বিপিএলের এলিমিনেটর ম্যাচে ড্যারেন স্যামির লড়াকু ব্যাটে চিটাগং ভাইকিংসকে ৩ উইকেটে হারিয়েছে রাজশাহী কিংস। ফলে তামিম-গেইল-তাসকিনদের বিদায় করে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে উঠে গেলো সাব্বির-মুমিনুলের রাজশাহী।
মঙ্গলবার দুপুরের ম্যাচে রাজশাহী কিংসের বিপক্ষে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৪২ রান সংগ্রহ করে টসে হেরে ব্যাট করতে নামা চিটাগং ভাইকিংস। জবাবে স্যামির ব্যাটে ৯ বল হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় ৭ উইকেট হারানো রাজশাহী। এর আগে গ্রুপ পর্বে দু’দলের দু’বারের দেখায় একটি করে জয় পায় চিটাগং ও রাজশাহী।
এ ম্যাচে ভাইকিংস দলপতি তামিম ইকবালের ব্যাট থেকে আসে ইনিংস সর্বোচ্চ রান। ৪৬ বলে ছয়টি চারের সাহায্যে এদিনও ফিফটি হাঁকিয়ে ৫১ রানে আউট হন তামিম। ব্যাটে ঝড় তুলেছিলেন ক্রিস গেইলও। ৩০ বল খেলে দুই চার ও পাচটি ছক্কায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৪ রান করেন এই বিশ্ব তারকা। তবে বাকিদের কেউই বলার মত স্কোর করতে ব্যর্থ হলে বড় সংগ্রহ করতে পারেনি চিটাগং।
অন্যদিকে রাজশাহীর হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেন কেসরিক উইলিয়ামস। ৪ ওভারে মাত্র ১১ রান দিয়ে এ ম্যাচে তিনি ৪টি উইকেট তুলে নেন তিনি। এছাড়া ফরহাদ রেজা ২টি এবং ফ্রাঙ্কলিন ১টি উইকেট দখল করেন।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে ভাইকিংস বোলারদের তোপে পড়ে দলীয় ৫৭ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলে রাজশাহী কিংস। হারের শঙ্কায় থাকা দলের এহেন অবস্থায় হাল ধরেন দলপতি ড্যারেন স্যামি। মূলত একাই প্রতিরোধ গড়ে লড়াকু ৫৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে শুধু উদ্ধারই করেন নি। জয়ও
পাইয়ে দেন স্যামি। তার ২৭ বলের ঝোড়ো ইনিংসটিতে ছিলো দু'টি ছক্কা ও সাতটি চারের মার। এছাড়া এদিন ওপেনিংয়ে নামা নুরুল হাসান সোহান করেন ৩৪ রান। আর ফরহাদ রেজা অপরাজিত থাকেন ১৯ রানে।
চিটাগংয়ের পক্ষে ২টি করে উইকেট নেন শুভাশিস রায় ও সাকলাইন সজীব। এছাড়া আব্দুর রাজ্জাক ও মোহাম্মদ নবী পান ১টি করে উইকেট।
এদিকে এই জয়ের ফলে বুধবার দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ম্যাচে প্রথম কোয়ালিফায়ারে পরাজয়ীর মোকাবেলা করবে স্যামি-সাব্বিরের রাজশাহী কিংস।
মঙ্গলবার দুপুরের ম্যাচে রাজশাহী কিংসের বিপক্ষে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৪২ রান সংগ্রহ করে টসে হেরে ব্যাট করতে নামা চিটাগং ভাইকিংস। জবাবে স্যামির ব্যাটে ৯ বল হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় ৭ উইকেট হারানো রাজশাহী। এর আগে গ্রুপ পর্বে দু’দলের দু’বারের দেখায় একটি করে জয় পায় চিটাগং ও রাজশাহী।
এ ম্যাচে ভাইকিংস দলপতি তামিম ইকবালের ব্যাট থেকে আসে ইনিংস সর্বোচ্চ রান। ৪৬ বলে ছয়টি চারের সাহায্যে এদিনও ফিফটি হাঁকিয়ে ৫১ রানে আউট হন তামিম। ব্যাটে ঝড় তুলেছিলেন ক্রিস গেইলও। ৩০ বল খেলে দুই চার ও পাচটি ছক্কায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৪ রান করেন এই বিশ্ব তারকা। তবে বাকিদের কেউই বলার মত স্কোর করতে ব্যর্থ হলে বড় সংগ্রহ করতে পারেনি চিটাগং।
অন্যদিকে রাজশাহীর হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেন কেসরিক উইলিয়ামস। ৪ ওভারে মাত্র ১১ রান দিয়ে এ ম্যাচে তিনি ৪টি উইকেট তুলে নেন তিনি। এছাড়া ফরহাদ রেজা ২টি এবং ফ্রাঙ্কলিন ১টি উইকেট দখল করেন।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে ভাইকিংস বোলারদের তোপে পড়ে দলীয় ৫৭ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলে রাজশাহী কিংস। হারের শঙ্কায় থাকা দলের এহেন অবস্থায় হাল ধরেন দলপতি ড্যারেন স্যামি। মূলত একাই প্রতিরোধ গড়ে লড়াকু ৫৭ রানের ইনিংস খেলে দলকে শুধু উদ্ধারই করেন নি। জয়ও
পাইয়ে দেন স্যামি। তার ২৭ বলের ঝোড়ো ইনিংসটিতে ছিলো দু'টি ছক্কা ও সাতটি চারের মার। এছাড়া এদিন ওপেনিংয়ে নামা নুরুল হাসান সোহান করেন ৩৪ রান। আর ফরহাদ রেজা অপরাজিত থাকেন ১৯ রানে।
চিটাগংয়ের পক্ষে ২টি করে উইকেট নেন শুভাশিস রায় ও সাকলাইন সজীব। এছাড়া আব্দুর রাজ্জাক ও মোহাম্মদ নবী পান ১টি করে উইকেট।
এদিকে এই জয়ের ফলে বুধবার দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ম্যাচে প্রথম কোয়ালিফায়ারে পরাজয়ীর মোকাবেলা করবে স্যামি-সাব্বিরের রাজশাহী কিংস।
সূত্র:manobkantha


Social Links: