যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ আরও ১০ বছর বাড়িয়ে পরমাণু চুক্তি ভঙ্গ করলে তেহরান এর জবাব দেবে বলে হুঁশিয়ার করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি।
ইরানের রেভলুশনারি গার্ড এর সদস্যদের এক সমাবেশে খামেনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান সরকার অনেক সময়ই পরমাণু চুক্তি লঙ্ঘন করেছে।”
“সর্বসম্প্রতি তারা নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ ১০ বছর বাড়ানোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। এটি ঘটলে তা নিশ্চিতভাবেই পরমাণু চুক্তি (জেসিপিওএ) লঙ্ঘন করা হবে। ফলে ইরানও এর বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া জানাবেই।” খামেনির ওয়েবসাইট তার এ বক্তব্য তুলে ধরেছে।
বিশ্বের ছয়টি শক্তিশালী দেশের সঙ্গে ইরান গতবছর পরমাণু চুক্তি সই করে, যেটি ‘জেসিপিওএ’ নামে পরিচিত। চুক্তির শর্তানুযায়ী, ইরান আগামী ১০ বছরের জন্য তাদের পরমাণু প্রকল্পের কাজ কমিয়ে আনলে এর বিনিময়ে দেশটির ওপর থেকে জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কিছু বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা শিথিল হওয়ার কথা রয়েছে।
ওদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ‘ইরান নিষেধাজ্ঞা আইন’ এখনই নবায়ন না করলে ২০১৬ সালের শেষেই এর মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে।
১৯৯৬ সালে যুক্তরাষ্ট্র প্রথম ইরানে নিষেধাজ্ঞা আরোপ আইন করে। ইরানের শক্তিখাতে বিনিয়োগে বাধা দেওয়া এবং দেশটির পরমাণু অস্ত্র প্রকল্প উন্নয়নে বাধা দেওয়ার জন্যই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
গত সপ্তাহে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদ ইরান নিষেধাজ্ঞা আইন (আইএসএ) আরও ১০ বছরের জন্য পুনঃঅনুমোদন করেছে। তবে বিলটি এখনও সিনেটে পাস হওয়ার অপেক্ষায় আছে এবং এরপর প্রেসিডেন্ট বরাক ওবামা এটি অনুমোদন করলেই কেবল বিলটি আইনে পরিণত হবে।
রিপাবলিকান ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার এক সপ্তাহ পরই আইনপ্রণেতারা বিলটি পাস করেছেন। কংগ্রেসের রিপাবলিকানরা একযোগে পরমাণু চুক্তির বিরোধিতা করেছে। বেশ কিছু ডেমোক্র্যাটও এর বিপক্ষে রয়েছেন। ট্রাম্পও চুক্তিটির সমালোচনা করেছেন।
উভয় দলের নেতারাই এখন বলছেন, নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্টের আমলে ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার পক্ষেই সমর্থন রয়ে যাবে দু’দিক থেকে।
যুক্তরাষ্ট্রের নব নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার নির্বাচনী প্রচারে ইরানের পরমাণু চুক্তি ভেস্তে দেবেন বলে জানিয়েছিলেন। তার এ বক্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন খামেনি।
মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদ গত সপ্তাহে ইরানের কাছে বোয়িং এবং এয়ারবাসের বাণিজ্যিক বিমান বিক্রি আটকানোর আরেকটি বিলও পাশ করেছে।
হোয়াইট হাউজ মনে করে এ আইন ইরানের পরমাণু চুক্তির লঙ্ঘন হবে। আর সেকারণেই হোয়াইট হাউজ বলছে, সিনেটে এ বিল পাস হলেও প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এতে ভেটো দেবেন।
সূত্র:bdnews24
ইরানের রেভলুশনারি গার্ড এর সদস্যদের এক সমাবেশে খামেনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান সরকার অনেক সময়ই পরমাণু চুক্তি লঙ্ঘন করেছে।”
“সর্বসম্প্রতি তারা নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ ১০ বছর বাড়ানোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। এটি ঘটলে তা নিশ্চিতভাবেই পরমাণু চুক্তি (জেসিপিওএ) লঙ্ঘন করা হবে। ফলে ইরানও এর বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া জানাবেই।” খামেনির ওয়েবসাইট তার এ বক্তব্য তুলে ধরেছে।
বিশ্বের ছয়টি শক্তিশালী দেশের সঙ্গে ইরান গতবছর পরমাণু চুক্তি সই করে, যেটি ‘জেসিপিওএ’ নামে পরিচিত। চুক্তির শর্তানুযায়ী, ইরান আগামী ১০ বছরের জন্য তাদের পরমাণু প্রকল্পের কাজ কমিয়ে আনলে এর বিনিময়ে দেশটির ওপর থেকে জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কিছু বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা শিথিল হওয়ার কথা রয়েছে।
ওদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ‘ইরান নিষেধাজ্ঞা আইন’ এখনই নবায়ন না করলে ২০১৬ সালের শেষেই এর মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে।
১৯৯৬ সালে যুক্তরাষ্ট্র প্রথম ইরানে নিষেধাজ্ঞা আরোপ আইন করে। ইরানের শক্তিখাতে বিনিয়োগে বাধা দেওয়া এবং দেশটির পরমাণু অস্ত্র প্রকল্প উন্নয়নে বাধা দেওয়ার জন্যই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
গত সপ্তাহে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদ ইরান নিষেধাজ্ঞা আইন (আইএসএ) আরও ১০ বছরের জন্য পুনঃঅনুমোদন করেছে। তবে বিলটি এখনও সিনেটে পাস হওয়ার অপেক্ষায় আছে এবং এরপর প্রেসিডেন্ট বরাক ওবামা এটি অনুমোদন করলেই কেবল বিলটি আইনে পরিণত হবে।
রিপাবলিকান ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার এক সপ্তাহ পরই আইনপ্রণেতারা বিলটি পাস করেছেন। কংগ্রেসের রিপাবলিকানরা একযোগে পরমাণু চুক্তির বিরোধিতা করেছে। বেশ কিছু ডেমোক্র্যাটও এর বিপক্ষে রয়েছেন। ট্রাম্পও চুক্তিটির সমালোচনা করেছেন।
উভয় দলের নেতারাই এখন বলছেন, নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্টের আমলে ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার পক্ষেই সমর্থন রয়ে যাবে দু’দিক থেকে।
যুক্তরাষ্ট্রের নব নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার নির্বাচনী প্রচারে ইরানের পরমাণু চুক্তি ভেস্তে দেবেন বলে জানিয়েছিলেন। তার এ বক্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন খামেনি।
মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদ গত সপ্তাহে ইরানের কাছে বোয়িং এবং এয়ারবাসের বাণিজ্যিক বিমান বিক্রি আটকানোর আরেকটি বিলও পাশ করেছে।
হোয়াইট হাউজ মনে করে এ আইন ইরানের পরমাণু চুক্তির লঙ্ঘন হবে। আর সেকারণেই হোয়াইট হাউজ বলছে, সিনেটে এ বিল পাস হলেও প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এতে ভেটো দেবেন।
সূত্র:bdnews24


Social Links: