়িতে নিয়ে আসি। পুরোপুরি সুস্থ না হওয়া সত্ত্বেও স্ত্রীকে নিয়ে দুপুরে ঘরে চলে আসি।

রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ৫নং ওয়ার্ড সদস্য শ্রমিক লীগ নেতা সরওয়ার কামাল পাশা এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এ ধরনের জঘন্য ঘটনার সাথে প্রকৃত দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা না হলে এ ধরনের ঘটনা আরো ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

তিনি বলেন উক্ত হাসপাতালে রোগী, সংশ্লিষ্ট আত্মীয় স্বজন বিশেষ করে মহিলাদের কোন নিরাপত্তা নেই। সন্ত্রাসীরা সর্বদা তাদের উত্যক্ত করে বিরক্ত করে থাকে। উদ্ধারে সহায়তাকারী স্থানীয় নজরুল কাশেম, আক্কাস, খাইরু, মুজিব সহ আরো কয়েকজন বলেন, আমরা দ্রুত খোঁজা খুঁজি করে মেয়েটিকে উদ্ধার করতে পেরেছি। অন্যথায় আরো বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশংকা ছিল।

উখিয়া হাসপাতালের প্রধান সহকারী ফরিদুল আলম এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, সোমবার রাতে হাসপাতাল এলাকায় সরকারি দুইজন, আইওএম এর দুইজন, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির দুইজন ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসের একজন আনসার ও ভিডিপি সদস্য সহ মোট সাত জন নাইট গার্ড কর্মরত ছিল। এত নিরাপত্তার পরও কিভাবে সন্ত্রাসীরা হাসপাতাল থেকে রোগীর মেয়েকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করলো এবং ঘটনার সম্পর্কে নাইট গার্ডরা কাউকে কিছু জানালো না তা অবশ্যই খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

উখিয়া আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরী উখিয়া হাসপাতালের ঘটনায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করে অবিলম্বে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে হাসপাতালের নিরাপত্তা জোরদার করার দাবি জানান।

ঐ রাতে উখিয়া হাসপাতালে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত ডাক্তার আরিফা মেহের রুমী হাসপাতাল থেকে কিশোরী উঠে নেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, নিজের নিরাপত্তা নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন থাকায় হাসপাতালের কোয়াটার ছেড়ে কক্সবাজার আসা যাওয়া করতে হচ্ছে।

উখিয়া থানার ওসি মো. আবুল খায়ের বলেন, ঘটনার সম্পর্কে জানতে পেরে কয়েক দফা পুলিশ অভিযান চালানো হয়েছে। তবে কোন অভিযোগ না আসলেও অতি দ্রুত সন্ত্রাসীদের আটকের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডাক্তার মিজবাহ উদ্দিন আহম্মেদ ঘটনার দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত কিশোরী পরিবারকে যাবতীয় সহযোগিতা প্রদান করা হবে।

সূত্র:ittefaq

হাসপাতাল থেকে তুলে নিয়ে স্কুল ছাত্রীকে গণধর্ষণ

By Unknown →
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, দেশের এক কোটি ৪২ লাখ ছাত্রছাত্রীকে উপবৃত্তি এবং অন্যান্য বৃত্তি দেয়া হচ্ছে। ছাত্রছাত্রীদের শতকরা ৪০ ভাগ এ ধরনের বৃত্তি পাচ্ছে।

মন্ত্রী মঙ্গলবার ঢাকায় বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের অডিটোরিয়ামে সেকেন্ডারি এডুকেশন কোয়ালিটি এন্ড অ্যাকসেস এনহান্সমেন্ট প্রজেক্ট (সেকায়েপ)-এর আওতায় এসিটি কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য দিনব্যাপী ওরিয়েন্টেশন কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।

নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত সকল ছাত্রছাত্রীকে বিনামূল্যে বই দেয়া হচ্ছে, যা বিশ্বে এক অতুলনীয় উদাহরণ। আমাদের সকল শিশুরাই এখন স্কুলে যায়। সংখ্যাগত বিবেচনায় আমরা সাফল্য অর্জন করেছি। এখন শিক্ষার গুণগত মান বাড়াতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, যেসব পশ্চাদপদ এলাকার স্কুলগুলোতে ইংরেজি, গণিত ও বিজ্ঞানে ছাত্রছাত্রীরা বেশি ফেল করত তাদের অবস্থার উন্নয়নে সেকায়েপ প্রকল্পের আওতায় অতিরিক্ত ক্লাস টিচার (এসিটি) নিয়োগ দেয়া হয়েছিল। এর ফলে স্কুলগুলোতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। শিক্ষার মানের উন্নয়ন হয়েছে এবং স্কুলগুলোতে এই তিনটি বিষয়ে ফেলের হার কমে এসেছে। এসিটি কর্মসূচির আওতায় অতিরিক্ত শিক্ষকদের দিয়ে ইংরেজি, গণিত ও বিজ্ঞান বিষয়ে ১০ লাখ অতিরিক্ত ক্লাস নেয়া হয়েছে। এ প্রকল্পের মেয়াদ আরো বাড়ানোর ইঙ্গিত দেন মন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, মাধ্যমিক শিক্ষায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হবে। সহজপাঠ্য বই, ক্লাসরুম আনন্দময় করা এবং পরীক্ষায় বিষয়ের সংখ্যা কমানোর মাধ্যমে এ পরিবর্তন আনা হবে।

তিনি বলেন, অষ্টম শ্রেনী পর্যন্ত শিক্ষা সবার জন্য বাধ্যতামূলক করা হবে। আমরা সবার জন্য মৌলিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে চাই।

সেকায়েপ প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মাহামুদ-উল-হক এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের সচিব মো.সোহরাব হোসেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. এসএম ওয়াহিদুজ্জামান এবং সেকায়েপ প্রকল্পের অতিরিক্ত পরিচালক আ. হামিদ জমাদ্দার বক্তব্য রাখেন। কর্মশালায় নকলা ও হালুয়াঘাট উপজেলার প্রতিষ্ঠান প্রধান, স্কুল ও মাদ্রাসা ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভাপতি এবং ইংরেজি, গণিত ও বিজ্ঞান বিষয়ে অতিরিক্ত ক্লাস টিচারগণ অংশগ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, দেশের প্রতিটি জেলার দু‘টি করে উপজেলায় প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।

সূত্র:protidinersangbad

দেশের এক কোটি ৪২ লাখ ছাত্রছাত্রীকে শিক্ষাবৃত্তি দেয়া হচ্ছে : শিক্ষামন্ত্রী

By Unknown →
বুকব্যথা অর্থাৎ অ্যানজিনা পেইন হলে বুকের ঠিক মাঝখানে অনুভূত হয়। বাঁ পাশে নয়। হার্টে রক্তস্বল্পতার কারণে যে ব্যথা হয়, তা বুকের মাঝখান থেকে, কখনো কখনো গলা, চোয়াল, পিঠের পেছনে এবং বাঁ বাহুতে ছড়িয়ে পড়ে। হার্টের ব্যথার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলোÑ চলাফেরা, বিশেষ করে সিঁড়ি ভাঙতে গেলে ব্যথা তীব্রতর হতে থাকে এবং বিশ্রাম নিলে ব্যথা অনেকটা কমে আসে।

 টেনশন করলে কিংবা একবারে বেশি পরিমাণ খেলে, এমনকি ঠা-া বাতাসের কারণেও অনেকের এ ধরনের ব্যথা বাড়তে পারে। হার্টের সমস্যায় বুকে ব্যথার পাশাপাশি ঘাম হতে পারে, বমি বমি ভাব কিংবা বমি হতে পারে।

পেটের আলসার ও বুকব্যথা : হাইপার অ্যাসিডিটি বা পেটের আলসার বা পেপটিক আলসারের সমস্যা সাধারণ মানুষ গ্যাস্ট্রিক বলে থাকেন। এ সমস্যায়ও বুকব্যথা হতে পারে। তখন বুকের মাঝ বরাবর নিচের দিকে ব্যথা অনুভূত হয়। রোগের তীব্রতায় অনেক সময় তা পুরো বুকে ছড়িয়ে পড়ে। ভাজাপোড়া খেলে, খালি পেটে থাকলে এ ধরনের ব্যথা বাড়ে। রেনিটিডিন বা ওমিপ্রাজল গ্রুপের ওষুধ খেলে ব্যথা কমে। হার্টের ব্যথা কখনো এসব ওষুধে ভালো হয় না।

বুকের হাড় ও মাংসের সমস্যা এবং বুকব্যথা : বুকের হাড়ে সমস্যা হলে বুকব্যথা হতে পারে। বুকের আর্থ্রাইটিস, হাড়ের ইনফেকশন বা প্রদাহ হলে ব্যথা হয়। এ ছাড়া বুকের মাংসে আঘাত লাগলে বুকব্যথা হতে পারে। এ ধরনের ব্যথা নড়াচড়া করলে বাড়ে এবং ব্যথানাশক ওষুধ খেলে কমে।

 যারা খেলাধুলা করেন, ড্রাইভিং এবং ভারী কাজ করা যাদের পেশা, তাদের বুকব্যথা হতে পারে। যারা হঠাৎ ব্যায়াম শুরু করেন, প্রাথমিক অবস্থায় তাদেরও বুকব্যথা হতে পারে। এসব বুকের হাড় ও মাংসের সমস্যায় হয়ে থাকে। বিশ্রাম নিলে, ব্যথার ওষুধ খেলে সেরে যায়।

খাদ্যনালির সমস্যা ও বুকব্যথা : খাদ্যনালির সমস্যায়ও বুকব্যথা হতে পারে। যেমনÑ খাদ্যনালির ইনফেকশন, খাদ্যনালির স্পাজম ইত্যাদি কারণে বুকব্যথা হয়। চিত হয়ে শুয়ে থাকলে, খাওয়া ও পানি পান করার সময় এ ব্যথা বাড়তে পারে। এ ব্যথার ধরন অনেকটা রক্তস্বল্পতাজনিত বুকব্যথার মতো এবং অনেক সময় ব্যায়াম করলে বেড়ে যেতে পারে।

শ্বাসনালির সমস্যা ও বুকব্যথা : অ্যাজমা বা হাঁপানি রোগে শ্বাসনালির স্পাজম হতে পারে। এ রোগে বুকে চাপ চাপ লাগে এবং বিশ্রাম নিলে কমে যায়। হার্টে রক্তস্বল্পতাজনিত ব্যথার সঙ্গে এ ব্যথার অনেক মিল আছে। তবে এ েেত্র ব্যথার পাশাপাশি কাশি, বুকে চিঁ চিঁ আওয়াজ হতে পারে। ফুসফুসের বিভিন্ন সমস্যা, যেমনÑ নিউমোনিয়া, ফুসফুসে পানি ঢোকা বা যক্ষ্মা ও ক্যানসার ইত্যাদি রোগেও বুকব্যথা হতে পারে।

দুশ্চিন্তার সঙ্গী বুকব্যথা : যারা টেনশনে ভোগেন, তারা সব সময় বুকে একটা চাপ অনুভব করেন। বিশ্রাম নিলে, রাতে ভালো ঘুম হলে এ ব্যথা কিছুটা কমে আসে। তাই এ ধরনের সমস্যা এড়াতে যতটুকু সম্ভব দুশ্চিন্তামুক্ত জীবনযাপন করা উচিত।

 টেনশনের সবচেয়ে খারাপ দিক হলোÑ আগে থেকে হার্টের সমস্যা থাকলে টেনশনে তা আরও বেড়ে যায়। ছোট শিশুরা নিঃসঙ্গ অবস্থা, অনিশ্চয়তা, ভীতি বোধ, স্কুলভীতি, পরীাভীতি এসব কারণে বুকব্যথার কথা বলে থাকে।

আমাদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বেশ বেড়েছে বটে, তবে অতিসচেতনতা বিড়ম্বনার কারণ হতে পারে। বুকে ব্যথাও এমন একটি বিষয়। অতিস্বাস্থ্য সচেতনতায় সামান্য বুকব্যথায় আমরা বুঝে উঠতে পারি না কী করব, কাকে দেখাব। মেডিসিন না হার্ট স্পেশালিস্ট, সবচেয়ে বড় স্পেশালিস্ট কেÑ ইত্যাদি ভাবতে ভাবতে খেই হারিয়ে ফেলি।

 এ ছাড়া মানুষের অনাবশ্যক বাড়তি উপদেশ তো আছেই। তবে বুকের ব্যথা একেবারে মামুলি বিষয় নয়। মাথায় পানি ঢেলে অথবা বুকে তেল মালিশ করে যে সমস্যাটি দূর হবে, তা-ও নয়। এ জন্য অযথা অস্থির না হয়ে সময়মতো চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।



লেখক : সহযোগী অধ্যাপক

শিশু কার্ডিওলজি বিভাগ

জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, শেরেবাংলানগর ঢাকা

সূত্র:dainikamadershomoy

বুকব্যথা আর হৃৎপি-ের সমস্যা এক নয়

By Unknown →
নির্বাচন কমিশন গঠন প্রক্রিয়া নিয়ে খালেদা জিয়ার ১৩ দফা প্রস্তাব এবং রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের একটি আবেদন বঙ্গভবনে পৌঁছে দিয়েছে বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল।

ইসি: রাষ্ট্রপতির সংলাপ ‘বিজয় দিবসের পর’
খালেদার প্রস্তাব জানাতে রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎ চায় বিএনপি
‘সব দলের’ মতৈক‌্যে নতুন ইসি চান খালেদা

প্রস্তাব নিয়ে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ও ভাইস চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল (অব.) রুহুল আলম চৌধুরী মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে বঙ্গভবনে যান।

তারা রাষ্ট্রপতির সহকারী সামরিক সচিব বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মো. মাইনুর রহমানের সঙ্গে দেখা করেন। বিএনপির দুই নেতা ১৫ মিনিট বঙ্গভবনে ছিলেন।

রাষ্ট্রপতির সহকারী প্রেস সচিব মাহমুদুল হাসান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “বিএনপির প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সহাকারী সামরিক সচিব ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইনুর রহমানের কাছে তাদের মহাসচিবের সই করা চিঠি এবং প্রস্তাবের মুদ্রিত কপি হস্তান্তর করেন।”

বিএনপি প্রতিনিধিদল যাওয়ার আগেই সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে বঙ্গবভবন ত্যাগ করেন।

বঙ্গভবন থেকে বেরিয়ে রিজভী সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা মহামান্য রাষ্ট্রপতির নিকট হস্তান্তরের জন্য দলের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশন গঠন ও শক্তিশালীকরণে দেশনেত্রীর উপস্থাপিত ১৩ দফা প্রস্তাবাবলীর মুদ্রিত কপি ও দলের মহাসচিব স্বাক্ষরিত একটি আবেদন তার সহকারী সামরিক সচিবের কাছে পৌঁছে দিয়েছি। তিনি সেটা অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে গ্রহণ করেছেন।

“তিনি জানিয়েছেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি শারীরিক অসুস্থতার কারণে বিদেশে গিয়েছেন। তিনি ১১ ডিসেম্বর দেশে ফিরে আসবেন। এরপর ধারাবাহিকতাভাবে বিভিন্ন দলের সঙ্গে আলোচনা করবেন।”

রাষ্ট্রপতির সহকারী সামরিক সচিবের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় নির্ধারিতই ছিল বলে জানান রিজভী।

কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ নেতৃত্বাধীন বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মেয়াদপূর্তি হচ্ছে আগামী ফেব্রুয়ারিতে। এরপর যে কমিশন দায়িত্ব নেবে, তাদের অধীনেই ২০১৯ সালে একাদশ জাতীয় নির্বাচন হবে। নতুন কমিশনই বাছাই কমিটির মাধ্যমে করা হবে- এমন আভাস আগেই দিয়েছেন আইনমন্ত্রী।

নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনের প্রক্রিয়া কেমন হবে তার রূপরেখা তুলে ধরতে গত ১৮ নভেম্বর সংবাদ সম্মেলনে আসেন দশম সংসদ নির্বাচন বর্জন করা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
তিনি নির্বাচন কমিশন নিয়োগে বাছাই কমিটি গঠনের রূপরেখা, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন

কমিশনারদের যোগ্যতা এবং ‘সব দলের অংশগ্রহণে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ’ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের কয়েকটি ধারা সংশোধনসহ ১৩টি প্রস্তাব দেন।

এসব প্রস্তাব রাষ্ট্রপতির কাছে পৌঁছাতে গত ২১ নভেম্বর খালেদা জিয়ার একান্ত সচিব আবদুস সাত্তার টেলিফোনে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিবের সঙ্গে কথা বলেন। কোনো জবাব না পেয়ে ২৩ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়ে রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎ চায় বিএনপি। এতেও সাড়া না পেয়ে প্রস্তাবসহ একটি চিঠি বঙ্গভবনে পৌঁছানোর সিদ্ধান্ত নেয় দলটি।

বিজয় দিবসের পরপরই রাষ্ট্রপতি নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনে বর্তমান কমিশন ও নিবন্ধিত দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে বসতে পারেন বলে এরই মধ্যে আভাস দিয়েছেন রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন।

প্রেস সচিব কোনো তারিখ না বললেও বঙ্গভবনের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ১৮ ডিসেম্বর থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু করার কথা ভাবা হচ্ছে। আর প্রথমদিনই বিএনপিকে ডাকা হতে পারে।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, “আমরা প্রত্যাশা করি, মহামান্য রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অভিভাবক হিসেবে এদেশের মানুষের যে আকাঙ্খা- নির্বাচন কমিশন কেমন হওয়া উচিৎ, সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একটা নির্বাচন কমিশন গঠনে কার্য্কর উদ্যোগ গ্রহণ করবেন।

সূত্র:bdnews24

খালেদার প্রস্তাব বঙ্গভবনে

By Unknown →
তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী জয়রাম জয়ললিতা গতকাল সোমবার কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের কারণে মারা গেছেন। অ্যাপোলো হাসপাতালে ৭৫ দিন মৃত্যুর সঙ্গে যুদ্ধ করে অবশেষে হার মেনে নেন ৬৭ বছর বয়সী এই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।

এখন প্রশ্ন হলো-কী এই কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট? যার কারণে মৃত্যুর কাছে হার মানতে হয় আমাদের? কীভাবেই বা কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট প্রতিরোধ করা যায়? সাধারণত হৃদরোগ হিসাবে দুটি রোগের নাম প্রায়শই শোনা যায়।
 একটি হল- হার্ট অ্যাটাক, আরেকটি কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট। অনেকে প্রায়শই এই দু'টি রোগকে গুলিয়ে ফেলে একটি রোগই ভাবেন। কিন্তু এই দুটি রোগ একেবারেই আলাদা দুটি রোগ, যাদের উপসর্গও ভিন্ন ভিন্ন। কিন্তু কোথায় আলাদা?

হার্ট অ্যাটাক:

হার্ট যখন অপর্যাপ্ত এবং অনিয়মিতভাবে রক্ত সঞ্চালন করে তখনই হার্ট অ্যাটাক হয়। করনারি ধ্বমনীতে বাধা বা বল্কেজ তৈরি হলে হার্ট অ্যাটাক হয়ে থাকে। সাধারণত রক্ত জমাট বাঁধার জন্য এ রকমটা ঘটে থাকে। যদি এই ধরনের জমাট বাঁধা রক্তকে সরানো না যায় তাহলেই বিপদ ঘটে।

কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট:

কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হলে হৃদস্পন্দন থেমে যায়। কিন্তু হার্ট অ্যাটাক হলে স্পন্দন থামে না। এমন কি হৃত্পিণ্ডে রক্ত সংবহন বন্ধ হয়ে গেলেও স্পন্দন চলতেই থাকে। কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট তখনই হয়, যখন আমাদের হৃদপিন্ড সারা শরীরে রক্ত পাম্প করা বন্ধ করে দেয়। এটাকে তাই সাডেন কার্ডিয়াক অ্যারেস্টও বলা হয়। এর ফলে অনেক মানুষ বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্টের সমস্যা, মাথা ঘোরা প্রভৃতি সমস্যা অনুভব করেন।

কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের কারণ:

অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের কারণে অনেক সময়ে কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়। এছাড়া করোনারি আর্টারির রোগ, হার্ট অ্যাটাক, অতিরিক্ত শারীরিক ধকল, অক্সিজেনের অভাব, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, অতিরিক্ত শারীরিক কসরত, এছাড়াও আরও অনেক কারণে কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হতে পারে। উচ্চ রক্তচাপ, অতিরিক্ত ওজন, ডায়াবেটিস, হাই ব্লাড কোলেস্টেরল, অতিরিক্ত মদ্যপান এবং নিয়মহীন জীবনযাপনের জন্যেও কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়।

কীভাবে প্রতিরোধ করা যায় এই কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট?

১) নিয়মিত চিকিৎসককে দিয়ে হৃদপিণ্ড পরীক্ষা করাতে হবে।

২) যদি আপনার পরিবারের অনেকেই কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের স্বীকার হয়ে থাকেন, তাহলে আরও বেশি খেয়াল রাখুন।

৩) স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করুন।

৪) সঠিক ডায়েট মেনে খাবার খান।

৫) নিয়মিত শরীর চর্চা করুন। তবে অতিরিক্ত নয়।

৬) ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

৭) ধূমপান করবেন না।

আপনি কিংবা আপনার কোন প্রিয়জনকে যাতে কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট কারণে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তে না হয়, তাই রোগটি প্রতিরোধের উপায় আগে থেকেই জেনে রাখুন। নিয়মগুলো মেনে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনই আপনাকে রোগটি থেকে মুক্তি দিবে।

তথ্যসূত্র: জিনিউজ।

কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের কারণ ও এর প্রতিকার

By Unknown →
অক্টোবর মাসের তুলনায় গেলো নভেম্বর মাসে মূল্যস্ফীতির হার কিছুটা কমে ৫ দশমিক ৩৮ ভাগ হয়েছে। এসময় খাদ্য পণ্যসহ খাদ্য বহিভূর্ত বিভিন্ন পণ্যে মূল্য বৃদ্ধির হার কমেছে। নভেম্বরে চাল, ডাল, শাক-সবজি, পিঁয়াজ এবং আদার মূল্য আগের মাসের তুলনায় কমেছে। সামান্য বেড়েছে পরিধেয় বস্ত্র, জ্বালানি ও আলো, বাড়ি ভাড়া, গৃহস্থলী, চিকিৎসা, পরিবহন এবং শিক্ষা উপকরণের ব্যয়।

মঙ্গলবার শেরেবাংলা নগরস্থ এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক বৈঠক শেষে মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ তথ্য তুলে ধরেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হালনাগাদ তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে, অক্টোবরে দেশের মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৫ দশমিক ৫৭ ভাগ যা নভেম্বরে হয়েছে ৫ দশমিক ৩৮ ভাগ। এসময়ে খাদ্য পণ্যে মূল্যস্ফীতির হার ৫ দশমকি ৫৬ ভাগ থেকে কমে ৫ দশমকি ৪১ ভাগ হয়েছে। খাদ্য বাহির্ভূত পণ্যে মূল্যস্ফীতির হার ৫ দশমকি ৫৮ ভাগ থেকে কমে ৫ দশমিক ৩৩ ভাগ হয়েছে।

গ্রাম ও শহর ভিত্তিক মূল্যস্ফীতির তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে, নভেম্বরে গ্রামীণ অঞ্চলে মূল্যস্ফীতির হার হয়েছে ৪ দশমিক ৭৫ ভাগ যা অক্টোবরে ছিলো ৪ দশমিক ৮৭ ভাগ। এসময় গ্রামীণ অঞ্চলে খাদ্যে মূল্যস্ফীতির হার ৪ দশমিক ৮৯ থেকে হ্রাস পেয়ে ৪ দশমিক ৮৩ হয়েছে। গ্রামীণ অঞ্চলে খাদ্য বহির্ভূত পণ্যে মূল্যস্ফীতির হার ৪ দশমিক ৮৩ থেকে কমে ৪ দশমিক ৬০ ভাগ হয়েছে।

অন্যদিকে শহরাঞ্চলে নভেম্বরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৫৬ শতাংশ, যা তার আগের মাসে ছিল ৬ দশমিক ৮৭ শতাংশ। খাদ্য পণ্যের মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক শুন্য ৯ থেকে হ্রাস পেয়ে ৬ দশমিক ৭৪ ভাগ হয়েছে। অন্যদিকে শহরাঞ্চলে খাদ্য বাহির্ভূত পণ্যে মূল্যস্ফীতির হার ৬ দশমিক ৬৩ ভাগ থেকে কমে ৬ দশমিক ৩৫ ভাগ হয়েছে।

সূত্র:ittefaq

নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি কমে ৫ দশমিক ৩৮ ভাগ

By Unknown →
আপনি কী আমাদের মোটা মেষশাবক হিসেবে দেখতে চান?‌ এসব ভুলে যান। আমেরিকার ৪৫তম প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে উদ্দেশ্য করে এমনই সতর্কবাণী চীনের সরকারি সংবাদপত্র ‘‌গ্লোবাল টাইমস’‌–এর। খবর আজকালের।

এর আগে, রবিবার রাতে আবার টুইট করে চীনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন ট্রাম্প। তিনি অভিযোগ করেন, চীনা সরকার ইচ্ছাকৃত দেশটির মুদ্রা ইয়েনের দাম কমিয়ে রেখেছে। এছাড়া দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের সেনা মোতায়েন নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

এই নিয়ে মঙ্গলবার গ্লোবাল টাইমস–এর সম্পাদকীয়তে লেখা হয়েছে, ‘‌রবিবার রাতে ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। ’‌

ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর সৌজন্যবশত তাকে ফোন করে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। নির্বাচনের আগে চীনের বিরুদ্ধে নানা বিষয়ে সরব হয়েছিলেন ট্রাম্প। ভোটে জিতেও যে তিনি একই অবস্থান বজায় রাখবেন তা ভাবতে পারেনি বেইজিং।

তবে বেজিং এখনও মনে করে, কূটনৈতিক ব্যাপারে ট্রাম্প অনভিজ্ঞ। সেই অনভিজ্ঞতা থেকেই ট্রাম্প এই রকম মন্তব্য করছেন


সূত্র:bd-pratidin

ট্রাম্পকে পাল্টা হুঁশিয়ারি চীনের

By Unknown →
ছোট শিশু। কাদামাটিতে মুখ থুবড়ে পড়ে আছে নিথর। শিশুটি মিয়ানমার থেকে বাবা-মায়ের সঙ্গে পালিয়ে আসা। পালিয়ে আসা ওই মানুষের আশ্রয় ছিল না কোথাও। আশ্রয়হীন সেই অবোধ শিশুটিকে পরম মমতায় আশ্রয় দিয়েছে কাদামাটি। ‘অনিচ্ছুক’ আশ্রয় জানিয়ে দিচ্ছে মানবতার অপমানের কথা। মানবতার এমন অপমানেই হয়তো মুখ ঢেকেছে লজ্জায়।

মিয়ানমার থেকে প্রাণভয়ে পালিয়ে আসা অন্তত ১৫ নারী-পুরুষ ও শিশুকে গুলি করে গত রোববার রাতে হত্যা করেছে দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী। খবর রোহিঙ্গা ভিশন।

খবরে আরও বলা হয়, ১৫ জনের বেশি লোককে হত্যা করা হয় এবং দুই নৌকাভর্তি লোকজন নিখোঁজ রয়েছে। নিহতরা বাংলাদেশে পালিয়ে আসছিলেন। নাফ নদীর তীর থেকে লাশগুলো উদ্ধার করা হয়।

জানা গেছে, কাদামাটিতে মুখ থুবড়ে পড়ে থাকা শিশুটির নাম তোতাইত। তোতাইত মংডুর বড় গওজবিল এলাকার জাফর আলম ও ছেনুয়ারার সন্তান। তোতাইতের বয়স ১০ মাস। যে নৌকায় এ হত্যাকাণ্ড চালানো হয় সে নৌকার যাত্রী ছিলেন রেহানা। রেহানার খালাতো ভাই তোতাইত। টেকনাফে আশ্রয় নেওয়া রেহানা সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

উত্তর মংডুর এক ব্যক্তি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এ শিশুদের দোষ কী? কেন এই নিষ্পাপ শিশুদের হত্যা? কেন এভাবে এ নিষ্পাপ শিশুদের লাশ দেখতে হচ্ছে?’ ভুক্তভোগী অধিকাংশ মানুষই উত্তর মংডুর রাইমবালি গ্রামের বাসিন্দা। ৯ অক্টোবর থেকে সেনা অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে মংডুর অবস্থা শোচনীয় হয়ে পড়েছে। এ পর্যন্ত ২৫০ জনকে হত্যা করেছে দেশটির বাহিনী, যারা বিভিন্ন সময় নাফ নদী পার হওয়ার চেষ্টা করেছিল।

সূত্র:dainikamadershomoy

মানবতার লজ্জা

By Unknown →
সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় পটকা মাছ খেয়ে দুই শিশুসহ একই পরিবারের পাঁচজন মারা গেছেন। মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের মহাইল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মৃতরা হলেন, ওই গ্রামের আব্দুর রহিম (৬০), ছেলে সোলাইমান (৩৫) ও লোকমান (৩০), সোলাইমানের দুই সন্তান রহিন (৮) ও মনি (৭)।

এ ঘটনায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন সোলাইমানের স্ত্রী মারুফা বেগম এবং তাদের আত্মীয় একই এলাকার বোরহান, জয়নাল, রাজিয়াসহ পাঁচজন।

জৈন্তাপুর উপজেলা চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সূত্র:jagonews24

মাছ খেয়ে একই পরিবারের পাঁচজনের মৃত্যু

By Unknown →
বিপিএলের এলিমিনেটর ম্যাচে ড্যারেন স্যামির লড়াকু ব্যাটে চিটাগং ভাইকিংসকে ৩ উইকেটে হারিয়েছে রাজশাহী কিংস। ফলে তামিম-গেইল-তাসকিনদের বিদায় করে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে উঠে গেলো সাব্বির-মুমিনুলের রাজশাহী।

মঙ্গলবার দুপুরের ম্যাচে রাজশাহী কিংসের বিপক্ষে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৪২ রান সংগ্রহ করে টসে হেরে ব্যাট করতে নামা চিটাগং ভাইকিংস। জবাবে স্যামির ব্যাটে ৯ বল হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় ৭ উইকেট হারানো রাজশাহী। এর আগে গ্রুপ পর্বে দু’দলের দু’বারের দেখায় একটি করে জয় পায় চিটাগং ও রাজশাহী।

এ ম্যাচে ভাইকিংস দলপতি তামিম ইকবালের ব্যাট থেকে আসে ইনিংস সর্বোচ্চ রান। ৪৬ বলে ছয়টি চারের সাহায্যে এদিনও ফিফটি হাঁকিয়ে ৫১ রানে আউট হন তামিম। ব্যাটে ঝড় তুলেছিলেন ক্রিস গেইলও। ৩০ বল খেলে দুই চার ও পাচটি ছক্কায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৪ রান করেন এই বিশ্ব তারকা। তবে বাকিদের কেউই বলার মত স্কোর করতে ব্যর্থ হলে বড় সংগ্রহ করতে পারেনি চিটাগং।

 অন্যদিকে রাজশাহীর হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেন কেসরিক উইলিয়ামস। ৪ ওভারে মাত্র ১১ রান দিয়ে এ ম্যাচে তিনি ৪টি উইকেট তুলে নেন তিনি। এছাড়া ফরহাদ রেজা ২টি এবং ফ্রাঙ্কলিন ১টি উইকেট দখল করেন।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে ভাইকিংস বোলারদের তোপে পড়ে দলীয় ৫৭ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলে রাজশাহী কিংস। হারের শঙ্কায় থাকা দলের এহেন অবস্থায় হাল ধরেন দলপতি ড্যারেন স্যামি। মূলত একাই প্রতিরোধ গড়ে লড়াকু ৫৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে শুধু উদ্ধারই করেন নি। জয়ও

পাইয়ে দেন স্যামি। তার ২৭ বলের ঝোড়ো ইনিংসটিতে ছিলো দু'টি ছক্কা ও সাতটি চারের মার। এছাড়া এদিন ওপেনিংয়ে নামা নুরুল হাসান সোহান করেন ৩৪ রান। আর ফরহাদ রেজা অপরাজিত থাকেন ১৯ রানে।

চিটাগংয়ের পক্ষে ২টি করে উইকেট নেন শুভাশিস রায় ও সাকলাইন সজীব। এছাড়া আব্দুর রাজ্জাক ও মোহাম্মদ নবী পান ১টি করে উইকেট।

এদিকে এই জয়ের ফলে বুধবার দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ম্যাচে প্রথম কোয়ালিফায়ারে পরাজয়ীর মোকাবেলা করবে স্যামি-সাব্বিরের রাজশাহী কিংস।


সূত্র:manobkantha

স্যামির ব্যাটে তামিম-গেইলদের বিদায়

By Unknown →
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী মাহাবুবুল হক শাকিল মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। রাজধানীর গুলশান-২-এর সামদাদো জাপানিজ কুইজিন নামের রেস্তোরাঁয় মঙ্গলবার দুপুরের দিকে তিনি মারা যান। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

তার বয়স হয়েছিল ৪৮ বছর। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব আসিফ কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মৃত্যুকালে মাহবুবুল হক শাকিল স্ত্রী, এক মেয়ে সন্তান এবং অসংখ্য বন্ধু শুভানুধ্যায়ী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

তার মৃত্যুতে আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছে।
১৯৬৮ সালে ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন মাহবুবুল হক শাকিল। তার বাবা আইনজীবী ও মা শিক্ষক। সাবেক এই ছাত্রনেতা প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (মিডিয়া) পদে অতিরিক্ত সচিব মর্যাদায় কর্মরত ছিলেন।

২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ সহকারী হিসেবে চারজনকে নিয়োগ দেয়া হয়। তাদের মধ্যে শাকিল অন্যতম ছিলেন। এর আগেও তিনি শেখ হাসিনার বিশেষ সহকারী ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজ বিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করেন। এছাড়া ছাত্রলীগের

সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
কবি হিসেবেও পরিচিত ছিলেন তিনি। গত বইমেলায় ‘মন খারাপের গাড়ি’ নামে তার একটি কাব্যগ্রন্থ বের হয়েছিল।

সূত্র:manobkantha

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শাকিল আর নেই

By Unknown →
ডিবি পুলিশ পরিচয়ে কৃষক আব্দুল মালেকের (৬০) কাছ থেকে দুই লাখ টাকা ছিনতাই করা হয়েছে। ছিনতাইয়ের এ ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই শিল্পাঞ্চলের মিলগেট এলাকায়। মালেকের বাড়ি এ উপজেরার লতিফপুর ইউনিয়নের লতিফপুর গ্রামে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানান, মঙ্গলবার সকালে মালেক জমির বায়না দিতে বাড়ি থেকে দুই লাখ টাকা নিয়ে সাইকেলযোগে মির্জাপুরের উদ্দেশে রওনা হন। গোড়াই মিলগেট এলাকায় পৌঁছালে চার সদস্যের ছিনতাইকারি ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে মালেককে মাইক্রোবাসে (ঢাকা মেট্রো-চ- ১৩-৭৮৫৫) তোলার চেষ্টা করে।

 এসময় মালেক নিজেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে ছিনতাইকারীরা মাথায় আঘাত করলে সে নিস্তেজ হয়ে পড়ে। এসময় স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে ছিনতাইকারিরা নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দিলে এলাকাবাসী চলে যান। পরে ডাকাতরা মালেককে মাইক্রোবাসে  তুলে টাঙ্গাইলের দিকে রওনা হন।

আমিনুর নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি তাদের সন্দেহ করে প্রাইভেটকার নিয়ে মাইক্রোবাসের পেছনে যেতে থাকেন। ডাকাতরা মহাসড়কের পাকুল্যা বাইপাস এলাকা থেকে মাইক্রোবাস ঘুরিয়ে আবার ঢাকার দিকে রওনা হলে আমিনুরের সন্দেহ গভীর হয়। পরে সে থানা, দেওহাটা ও হাইওয়ে পুলিশে খবর দেয়।

ছিনতাইকারীরা মালেককে মাইক্রোবাসের ভেতর হাত-পা বেঁধে মারপিট করে তার সঙ্গে থাকা দুই লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয়। মালেককে মহাসড়কের আছিমতলা নামক স্থানে ফেলে পালিয়ে যায় তারা।

ছিনতাইকারীদের বহন করা মাইক্রোবাসের চালক মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে পুলিশের সিগন্যাল অমান্য করে মহাসড়কের দেওহাটা এলাকা থেকে ঢাকা-টাঙ্গাইল পুরাতন সড়কে ঢুকে পরে। পরে ডাকাতরা মির্জাপুর পৌর সদরের বাইমহাটী এলাকায় মাইক্রোবাসটি ফেলে পালিয়ে যায়। পুলিশ দুপুর পৌনে দুইটার দিকে মাইক্রোবাসটি আটক করতে সক্ষম হন।

গোড়াই এলাকার বাসিন্দা আমিনুর বলেন, মিলগেট এলাকায় একটি মাইক্রোবাস থামিয়ে চার ব্যক্তি এক বৃদ্ধাকে মারপিট করছে দেখে তিনিসহ এলাকাবাসী এগিয়ে গিয়ে মারপিটের বিষয়টি জানতে চান। ছিনতাইকারীরা তাদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দিলে লোকজন চলে যায়।

আমি ফিরে না গিয়ে প্রাইভেটকার নিয়ে তাদের পিছু নেই। পাকুল্যা এলাকা থেকে মাইক্রোবাসটি ঘুরানোর পর সন্দেহ হলে পুলিশে খবর দেই।

মির্জাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মোশারফ হোসেন বলেন, ছিনতাইকারীদের গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

সূত্র:protidinersangbad

ডিবি পরিচয়ে কৃষকের ২ লাখ টাকা ছিনতাই

By Unknown →
তখন তার বয়স মাত্র ১২। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দা ডেভান মার্কের আঘাতটা আসে তখনই। জানতে পারেন, তিনি 'যোনিহীন'। অর্থাৎ তার শরীরে কোন ভ্যাজাইনা নেই। কোন দিন যৌন মিলন করতে পারবেন না। মা-ও হতে পারবেন না। কিন্তু কৃত্রিম যোনি নিয়ে সেই ডেভান-ই এখন মা হতে চলেছেন!

এই অতি বিরল শারীরিক অবস্থাটির ডাক্তারি পরিভাষায় নাম, মেয়ার-রকিট্যাস্কি-কাস্টার-হাউসার-সিন্ড্রোম। ২৩ বছর বয়সি ডেভানের অকপট স্বীকারোক্তি ঝড় তুলে দিয়েছে ইন্টারনেট জগতে। বহু নারীর প্রেরণা এখন তিনি। সম্প্রতি একটি বিরল অস্ত্রোপচার হয় ডেভানের।

ডেভানের যোনি ছিল না। ফলে যৌন মিলন কোনও ভাবেই সম্ভব ছিল না। ভালোবাসার মানুষটিকে বিয়ে করেন জর্জিয়ার বাসিন্দা ট্রেন্ট। স্ত্রীর চিকিৎসা করান তিনি। কঠিন অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ডেভানের শরীরের অন্য জায়গা থেকে চামড়া নিয়ে কৃত্রিম যোনি তৈরি করেন চিকিৎসকরা!

সফল অস্ত্রোপচারের পর ডাক্তাররা জানিয়ে দেন, এবার একেবারে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারবেন তিনি। সন্তানও ধারণ করতে অসুবিধা হবে না। সম্প্রতি ওই দম্পতি ঘোষণা করেছেন, তারা সন্তানের মুখ দেখতে যাচ্ছেন IVF-এর সাহায্যে। এ ব্যাপারে ডেভান বলেন, 'হতে পারে আমার ভ্যাজাইনা ঈশ্বরের তৈরি নয়। মানুষের তৈরি। কিন্তু আজ আমি একজন পরিপূর্ণ নারী। আশা করি খুব শীঘ্রই মা হব। '

ডেভানের স্বামী বলেন, 'ডেভানের ভ্যাজাইনা একেবারে অন্যরকম। বোঝা যায় কৃত্রিম। তাতে কী? আমি ওকে খুব ভালোবাসি। '

সূত্র: এই সময়

লাভ-সেক্স এবং এক যুবতির গল্প

By Unknown →
রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে খোলাখুলি আলোচনায় ইন্দোনেশিয়াকে আমন্ত্রণ জানাল মিয়ানমার। রোহিঙ্গা নিধনের বিষয়ে মিয়ানমার সারা বিশ্বের রোষের মুখে পড়েছে। মানবাধিকার লঙ্ঘণের মতো গুরুতর অভিযোগও আনা হয়েছে এশিয়ার এই দেশটির বিরুদ্ধে।

 তবে তার মধ্যে একটুখানি প্রশান্তির বাতাস বুলিয়ে দিলো ইন্দোনেশিয়া। রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রথম থেকেই মিয়ানমারকে সমর্থন দিয়ে আসছে দেশটি। মিয়ানমারও ইন্দোনেশিয়ার এ সমর্থনকে স্বাগত জানিয়েছে।

এবার মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা ও পররাষ্টমন্ত্রী অং সান সুচির আমন্ত্রণে মঙ্গলবার ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মিয়ানমার সফর করছেন। ইন্দোনেশিয়ার সংবাদমাধ্যম জাকার্তা পোস্ট জানায়, রোহিঙ্গা ইস্যুতে যে জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে সে ব্যাপারে খোলামেলা আলোচনায় বসবেন দুই দেশের

পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এর আগে বেশ কয়েকবার মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুচি ইন্দোনেশিয়া সফরের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিশ্ব নেতাদের কাছে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে সফর বাতিল করতে বাধ্য হন তিনি।

চলতি বছরের ৯ অক্টোবর মিয়ানমারের সীমান্তে অবস্থিত একটি পুলিশ পোস্টে হামলা চালানো হয়। এ হামলার জন্য রোহিঙ্গাদের দায়ী করে দেশটির সেনাবাহিনী। এরপরই রোহিঙ্গাদের ওপর দমন-নিপীড়ন শুরু হয়।

 মিয়ানমারের লন্ডনভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা বার্মা হিউম্যান রাইটস নেটওয়ার্ক জানায়, ব্যাপকহারে রোহিঙ্গাদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেয়া হচ্ছে, তাদের ধর্ষণ, যৌন হয়রানি, নির্যাতন ও হত্যা করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত কমপক্ষে ৩০ হাজার রোহিঙ্গাকে নিজেদের আবাস থেকে বিতাড়ন করা হয়েছে। চলমান সংঘাতের কারণে ৭০ হাজারেরও বেশি নিরপরাধ রোহিঙ্গা খাবারের কষ্টে ভুগছে। কোনো ধরনের সহায়তাই পাচ্ছে না তারা।

সূত্র:

রোহিঙ্গা ইস্যুতে আলোচনায় বসছে মিয়ানমার-ইন্দোনেশিয়া

By Unknown →
স্পোর্টস ডেস্ক: আসন্ন নিউজিল্যান্ড সফরের জন্য ২২ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড-বিসিবি। তবে সেই দলে জায়গা হয়নি অলরাউন্ডার নাসির হোসেন, ওপেনার শাহরিয়ার নাফিস ও মেহেদী হাসান মারুফের।

বিপিএলের চলতি আসরে দারুণ খেলেছেন নাফিস ও মারুফ। এছাড়া নাসির হোসেনও ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিংয়ে ভালো করেছেন।

কিছুদিন আগে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনও জানিয়েছিলেন, বিপিএলে
 
যারা ভালো করবে তাদের মধ্য থেকে কেউ কেউ দলে জায়গা পাবেন।

কিন্তু ধারাবাহিকভাবে খারাপ করা ক্রিকেটাররা স্কোয়াডে সুযোগ পেলেও জায়গা হয়নি নাফিস বা মারুফের মতো ব্যাটসম্যানদের। স্কোয়াডে রয়েছেন এবারের আসরের ব্যর্থ আইকন ক্রিকেটার সৌম্য সরকার। রয়েছেন নুরুল হাসান সোহানও। এদিকে দীর্ঘদিন ইনজুরিতে থাকার পর আবারও দলে ফিরেছেন কাটার মাস্টার মুস্তাফিজুর রহমান।

২২ সদস্যের স্কোয়াড: মাশরাফি বিন মর্তুজা, তামিম ইকবাল, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহীম, ইমরুল কায়েস, মমিনুল হক, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, সৌম্য সরকার, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, নুরুল হাসান সোহান, মেহেদী হাসান মিরাজ, শুভাগত হোম, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাইজুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, সাব্বির রহমান, তাসকিন আহমেদ, শফিউল ইসলাম, শুভাশীষ রায়, রুবেল হোসেন, এবাদত হোসেন ও তানভির হায়দার।

সূত্র:mtnews24

আবারও টাইগার দল থেকে বাদ নাসির, রয়েছেন ব্যর্থ ক্রিকেটার সৌম্য-সোহান

By Unknown → সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৬
ডুবে যাওয়া সেই টাইটানিক জাহাজের নানা ঘটনা নিয়ে তৈরী হয়েছে সিনেমা। তাতে ফুটে উঠেছে করুণ কিছু দৃশ্য। সেই টাইটানিকের ডুবে যাওয়ার রহস্য এখনও কাটেনি। দেড় হাজার যাত্রী নিয়ে টাইটানিক এখনও ঘুমিয়ে রয়েছে অাটলান্টিক মহাসাগরের অতলে। একশো বছরের বেশি সময় কেটে গেছে। কিন্তু, এতটুকু কৌতূহল কমেনি সুবিশাল আড়ম্বরপূর্ণ যাত্রিবাহী ওই প্রমোদতরীকে নিয়ে। ইতিহাসের পাতা থেকে কখনও সিনেমার পর্দায়, কখনও স্মৃতিবিজড়িত জিনিসের নিলামে টাইটানিককে খুঁজে পাই আমরা। কিন্তু, যদি সত্যি আবার পানিতে ভাসে ১৯১২ সালের ১০ এপ্রিল ডুবে যাওয়া সেই টাইটানিক! অনেকটা দুধের সাধ ঘোলে মেটানোর মতো করে ফিরে আসছে টাইটানিক। আর এর পেছনে রয়েছে চীন।

টাইটানিকের আদলে একটি জাহাজ বানানো হচ্ছে চীনের সিচুয়ান প্রদেশে। নামও রাখা হয়েছে টাইটানিক। যদিও এই জাহাজ কোন যাত্রী বহন করবে না। পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে অভিনব এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন নয়া ওই টাইটানিক-এর নির্মাণকারী সংস্থা উচাং শিপবিল্ডিং ইন্ডাস্ট্রি গ্রুপের জেনালের ম্যানেজার ওয়াং ওয়েলিং।

আসল টাইটানিকের মতোই দেখতে হবে এই জাহাজ। ৮৮৩ ফুট লম্বা এবং ৯২ ফুট চওড়া এই জাহাজের ভিতরে থাকবে সুইমিং পুল, থিয়েটার, খেলার মাঠ, প্রথম শ্রেণির কেবিন। তবে আসল টাইটানিকে যা ছিল না, টেকনোলজির দৌলতে নকল জাহাজে থাকবে সেই ওয়াইফাইয়ের ব্যবস্থা।

ইতিমধ্যেই জাহাজ তৈরির কাজ শুরু হয়ে গেছে। আসল ডিজাইনের উপর ভিত্তি করেই তৈরি হচ্ছে নতুন এই জাহাজ। আমেরিকা এবং ব্রিটেন থেকে আনা হয়েছে দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার। গোটা প্রোজেক্টের খরচ হবে প্রায় ১৫ কোটি মার্কিন ডলার।

সূত্র:bd-pratidin

এবার টাইটানিক জাহাজ বানাচ্ছে চীন!

By Unknown →
নয়াদিল্লি: ইংল্যান্ডে ফুটবলারদের কোচের ও ক্লাবের কর্মকর্তাদের কাছে ধর্ষিত হওয়ার খবর এখন বিশ্বজুড়ে। ইতোমধ্যে প্রায় ৩৫০ জন ফুটবলার ধর্ষণের শিকার হওয়ার কথা জানিয়েছেন।

এসব আলোচনায় বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে যখন তোলপাড় চলছে, ঠিক সেই মুহূর্তে ক্রীড়াঙ্গণে ধর্ষণের নতুন খবর এসেছে।


অভিযোগ পাওয়া গেছে, ভারতের দিল্লিতে জাতীয় পর্যায়ের একজন শ্যুটার ধর্ষণের শিকার হয়েছেন।

ওই নারী শ্যুটারের দাবি, পানীয়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে খাওয়ানোর পর তাকে ধর্ষণ করেন কোচ।

অবশ্য ভারতে এর আগে নারী ফুটবলাররাও যৌন হেনেস্থার অভিযোগ যোগ তুলেছেন।

পুলিশের বরাত দিয়ে রোববার টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধর্ষণের শিকার ওই শ্যুটারের অভিযোগের ভিত্তিতে তার কোচ ও অলিম্পিকে অংশ নেয়া সাবেক শ্যুটারের বিরুদ্ধে চাণক্যপুরী থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।

নারী শ্যুটারের অভিযোগ, তিনি ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য ওই কোচের কাছে প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন। দুই বছর থেকে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ওই কোচ তাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন। সম্প্রতি তার জন্মদিনের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছিল। ওই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে কোচ তার চাণক্যপুরীর বাড়িতে গিয়েছিলেন। এ সময় কোচ তাকে পানীয় খেতে দেন। তা খেয়েই অচেতন হয়ে পড়েন তিনি। তখন কোচ তাকে ধর্ষণ করেন।

ওই নারী শ্যুটার আরো জানান, ঘটনার পর থেকেই ওই কোচ তার ফোন কল ধরা বন্ধ করে দেন।

পরে শ্যুটিং রেঞ্জে তিনি একদিন ওই কোচের সঙ্গে দেখা করলে কোচ বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন। এর প্রতিবাদ করলে কোচ তাকে শ্যুটিং রাইফেল দিয়ে গুলি করে হত্যা করে তা দুর্ঘটনা বলে চালানোর হুমকি দেন। এ ঘটনার পরই ওই নারী শ্যুটার পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন।

দিল্লি পুলিশের স্পেশাল কমিশনার এম কে মীনা বলেন, ওই নারী শুটারের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। তদন্ত চলছে।

পুলিশ জানায়, ধর্ষণের শিকার ওই শ্যুটারের পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। শনিবার অভিযুক্ত ওই কোচের সঙ্গে যোগাযোগ করে তদন্তে সহযোগিতা করার কথা বলা হয়েছে।

এনডিটিভি অনলাইনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ওই কোচকে বহিষ্কার করা হয়নি। এমনকি তাকে গ্রেফতারও করা হয়নি।

সূত্র:natunbarta

শ্যুটারকে কোচের ধর্ষণ

By Unknown → রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৬
স্পোর্টস ডেস্ক: ইনজুরি থেকে সেরে উঠে, ম্যাচ খেলার মত ফিট হয়ে উঠেছেন টাইগার দলে কাটার মাস্টার খ্যাত বোলার মুস্তাফিজুর রহমান। নিউজিল্যান্ড সফরে মাঠে নামতে ওয়ানডে সিরিজ খেলতে পারবেন মুস্তাফিজ। এমনটাই জানিয়েছেন বিসিবি চিকিৎসক

দেবাশীষ চৌধুরী।

গেলো জুলাইয়ে ইংলিশ কাউন্টি থেকে ইনজুরি নিয়ে ফেরা মুস্তাফিজ পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার অধীনে ছিলেন দীর্ঘদিন। এতদিন ছোট রান আপে কম গতিতে বোলিং করলেও, আজ লম্বা রান আপ ও পূর্ণ গতিতে বোলিং করেছেন তিনি।

বিসিবি একাডেমি গ্রাউন্ডে রোববার সকালে ৫ ওভার বোলিং করার পর, বিশ্রাম নিয়ে আরো ৪ ওভার বল করেছেন কাটার মাস্টার। বোলিং করার সময় ইনজুরি আক্রান্ত কাঁধে কোনো ব্যথা অনুভব করেননি তিনি।


সূত্র:mtnews24

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ খেলতে পারবেন মুস্তাফিজ: বিসিবি

By Unknown →
দেশে বাত রোগে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। মানবদেহে সাধারণত ৬৭২ ধরনের বাত রোগ হয়ে থাকে। মাসকিউলোসকেলেটাল আল্ট্রাসাউন্ড পদ্ধতির মাধ্যমে এসব রোগের অধিকাংশই অতিদ্রুত নির্ণয় করা সম্ভব। গতকাল সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) দুদিনব্যাপী দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক মাসকিউলোসকেলেটাল আল্ট্রাসাউন্ড কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষজ্ঞরা এসব কথা বলেন।

গুরুত্বপূর্ণ এ প্রশিক্ষণ কোর্সে ফিজিক্যাল মেডিসিন, অর্থোপেডিকস, রিউমাটোলজি, রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং ও নিউক্লিয়ার মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসকরা অংশ নিচ্ছেন।

অনুষ্ঠানে বিএসএমএমইউর উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান বলেন, বর্তমান প্রশাসন চিকিৎসা-সংশ্লিষ্ট টেকনোলজি ট্রান্সফারে অত্যন্ত আগ্রহী। এ ধরনের আন্তর্জাতিক কোর্স চিকিৎসাসেবার ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। আন্তর্জাতিক মাসকিউলোসকেলেটাল আল্ট্রাসাউন্ড কোর্স আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে রিউমাটোলজিক্যাল রোগ নির্ণয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা এই প্রশিক্ষণ কোর্সের মাধ্যমে অনেক কিছু জানতে ও শিখতে পারবেন।

অনুষ্ঠানে বিএসএমএমইউর রিউমাটোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মিনহাজ রহিম চৌধুরী, জার্মানির অধ্যাপক উলফগ্যাং স্মিথ, আয়াল্যান্ডের ডা. জুনাইদ করিম, নেদারল্যান্ডসের অধ্যাপক জর্জ এডব্লিউ ব্রুন ও স্পেনের অধ্যাপক মোলার প্যারেরা ইনগরিড বক্তব্য দেন।

বক্তারা জানান, মাসকিউলোসকেলেটাল আল্ট্রাসাউন্ড পদ্ধতিতে রিউমটয়েড আর্থাইটিস (গেটেবাত), অস্ট্রীয় আর্থাইটিস (হাড়বাত) ও গাউট বাতসহ অধিকাংশ রোগই পরীক্ষার মাধ্যমে দ্রুত ও নিখুঁতভাবে নির্ণয় করা সম্ভব। বর্তমান বিশ্বে রিউমাটোলজি-বিষয়ক বিভিন্ন জটিল ও কঠিন রোগগুলো চিহ্নিত করার অতি গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি এটি। ইউরোপে ১৯৯৮ সালে প্রথমে এ ধরনের প্রশিক্ষণ কোর্সের শুরু হয়। এ পদ্ধতির জনপ্রিয়তা দিন-দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো এ কোর্সটি গত বছর বিএসএমএমইউতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। বাংলাদেশের চিকিৎসকদের এ বিষয়ে দক্ষ করতে তুলতে বাংলাদেশ রিউমাটোলজি সোসাইটি ও বিএসএমএমইউর রিউমাটোলজি বিভাগ যৌথভাবে এ প্রশিক্ষণ কোর্সের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে বিএসএমএমইউর প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো, শারফুদ্দিন আহমেদ, প্রো-ভিসি (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. এএসএম জাকারিয়া (স্বপন), কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. আলী আসগর মোড়ল, বাংলাদেশ রিউমাটোলজি সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. এমএ জলিল চৌধুরীসহ প্রমুখ চিকিৎসক উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র:dainikamadershomoy

মানবদেহে ৬৭২ ধরনের বাত রোগ হয়

By Unknown →
মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা অং সান সু চি ও তার সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক। রোববার দেশটির রাজধানী কুয়ালালামপুরে রোহিঙ্গা মুসলিমদের প্রতি সংহতি সমাবেশে অংশ নিয়ে সু চির কঠোর সমালোচনা করেন তিনি।

এ সময় নাজিব রাজাক বলেন, ‌‘আমরা সু চিকে বলতে চাই যথেষ্ট হয়েছে। রাখাইন প্রদেশে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে দেশটির সেনাবাহিনীর বর্বর নির্যাতনের বিরুদ্ধে কুয়ালালামপুরে হাজার হাজার মানুষ প্রতিবাদ ও সংহতি সমাবেশ করেছে। সমাবেশে অংশ নিয়ে নাজিব রাজাক এ মন্তব্য করেন।

অন্য রাষ্ট্রে হস্তক্ষেপে আসিয়ানের নীতির কথা উল্লেখ করে নাজিব রাজাক বলেন, অভ্যন্তরীন ইস্যুতে অন্য রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের বিষয়ে সতর্ক করে মিয়ানমার সরকার যে বিবৃতি দিয়েছে তিনি তা পরোয়া করেন না।

‘তারা কি চায় আমি চোখ বন্ধ রাখি? তারা কি অামাকে নীরব হতে বলে?- প্রশ্ন করেন নাজিব রাজাক। আসিয়ানের মূলনীতিতে বলা আছে, প্রত্যেক দেশকে মানবাধিবার সমুন্নত রাখতে হবে। তারা কি অন্ধ? নিজের সুবিধা অনুযায়ী কোনো বিষয়ের ব্যাখ্যা করবেন না।

মালয়েশিয়ার এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনিফাহ আমানকে নাইপিদোতে পাঠিয়েছিলেন সু চির সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য। মন্ত্রীকে বলা হয়েছে, তিনি (সু চি) দ্বিপাক্ষিক বিষয়ে কথা বলতে আগ্রহী; কিন্তু রোহিঙ্গা ইস্যুতে নয়। শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের অর্থ কী? হাজার হাজার জনতার মাঝে প্রশ্ন করেন নাজিব।

রোহিঙ্গাদের প্রতি সংহতি জানাতে সমাবেশ আয়োজনে ইন্দোনেশিয়াকে আহ্বান জানাতে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। মালয়েশিয়ায় ৫৬ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী আশ্রয় নিয়েছে বলে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে।

সূত্র : চ্যানেল নিউজ এশিয়া।

‘যথেষ্ট হয়েছে’ : সু চিকে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী

By Unknown →
মদের জগতে 'করোনা বিয়ার' বেশ সুপরিচিত। সেই কোম্পানির মালিক ধনকুবের আন্তোনিও ফার্নান্দেজ মারা গিয়েছেন গত আগস্ট মাসে। শোনা যাচ্ছে, সেরজালেজ দেল কোনদাদো নামে স্পেনের উত্তরপূর্বের যে প্রত্যন্ত গ্রামটিতে আন্তোনিও জন্মগ্রহণ করেছিলেন, তার মৃত্যুর পরে সেই গ্রামের প্রত্যেক বাসিন্দা ২ মিলিয়ন পাউন্ড করে পেতে চলেছেন। টাকার অঙ্কে যার পরিমাণ দাড়ায় ১৭ কোটি টাকারও বেশি।

একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ৯৮ বছর বয়সে আন্তোনিও যখন মারা যান তখন তার মোট সম্পত্তির পরিমাণ দাঁড়িয়েছিল ১৬৯ মিলিয়ন পাউন্ড। আন্তোনিও নাকি তার উইলে জানিয়ে গিয়েছেন, তার জন্মস্থান যে গ্রামে, সেই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে এই সম্পত্তি সমান ভাগে ভাগ করে দিতে হবে। বর্তমানে সেরজালেজ নামের ছোট্ট গ্রামটিতে সর্বমোট ৮০ জনের বসবাস। সেই হিসেবে প্রত্যেক গ্রামবাসী গড়ে ২ মিলিয়ন পাউন্ড করে পেতে চলেছেন।

দানবীর হিসেবে আন্তোনিও-র সুনাম ছিল। ১৯৪৯ সালে ৩২ বছর বয়সে আন্তোনিও নিজের গ্রাম ছেড়ে মেক্সিকো পাড়ি দেন নিজের ভাগ্য গড়তে। মেক্সিকোতে গিয়ে বিখ্যাত মদের কারখানা গ্রুপো মদেলো ব্রিউয়ারিতে কাজ নেন। সাধারণ কর্মী হিসেবে কাজ শুরু করলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার পদোন্নতি হতে থাকে। ১৯৭১ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত আন্তোনিও গ্রুপো মদেলার সিইও হিসেবে কাজ করেন। করোনা সহ আরও বহু বিশ্বখ্যাত মদ এই ব্রিউয়ারিরই উৎপাদন।

নিজের জন্মভিটের কাছাকাছি লিওন নামের অঞ্চলে একটি কোম্পানিও প্রতিষ্ঠা করেছিলেন আন্তোনিও। সেখানে কাজের ব্যাপারে শারীরিক প্রতিবন্ধকতা সম্পন্ন মানুষরা বিশেষ অগ্রাধিকার পেয়ে থাকেন। আন্তোনিও নিজের জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে ধীরে ধীরে উন্নতি হতে থাকে সেরজালেজ গ্রামেরও।

গ্রামের একটি পানশালার মালিক ম্যাক্সিমিনো সানচেজ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘আমাদের গ্রাম আগে দারিদ্র্যের অন্ধকারে নিমজ্জিত থাকত। আন্তোনিও-র কৃপায় গ্রামের সর্বাঙ্গীন উন্নতি হতে থাকে। তার সুনামের প্রভাবে আমাদের গ্রামও পরিচিতি লাভ করেছে। ’

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে আন্তোনিওর উইলের খবর প্রকাশিত হওয়ার পরে স্বভাবতই উচ্ছ্বসিত হয়ে পড়েন গ্রামবাসীরা। কিন্তু খবরটির সত্যতা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে অনেকেরই মনে। আন্তোনিওর পরিবারের সূত্রে জানা যাচ্ছে, গ্রামবাসীদের মধ্যে নয়, নিজের সম্পত্তি নিজের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়ার কথা আন্তোনিও তার উইলে বলে গিয়েছেন। তবে সেরজালেজের মানুষ আশায় রয়েছেন, কপালজোরে মিলেও যেতে পারে ১৭ কোটি টাকার সম্পত্তি।

ধনকুবেরের মৃত্যু, তার গ্রামের প্রত্যেকে পাবেন ১৭ কোটি টাকা!

By Unknown →
আসন্ন নিউজিল্যান্ড সফরের আগেই টাইগার শিবিরে শোনা গেল আনন্দের খবর। পুরোপুরিভাবে ফিট হয়ে উঠেছেন ‘কাটার মাস্টার’ মুস্তাফিজুর রহমান। বিসিবির চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী রবিবার সংবাদমাধ্যমকে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আজ সকালে একাডেমি মাঠে ফুল রানআপে বোলিং করেন মুস্তাফিজুর রহমান। এ সময় পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্যে থাকা আরেক পেসার এবাদত হোসেনও তার সঙ্গে ফুল রান আপে বোলিং করেন। তাদের দু'জনের বোলিং দেখে ট্রেইনার মারিও বিল্লাভারায়ন সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।

পরে বিসিবির চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী বলেন, "সামর্থ্যের ৮০-৯০ ভাগ ইনটেনসিটি দিয়ে বোলিং করায় এ দুই বোলারকে ফিট ধরে নিচ্ছি আমি। কেননা কেবল ম্যাচ খেলতে গেলেই শতভাগ দিয়ে বোলিং করেন কোনো বোলার। "

উল্লেখ্য সাসেক্সের হয়ে ইংল্যান্ডে কাউন্টি লিগে খেলতে গিয়ে কাঁধের ইনজুরিতে পড়েন মুস্তাফিজ। গত ১১ আগস্ট লন্ডনের বুপা ক্রমওয়েল হাসপাতালে তার কাঁধে অস্ত্রোপচার করেন বিখ্যাত অর্থোপেডিক সার্জন অ্যান্ড্রু ওয়ালেস। এ জন্য ঘরের মাঠে আফগানিস্তান ও ইংল্যান্ড সিরিজে খেলতে পারেননি তিনি। ঘরোয়া ক্রিকেটে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ ও বিপিএল মিস করেন এ পেসার।

সূত্র:bd-pratidin

মাঠে নামতে প্রস্তুত ‘কাটার মাস্টার’ মুস্তাফিজ

By Unknown →
মাদক বিরোধী অভিযান চলাকালে হামলা চালিয়ে সীতাকুণ্ড থানার এএসআই মিজানুর রহমান, এএসআই মোহিনসহ তিন পুলিশের হাত পা ভেঙে দিয়েছে ছাত্রলীগ। মারাত্মক আহত এএসআই মিজানকে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

শনিবার রাতে সীতাকুণ্ডের পৌরসভার চৌধুরী পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশের অভিযোগ পুলিশের ওপর হামলার নেতৃত্ব দিয়েছেন স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ী শাওন। তিনি সীতাকুণ্ড ডিগ্রী কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক।

সীতাকুণ্ড থানার ওসি ইফতেখার হাসান জানান, মাদক বিরোধী অভিযান চলাকালে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়েছে মাদক ব্যবসায়ীরা। হামলায় তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে মিজানকে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে।

স্থানীয় ও পুলিশ সুত্রে জানা যায়, ছাত্রলীগ নেতা শাওনের নেতৃত্বে পৌরসভার চৌধুরী পাড়া এলাকায় গড়ে ওঠে মাদকের হাট। ওখানে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মাদক সেবীরা গিয়ে ইয়াবা, ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন ধরণের মাদক কিনত। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শনিবার রাতে ওই এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযান চলাকালে মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশের ওপর হামলা চালায়।

সূত্র:bd-pratidin

তিন পুলিশের হাত-পা ভেঙে দিয়েছে ছাত্রলীগ

By Unknown →
শীত মৌসুমে ফল জলপাই। তাই এ সময়ে এর আচার বানানোর ধুম পড়ে যায়। জেনে নিন জলপাইয়ের আচারের কিছু রেসিপি।

জলপাইয়ের টক-ঝাল আচার:

উপকরণ: জলপাই ৫০০ গ্রাম, সরিষার তেল পরিমাণমতো, লবণ স্বাদ অনুযায়ী, লাল গুঁড়া মরিচ ২ টেবিল চামচ, পাঁচফোড়ন ১ টেবিল চামচ, শুকনা লাল মরিচ ২-৪টি আস্ত, হলুদ গুঁড়া সামান্য এবং বিট লবণ ১ চা চামচ। ধনিয়া ও শুকনা মরিচ টেলে নিয়ে গুঁড়া করতে হবে ৩ টেবিল চামচ।

প্রস্তুত প্রণালি:

 প্রথমে জলপাইয়ের বোঁটা ফেলে ভালো করে ধুয়ে নিয়ে কেঁচে সামান্য লবণ ও হলুদ মাখিয়ে ২ দিন রোদে দিন। তারপর সরিষার তেল, শুকনা মরিচসহ গরম করে পরে সেটি ঠাণ্ডা করে হলে একে তাতে জলপাইসহ অন্য সব মসলা ও লবণ দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে বয়ামে ভরে প্রায় প্রতিদিনই রোদে রাখতে হবে। এতে আচার ভালো থাকে। তৈরি হয়ে গেল জলপাইয়ের টক-ঝাল আচার। এই আচার ভালো করে রোদে দিলে প্রায় ১ বছর খাওয়া যেতে পারে।

জলপাইয়ের ঝাল চাটনি:

উপকরণ: জলপাই ২৫০ গ্রাম, ধনেপাতা আধা কাপ, কাঁচামরিচ ৫-৬টি, পুদিনা পাতা ১ চা চামচ, রসুন ২-৩ টুকরা, লাল মরিচ ২-৩টি, সরিষার তেল আধা চা চামচ এবং লবণ স্বাদ অনুযায়ী।

প্রস্তুত প্রণালি:

 প্রথমে জলপাই ভালো করে ধুয়ে নিন। এরপর হলুদ ও লবণ মাখিয়ে প্রায় ২ দিন রোদে দিন। জলপাইয়ের বিচি ফেলে এর সঙ্গে সব উপকরণ একসঙ্গে শুকনা শুকনা করে পাটায় বেটে নিন। তারপর এতে সরিষার তেল মাখিয়ে পরিবেশন করুন। এটি ফ্রিজে রেখে খাবেন।

জলপাইয়ের টক ঝাল মিষ্টি আচার:

উপকরণ:

 জলপাই ৫০০ গ্রাম, চিনি পরিমাণমতো, লাল গুঁড়া মরিচ ২ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদ অনুযায়ী, সরিষার তেল পরিমাণমতো, পাঁচফোড়ন ১ চা চামচ, লাল মরিচ টেলে গুঁড়া করা ১ টেবিল চামচ এবং পানি পরিমাণমতো, সিরকা (সাদা) আধা কাপ।

প্রস্তুত প্রণালি :

 প্রথমে জলপাই অল্প কেচে নিয়ে লবণ ও পানিসহ সেদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে রাখতে হবে। তারপর একটি কড়াইতে তেল গরম করে তাতে পাঁচফোড়ন দিয়ে একে একে সিরকা, লবণ ও গুঁড়া মসলা দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিয়ে জলপাই দিয়ে আরও কিছুক্ষণ নেড়ে চিনি ও পরিমাণমতো পানি দিয়ে আবার চুলায় ২০ মিনিট রেখে রান্না করে ঠাণ্ডা হলে বয়ামে ভরে ফ্রিজে রাখতে হবে। ফ্রিজে রাখলে এ আচার ভালো থাকে।

জলপাইয়ের মিষ্টি আচার:

উপকরণ:

 জলপাই ৫০০ গ্রাম, গুড় পরিমাণমতো, পাঁচফোড়ন আধা চা চামচ এবং পানি পরিমাণমতো, সরিষার তেল ১ চা চামচ।

প্রস্তুত প্রণালি:

 জলপাই ভালো করে ধুয়ে রাখুন। পরিমাণমতো জলপাই সেদ্ধ করে পানি ফেলে দিন। একটি ফ্রাই প্যানে তেল গরম করে তাতে পাঁচ ফোড়ন দিন। এরপর এতে গুড় ও সামান্য পানি দিয়ে নাড়তে থাকুন। মিশ্রণ ঘন হলে এতে সেদ্ধ করা জলপাই দিয়ে নাড়তে থাকুন। আচার বেশ ঘন হয়ে এলে সেটি নামিয়ে বয়ামে ভরে ফ্রিজে রেখে সংরক্ষণ করুন।

জলপাইয়ের বল আচার:

উপকরণ:

 জলপাই ৫০০ গ্রাম, সরিষার তেল পরিমাণমতো, লবণ স্বাদ অনুযায়ী, শুকনা মরিচ ৪-৫টি, লাল গুঁড়া মরিচ ১ টেবিল চামচ, পাঁচফোড়ন ১ চা চামচ, ধনেপাতা ৫০ গ্রাম ও মরিচ ৮-১০টি, মরিচ ও ধনে গুঁড়া ১ টেবিল চামচ।

প্রস্তুত প্রণালি:

 প্রথমে জলপাই অল্প লবণ দিয়ে পানিসহ সেদ্ধ করে তা পানি ঝরিয়ে গরম অবস্থায় হাত দিয়ে চটকিয়ে বিচিগুলো ফেলে দিয়ে তা ব্লেন্ডারে কাঁচামরিচ, ধনেপাতা, লবণ ও গুঁড়া মসলাসহ ব্লেন্ড করে নিতে হবে।

 প্রয়োজন হলে সামান্য পানি দেওয়া যেতে পারে বা সাদা সিরকাও দেওয়া যেতে পারে। ব্লেন্ড করা হয়ে গেলে ওই মিশ্রণটি একটি বড় চালনি বিছিয়ে ওপরে অল্প সরিষার তেল মাখিয়ে ২-৩ বার রোদে দিতে হবে।

 তারপর সেটি হাতে নিয়ে গোল গোল বলের আকার করে সরিষার তেলে দিয়ে তাতে আস্ত শুকনা লাল মরিচ ও পাঁচফোড়ন দিয়ে বয়ামে ভরে রোদে রাখতে হবে। জলপাই আচার প্রায় প্রতিদিন রোদে রেখে যত্ন নিন। এতে প্রায় ১ বছর আচার সংরক্ষণ করা যেতে পারে।

সূত্র:ittefaq

জলপাইয়ের আচার

By Unknown → শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৬
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: টানা কয়েক সপ্তাহ ধরে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলিমদের বিরুদ্ধে দেশটির সেনাবাহিনীর চলমান রক্তাক্ত অভিযানের কঠোর সমালোচনা শুরু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, মালয়েশিয়া, তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়াসহ বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশ মিয়ানমারে চলমান রোহিঙ্গাবিরোধী অভিযান বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে।

রোহিঙ্গাদের নিধনে সেনা অভিযানের কারণে দেশটিতে জঙ্গিবাদ ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

রাখাইন প্রদেশে কয়েক প্রজন্ম ধরে বসবাস করে আসা রোহিঙ্গা মুসলিমদের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর কঠোর অভিযানের কারণে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া। শনিবার মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাখাইনে সেনাবাহিনীর অভিযানকে ‘রোহিঙ্গা নির্মূল’ বলে সতর্ক করে দিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, রোহিঙ্গা নিধনে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর এ অভিযান দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হয়ে উঠেছে।

রোহিঙ্গা মুসলিমদের বিরুদ্ধে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অভিযানের বিরুদ্ধে রোববার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের নেতৃত্বে কুয়ালালামপুরে সংহতি মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশের ডাক দেয়া হয়েছে।

সমাবেশের আগে শনিবার মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনিফাহ আমান এক বিবৃতিতে সু চি নেতৃত্বাধীন মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে রাখাইন প্রদেশের ১২ লাখ রোহিঙ্গা মুসলিমের বিরুদ্ধে দেশটির সেনাবাহিনীর অভিযান শিগগিরই বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন আমান।

তিনি বলেছেন, ‌‘রোহিঙ্গা নির্মূল

অভিযান বন্ধ করুন। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তার জন্য শিগগিরই এটি বন্ধ করতে হবে’।

এদিকে মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়নের ঘটনায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, সেখানে মানুষ কষ্টে আছে।

সেনাবাহিনীর কঠোর অভিযানের মুখে রাখাইন রোহিঙ্গারা মানবিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন বলে উল্লেখ করেছেন মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী। উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, আঞ্চলিক প্রতিবেশী হওয়ায় মিয়ানমারের পরিস্থিতি মালয়েশিয়ার নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর প্রভাব ফেলছে।

রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়াতে মালয়েশিয়ার প্রতিবাদ সমাবেশের বিষয়ে তিনি বলেন, ‌‘এটি মালয়েশিয়ার অবস্থান; এটি কোনো ধর্মীয় ইস্যু নয়, তবে এক ধরনের তাৎক্ষণিক মানবিক উদ্বেগ।’

অন্যদিকে রাখাইনে মিয়ানমার সরকারের রোহিঙ্গা নিধন অভিযানের কারণে ইন্দোনেশিয়ায় প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেদেশে মিয়ানমার দূতাবাসের সামনে হাজার হাজার মানুষ প্রতিবাদ করেছে।

গতকাল শুক্রবার ইন্দোনেশিয়া সফরে যাওয়ার কথা থাকলেও তীব্র প্রতিবাদের মুখে তা বাতিল করতে বাধ্য হয়েছেন মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) প্রধান ও স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চি।

প্রসঙ্গ, গত ৯ অক্টোবর বাংলাদেশ সংলগ্ন মিয়ানমারের তিনটি চেকপোস্টে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হামলায় পুলিশ সদস্যসহ ৯ জনের প্রাণহানির পর থেকে রাখাইনে অপারেশন ক্লিয়ারেন্স নামে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে দেশটির সেনাবাহিনী।

সেনা অভিযানের মুখে অন্তত ৩০ হাজার রোহিঙ্গা ঘর-বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে। এদের মধ্যে কয়েক হাজার রোহিঙ্গা এখন বাংলাদেশ সীমান্তে আশ্রয় নিয়েছে।

মিয়ানমারে কয়েক প্রজন্ম ধরে বসবাস করে এলেও দেশটির সংখ্যাগরিষ্ঠ বৌদ্ধরা রোহিঙ্গাদের অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী হিসেবে মনে করে। রাখাইন প্রদেশে নিরাপত্তা বাহিনীর চৌকিতে হামলার ঘটনাকে দীর্ঘদিনের নিপীড়নের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গাদের একটি ছোট অংশের পাল্টা প্রতিরোধ হিসেবে দেখছেন অনেকেই।

শনিবার মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড্যানিয়েল রাসেল মিয়ানমার সেনাবাহিনীর কঠোর অভিযানের সমালোচনা করে বলেছেন, মিয়ানমারে ছড়িয়ে পড়া সহিংসতা চরমপন্থী জঙ্গিদের উসকে দিতে পারে।

ড্যানিয়েল রাসেল বার্তাসংস্থা এপিকে বলেন, পরিস্থিতি ভুলভাবে পরিচালিত হলে রাখাইন জিহাহিদের দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে; যা ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ও অন্যান্য প্রতিবেশী দেশে ছড়িয়ে পড়েছে।

এর আগে রোহিঙ্গাদের দুর্দশার বর্ণনা দিতে গিয়ে জাতিসংঘ বলেছে, বিশ্বের সবচেয়ে বন্ধুবিহীন জাতি হচ্ছে মিয়ানমারের রোহিঙ্গারা। ২০১২ সালের দেশটিতে অভ্যন্তরীণ সাম্প্রদায়িক সহিংসতা মুসলিম চরমপন্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। ওই সময় বৌদ্ধ ও রোহিঙ্গাদের সংঘর্ষে শতাধিক মানুষের প্রাণহানি ও এক লাখেরও বেশি মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়ে।

৯ অক্টোবরের পর থেকে সেনাবাহিনীর অভিযানে এখন পর্যন্ত ৪ শতাধিক মুসলিমকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেছে রোহিঙ্গাদের একটি গ্রুপ। তবে মিয়ানমার সরকার বলছে, অভিযানে ১৭ সেনা সদস্যসহ ৮৬ জন নিহত হয়েছে।


সূত্র:mtnews24

মিয়ানমারের বিরুদ্ধে সরব হচ্ছে দক্ষিণ-পূর্বে এশিয়া, দেশটির মুসলমানদের মুক্তি মেলবে কি?

By Unknown →
পরীক্ষায় ফেল করার আশঙ্কায় আত্মহত্যার চেষ্টা করল তিন বোন। হাসপাতালে মৃত্যু হয় এক জনের। বাকি দু জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ক্লাস সিক্স-সেভেনের তিন ছাত্রীর এই বিষ খাওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদলে।

মহিষাদলের তেতুলবেড়িয়া হাইস্কুলে
 
হাফ ইয়ারলি পরীক্ষা শুরু হয়েছে। পরীক্ষা ছিল মহিষাদলের হীরারামপুর গ্রামের কাশমিরা খাতুন, রুবিনা খাতুন ও তঞ্জিল খাতুনের। কিন্তু তারা পরীক্ষা দিতে যায়নি। বিষ খেয়ে হাসপাতালে ভর্তি। হাসপাতালেই মারা যায় কাশমিরা। বাকি দুজন লড়াই করছে মৃত্যুর সঙ্গে।

গত বছর পরীক্ষা খারাপ হয়েছিল। এবারও যদি তেমন হয়? এই আশঙ্কায় কীটনাশক খায় তিনজন। সব জেড়তুতো-খুড়তোতো বোন। সবসময় একসঙ্গেই কাটাতো। তাই একসঙ্গে মরতেও চেয়েছিল। হলদিয়া হাসপাতালে ভর্তি বাকি দুজনের অবস্থাও সঙ্কটজনক। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিস।-

জিনিউজ

পরীক্ষায় ফেল করার আশঙ্কায় আত্মহত্যার চেষ্টা তিন বোনের

By Unknown →
দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের নিরাপদ ভ্রমণের জন্য আলাদা নতুন উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনা বিলাসিতা বলে তা নাকচ করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর জন্য নতুন এয়ারক্রাফ্ট কেনার বিলাসিতার সময় আমাদের এখনো হয়নি। গরিবের ঘোড়ারোগ না হওয়াই ভালো। ঘোড়া লালন-পালনে যথেষ্ট খরচ। এর প্রয়োজন নেই। আমি চাইও না।’

হাঙ্গেরি সফর থেকে ফেরার পর গতকাল বিকালে গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে নতুন উড়োজাহাজ কেনাসংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যে বিমানে সাধারণ মানুষ চড়েন, সে বিমানেই চড়ব। আমি সাধারণ মানুষের জন্য রাজনীতি করি। তারা যেভাবে যাতায়াত করেন, আমি তাদের মতোই চলব।’

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মঞ্চে ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, পানিসম্পদমন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী।

 প্রধানমন্ত্রী সংবাদ সম্মেলনে তার হাঙ্গেরি ও মরক্কো সফরের নানা দিক তুলে ধরেন। প্রাসঙ্গিকভাবেই হাঙ্গেরি সফরের সময় তাকে বহনকারী বিমানের যান্ত্রিক গোলযোগের বিষয়টিও উঠে আসে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন ছিল— বিমানে যে ঘটনা ঘটেছে, তা নিছকই দুর্ঘটনা, নাকি অন্য কিছু?

প্রধানমন্ত্রী একটি কবিতার দুটি চরণ উদ্ধৃত করে তার জবাব শুরু করেন। তিনি উদ্ধৃত করেন, ‘জীবনমৃত্যু পায়ের ভৃত্য, বুঝেছে দুর্বৃত্ত’। এরপর বলেন, ‘এটা একটা যান্ত্রিক দুর্যোগ ছিল। দুর্ঘটনা ঘটেনি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। সহি-সালামতে বেঁচে আছি, আপনাদের সামনে আছি। এটাই গুরুত্বপূর্ণ। দেশবাসীর কাছে দোয়া চাই।

’ তিনি বলেন, অ্যাক্সিডেন্ট তো হয়ই। ব্রাজিলে ফুটবল প্লেয়ারসহ প্লেন ক্র্যাশ করল। অ্যাক্সিডেন্ট, এজন্যই অ্যাক্সিডেন্ট। এতে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। তবে অ?্যাক্সিডেন্ট যান্ত্রিক ত্রুটির জন্যও হতে পারে, আবার মনুষ্যসৃষ্টও হতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘যে দেশে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করা হয়, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয় না, বরং তাদের মন্ত্রী করা হয়, সেখানে আর কী বলব। আমার বাবা-মাকে সপরিবারে নৃশংসভাবে হত্যা করার পর ঝুঁকি নিয়েই মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আমি এসেছি। ঝুঁকির মধ্যে আছি, চলতে থাকব।’

খালেদার প্রস্তাব রাষ্ট্রপতি দেখবেন : নির্বাচন কমিশন (ইসি) নিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্রস্তাবসংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘উনার প্রস্তাব উনি দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতিকে বলুক, তিনিই (রাষ্ট্রপতি) ব্যবস্থা নেবেন।

এই নির্বাচন কমিশন আমরা সরকার থেকে করিনি। সার্চ কমিটি করেই করা হয়েছে। তখন তাদের যা দাবি ছিল, তা মেনে সেভাবেই করা হয়েছিল। সে প্রক্রিয়াই অনুসরণ করা হচ্ছে।’ তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন আছে, নির্বাচনও হচ্ছে। তারা (বিএনপি) আজ নির্বাচনে যাবে, কাল যাবে না। নির্বাচনে যখন জয়ী হয়েছে, তখন ভালো, আর হারলেই ভালো না।

 বিগত পাঁচ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জয়লাভের পর নির্বাচন কমিশন নিয়ে বিএনপি কোনো প্রশ্ন তোলেনি। অথচ জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেয়নি। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, বিএনপি যখন ক্ষমতায় থেকে নির্বাচন কমিশন গঠন করেছিল তা কি স্মরণ আছে? তার (খালেদা জিয়া) নির্দেশে দেশব্যাপী মানুষ পুড়িয়ে হত্যা, বাসে আগুন দেওয়া হয়েছে।

এখন তিনি প্রস্তাব দিচ্ছেন। আগে মানুষ হত্যার জবাব দিন, পরে প্রস্তাব নিয়ে কথা হবে। হাসতে হাসতে বিএনপি নেত্রীকে উদ্দেশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু সাজুগুজু করে বসে থাকলে চলবে না। কোনো রাজনৈতিক নেতার যদি সিদ্ধান্ত দেওয়ার হিম্মত না থাকে, তাহলে আর কী করার আছে? তিনি বলেন, ‘তিনি (খালেদা জিয়া) নতুন করে কী প্রস্তাব দিয়েছেন, আমি জানি না।

 আপনারা মাথা বা লেজের কোনো হদিস পেয়েছেন কিনা? আপনারা সাংবাদিকরা সেখানে প্রশ্ন করে ব্যাখ্যা চাওয়ারও সুযোগ পাননি। এটাই বাস্তবতা।’ স্বাধীনতার পর এ পর্যন্ত যারা সংসদে প্রতিনিধিত্ব করেছে, সেসব দলের সঙ্গে আলোচনার ব্যাপারে খালেদা জিয়ার প্রস্তাব নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তিনি (খালেদা জিয়া) একেবারে সেই ’৭২-এর পর থেকে যত পার্টি আছে, তার মানে ফ্রিডম পার্টি থেকে শুরু করে জামায়াতকে নিয়ে কথা বলতে চান। তার মনের ভাব বোঝা গেল, তিনি কী চাচ্ছেন।

কর্নেল রশিদ, হুদাকে ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ভোট করে তিনি সংসদে বসিয়েছিলেন। আর স্বাধীনতাবিরোধী আলবদর বাহিনীর প্রধানদের মন্ত্রী বানিয়ে লাখো শহীদের পতাকা তুলে দিয়েছিলেন। তার প্রস্তাব নিয়ে এত তোলপাড় করার কী আছে, আমি বুঝি না।’ শেখ হাসিনা বলেন, ‘এ ধরনের অভদ্র যারা, তারা কী প্রস্তাব দিল, না দিল, ওটা নিয়ে আমার মতামত চান কেন? এ ধরনের ছোটলোকি যারা করে তাদের মতামত নিয়ে কোনো মতামত দেওয়ার আমার কোনো অভিপ্রায় নেই।’

মধ্যবর্তী নয়, পার হয়ে এসেছি : এক সাংবাদিকের প্রশ্ন ছিল, বিভিন্ন টক-শোয় অনেকেই মধ্যবর্তী নির্বাচনের সম্ভাবনা দেখতে পান। আপনি পান কিনা? জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখন আর মধ্য নেই। মধ্য পার হয়ে গেছে। আমরা তিন বছর পার করছি। মধ্যবর্তী যদি বলেও থাকেন, তা পরবর্তী নির্বাচন বিষয়ে বলেছেন। তবে স্বপ্ন দেখা ভালো।’

মিয়ানমারের কোনো সন্ত্রাসীকে ঠাঁই দেওয়া হবে না : মিয়ানমারে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে এসে বাংলাদেশে কেউ ঠাঁই পাবে না বলে সতর্ক করে দেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, প্রথমে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ক্যাম্পে হামলা হলো।

 তাদের ৯ বিজিপি সদস্যকে হত্যা করা হলো। সেখানে ১০০ আর্মি গেল, তাদের ওপরও হামলা হলো। এখান থেকেই ঘটনার সূত্রপাত। দোষ দিতে হলে যারা প্রথমে সূত্রপাতটা করেছিল, তাদের ব্যাপারে আরও চিন্তা-ভাবনা করা উচিত। তারা কোথায় আছে, তাদের ধরিয়ে দেওয়া উচিত। তাদের কারণেই হাজার হাজার নারী-পুরুষ কষ্ট পাচ্ছে। এটাই দুঃখজনক।

 এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে বাংলাদেশে এসে কেউ আশ্রয় পাবে না। মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়নের ঘটনায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে তিনি বলেন, সেখানে তো মানুষ কষ্টে আছে। এ ধরনের ঘটনা কাদের জন্য হচ্ছে এবং কারা করছে এ ব্যাপারে বিশ্ব নেতৃবৃন্দের আরও একটু সোচ্চার হওয়া উচিত ছিল।

 তিনি বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যথাযথ ব্যবস্থা নিয়েছে। সীমান্তরক্ষী বাহিনী সজাগ রয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রদূতকে ডেকে এ ব্যাপারে কথা বলা হয়েছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে মানুষ যখন একেবারে অসহায় হয়ে পড়ে, তখন তাদের আর আশ্রয় না দিয়ে উপায় থাকে না। এটাই বাস্তবতা।

তিস্তা চুক্তির ব্যাপারে আশাবাদ : আসন্ন ভারত সফরে তিস্তা চুক্তি সইয়ের সম্ভাবনা আছে কিনা— এ প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘কোনো শর্ত নিয়ে ভারত যাচ্ছি না। ভারত আমাদের বন্ধুপ্রতিম প্রতিবেশী দেশ।

 দেশটি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে যে সহযোগিতা করেছে, তা কারও ভুলে যাওয়া উচিত নয়। আমরা ক্ষমতায় এসে ভারতের সঙ্গে গঙ্গার দীর্ঘমেয়াদি ঐতিহাসিক পানিবণ্টন চুক্তি করেছি। এখন তিস্তা চুক্তি নিয়েও আলোচনা চলছে। এ ব্যাপারে আমরা আশাবাদী।

কেবল তিস্তা নয়, অভিন্ন ৫৪টি নদীর পানিবণ্টন নিয়েও আলোচনা চলছে।’ জাতীয় সংসদ ভবনের মূল নকশা আনাসংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবন স্থপতি লুই আই কানের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি সৃষ্টি। অনেকে এ সম্পর্কে জানতে চান। তাই আমরা উদ্যোগ নিয়ে মূল নকশার চারটি কপি এনেছি।

 একে আর্কাইভে দেব, প্রদর্শনের ব্যবস্থা করব।’ তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে স্পিকারের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। আপাতত এটি প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হবে এবং এর সঙ্গে আনুষঙ্গিক যা দরকার আমরা তা করব।’

ভারতে বাংলাদেশের চ্যানেল দেখাতে সে দেশের কর্তৃপক্ষকে অনেক টাকা দিতে হয়, কিন্তু ভারতের চ্যানেল অনায়াসে বাংলাদেশে দেখা যায়— এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি ক্যাবল অপারেটররা করেন।

প্রতিবন্ধীদের জন্য কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ : গতকাল সকালে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ২৫তম আন্তর্জাতিক ও ১৮তম জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সরকার সব প্রতিবন্ধী, অটিস্টিক ও বৃদ্ধদের রাষ্ট্রীয় সুরক্ষাব্যবস্থার আওতায় আনতে

জীবনচক্রভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে; যাতে তারা আর দশটা স্বাভাবিক শিশুর সঙ্গে মিশে শিক্ষা লাভ করে সমাজের মূলধারায় সম্পৃক্ত হতে পারে। তিনি বলেন, ‘রাস্তা, ফুটপাথ এবং নতুন অবকাঠামো যেখানেই হচ্ছে, সেখানে প্রতিবন্ধীদের সহজে চলাচলের জন্য পৃথক লেন এমনকি টয়লেট তৈরিরও নির্দেশ দেওয়া আছে এবং সেভাবেই আমরা করে যাচ্ছি।

 এ ক্ষেত্রে আমি প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের জন্য পথ প্রশস্ত করতে করপোরেট সেক্টর, বিত্তবানসহ সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।’

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুজ্জামান আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব জিল্লার রহমান বক্তৃতা করেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৩ ক্যাটাগরিতে ৯ ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার মাঝে ক্রেস্ট ও সনদপত্র বিতরণ করেন।

 অনুষ্ঠানস্থল থেকে প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হকের সঙ্গে কথা বলে মিরপুর ১৪ নম্বর সেকশনে প্রতিবন্ধীদের অংশগ্রহণে আট দিনব্যাপী ‘প্রতিবন্ধী উত্তরণ মেলা’ উদ্বোধন করেন।

সূত্র:bd-pratidin

আলাদা বিমানের প্রস্তাব নাকচ

By Unknown →
জাতিসংঘের মতে, বিশ্বের অন্যতম নিপীড়িত এক জনগোষ্ঠী মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যের মুসলিম রোহিঙ্গা। দেশটির সেনাবাহিনীর হাতে নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে দেশ ছাড়ছেন তারা।

দিনের পর দিন খেয়ে না খেয়ে খোলা আকাশের নিচে থাকতে হচ্ছে তাদের। হন্যে হয়ে এদিক-সেদিক ঘুরছেন একটু আশ্রয়ের আশায়। ঢুকে পড়ছেন পার্শ্ববর্তী দেশ বাংলাদেশেও।

নির্যাতিত এই জাতিগোষ্ঠীর খবর জানাতে মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী এলাকা দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল আছেন জাগো নিউজের নিজস্ব প্রতিবেদক শাহেদ শফিক। তার ধারাবাহিক প্রতিবেদনের আজ থাকছে সপ্তম পর্ব।

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনীর নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গায় ভরে গেছে সীমান্তবর্তী এলাকা। তাদের জন্য নির্ধারিত ক্যাম্পগুলোতে তিল ধারণের ঠাঁই নেই। কোথাও আশ্রয় না পেয়ে খোলা আকাশের নিচে থাকছেন অনেকেই।

তবে টেকনাফ ও উখিয়ার আশপাশের পাহাড়ের গাছপালা কেটে বন বিভাগের বাগানে নতুন ঘর তৈরি করে আশ্রয় নিচ্ছেন রোহিঙ্গারা। তবে মানবিক কারণে বন বিভাগ তাদের বাধা না দিলেও এর সুযোগ নিচ্ছেন স্থানীয় প্রভাবশালী কয়েকটি চক্র।

 তারা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার নামে ভাড়া দেয়ার জন্য পাহাড়ের বিভিন্ন অংশ কেটে ছোট ছোট অস্থায়ী ঘর তৈরি করছেন।

গত কয়েকদিনে সীমান্তবর্তী এলাকা টেকনাফ, উখিয়া, রামু ও কক্সবাজারসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

টেকনাফের অস্থায়ী লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অদূরের একটি পাহাড়ের পাদদেশের বিশাল অংশ কেটে অস্থায়ী ঘর তৈরি করছেন কয়েকজন শ্রমিক। জানতে চাইলে তারা জানান, স্থানীয় এক নেতা রোহিঙ্গাদের রাখতে ঘরগুলো তৈরি করছেন।

 এর বাহিরে তারা কিছু জানেন না। শ্রমিক হিসেবে দৈনিক ২০০ টাকা মজুরিতে তারা এখানে কাজ করছেন।

ওই ক্যাম্প থেকে টেকনাফ-উখিয়া প্রধান সড়কের দিকে আসতে পুরোনো দুটি পাহাড়ের নিচে আরো নতুন দুটি ঘর তৈরি করতে দেখা গেছে। জানতে চাইলে দাঁড়িয়ে থাকা মালিক কথা বলতে রাজি হননি।
কর্মরত একজন মিস্ত্রি জানান, মিয়ানমার থেকে নির্যাতনের শিকার হয়ে আশা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিতেই ঘরগুলো তৈরি করা হচ্ছে। প্রতিটি রুম মাসে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা করে ভাড়া দেয়া হবে।

এছাড়া টেকনাফের বিভিন্ন পাহাড়ের মধ্যেও শতশত অস্থায়ী ঘর তৈরি হচ্ছে বলে রোহিঙ্গাদের একটি সূত্র জানিয়েছে। তারা বলছেন, এখন যারা পালিয়ে আসছে তাদের সহায়-সম্বল বলে কিছুই নেই। এসব ঘর ভাড়া নিতে বাধ্য করা হয়।

 ঘরগুলোতে না উঠলে পুলিশ কিংবা বিজিবিকে ধরিয়ে দেয়ার হুমকি দেয়া হয়। এভাবে প্রভাবশালীদের তৈরি করা অস্থায়ী ঘরগুলো ভাড়া নিতে বাধ্য করা হয় রোহিঙ্গাদের।

গত বৃহস্পতিবার রাতে পালিয়ে আসা এক দল রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছেন উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পামেল নামে একটি পাহাড়ের নিচে। সেখানে নতুন করে কয়েকটি ঘর তৈরি করা হয়েছে।

মোরিয়ম বেগম নামে এক রোহিঙ্গা জাগো নিউজকে বলেন, মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও স্থানীয় মগ দস্যুদের হামলায় সর্বস্ব হারিয়ে তারা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছেন। সীমান্ত এলাকা পার হওয়ার জন্য অন্তত ২০দিন মিয়ানমার সীমান্তের কুমিরখালীর গহীন পাহাড়ে লুকিয়ে ছিলেন।

 সেখান থেকে রাতে শরীফ নামে একজন দালালের মাধ্যমে বিজিবির চোখ ফাঁকি দিয়ে টেকনাফে এসেছেন। তবে শরীফের বিষয়ে বিস্তারিত জানেন না তিনি। শরীফ নিজেই তাদেরকে এখানে থাকতে বাধ্য করছেন।

মোরিয়ম বেগম আরো বলেন, শুধু রুম ভাড়া নয়। এসব ঘরে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে বিভিন্ন স্থানে দৈনিক কাজের জন্য বিক্রি করে দেয়া হচ্ছে। তাদেরকে বিক্রি করা হয় ২৫০ থেকে ৫০০ টাকায়। কিন্তু রোহিঙ্গারা পান দৈনিক ১৫০-২৫০ টাকা।

 সরদার হিসেবে বাকি টাকা নিয়ে নেন স্থানীয় আশ্রয়দাতা। শুধু বর্তমানে এমনটি হচ্ছে তা নয় অতীতেও এমন অনেক ঘটনা ঘটেছে।

এ ছাড়া নতুন তৈরি করা ঘরে আশ্রয় দেয়া রোহিঙ্গাদের দিয়ে মাদক, ইয়াবা ও পতিতাবৃত্তিসহ নানা অসামাজিক কর্মকাণ্ড করার অভিযোগ রয়েছে স্থানীয় প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে। রোহিঙ্গাদের দূরাবস্থাকে কাজে লাগিয়ে এই চক্রটি রাতারাতি বনে যাচ্ছে কোটিপতি।

বাংলাদেশ-মিয়ানমারের সঙ্গে ২৭৪ কিলোমিটারের সীমান্ত রয়েছে। বিশাল এ সীমান্ত এলাকার গহীন জঙ্গল, নাফ নদী ও সমুদ্রপথ পাড়ি দিয়ে দিয়ে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে। শুক্রবার (২ নভেম্বর) রাতেও দল বেঁধে শতশত রোহিঙ্গা টেকনাফের লেদা ও উখিয়ার কুতুপালং ক্যাম্পে এসেছে।

তবে এসব ক্যাম্পের রোহিঙ্গাদের ঘরে জায়গা না থাকায় অনেক রোহিঙ্গাকে খোলা আকাশের নিচে রাত্রীযাপন করতে দেখা গেছে। বাংলাদেশে আগে থেকে বসবাস করে আসা রোহিঙ্গারা ও স্থানীয় একটি দালাল চক্র তাদেরকে আশ্রয় দিচ্ছেন।

জানা গেছে, কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রেজিস্টার্ড রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ১৩ হাজার ১৮৯ জন রোহিঙ্গা বসবাস করে। পার্শ্ববর্তী নয়াপাড়া ও উখিয়া কুতুপালং শরণার্থী শিবিরের ঝুঁপড়ি ঘর নির্মাণ করে বন বিভাগের জমি দখল করে বসবাস করছে আরো লক্ষাধিক রোহিঙ্গা।

 অপরদিকে, টেকনাফ উপজেলার নয়াপাড়া ক্যাম্পে রেজিস্টার্ড রোহিঙ্গা ১৭ হাজার ২০০ হলেও আরো অর্ধ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা লেদা এলাকায় অবৈধ ঝুঁপড়িতে বসবাস করে আসছে।

এসব এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, গত ২৩ দিনে অন্তত অর্ধ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এখানে এসেছেন। যারা আসছে তাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। এদের ঘরের পুরুষদের হত্যা বা গুম করা হয়েছে মিয়ানমারে। ক্যাম্পের কোনা ঘরে জায়গা নেই।

 একজনের বিছানায় থাকছেন ৫ জন করে। কেউ কেউ জায়গা না পেয়ে থাকছেন ক্যাম্পের আশপাশের বাড়িঘর ও রাস্তার পাশে খোলা আকাশের নিচে।

সূত্র:jagonews24

রোহিঙ্গাদের জন্য পাহাড়ে তৈরি হচ্ছে নতুন ঘর

By Unknown →
স্পোর্টস ডেস্ক: জেলেই যেতে হচ্ছে তাকে। এল ক্লাসিকোর আগে চাপে পড়ে গেলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। তার বিরুদ্ধে আয়কর ফাঁকি দেয়ার অভিযোগ তুলেছে কয়েকটি সংবাদমাধ্যম। তাদের তরফে বলা হয়েছে কর ফাঁকি দেওয়ার জন্য রোনাল্ডো ১৫০ মিলিয়ন ইউরোর কোনো হিসেবই দেননি। বিজ্ঞাপন থেকে প্রাপ্য এই টাকা তিনি সুইজারল্যান্ডে গিয়ে খরচ করেছেন।

এ বছর মাত্র ৫.‌৬ মিলিয়ন ইউরো কর দিয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদ
 
তারকা। যদিও পর্তুগিজ তারকার দাবি তিনি কর ফাঁকি দেননি। পুরোটাই ভিত্তিহীন খবর। কর ফাঁকির অভিযোগ উঠেছে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের কোচ হোসে মোরিনহোর বিরুদ্ধেও। তিনিও বিজ্ঞাপন থেকে প্রাপ্ত টাকার সঠিক হিসাব দেননি।

মোরিনহোর আইনজীবি অবশ্য জানিয়েছেন, তার মক্কেল কোনো কর ফাঁকি দেননি। প্রয়োজনে কাগজপত্র দেখাতে তারা প্রস্তুত। এই ধরনের খবর বের হওয়ায় পুরোপুরি বিরক্ত রোনাল্ডো ও মোনরিনহো। এমনিতেই আজ রাতে রয়েছে এল ক্লাসিকো।

মেসির বিরুদ্ধে খেলতে নামবেন রোনাল্ডো। যে ম্যাচের দিকে নজর রয়েছে গোটা বিশ্বের। অন্যদিকে মোরিনহোর দল ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড ইপিএলে খুব ভালো জায়গায় নেই। দল নিয়ে চিন্তাভাবনা করবেন নাকি এইসব ভিত্তিহীন খবর নিয়ে ভাববেন তার কোনো কুলকিনারা পাচ্ছেন না ‘‌দ্য স্পেশাল ওয়ান’‌।


সূত্র:mtnews24

এই ঘটনায় জেল হতে পারে রোনাল্ডোর!

By Unknown →