ছোট শিশু। কাদামাটিতে মুখ থুবড়ে পড়ে আছে নিথর। শিশুটি মিয়ানমার থেকে বাবা-মায়ের সঙ্গে পালিয়ে আসা। পালিয়ে আসা ওই মানুষের আশ্রয় ছিল না কোথাও। আশ্রয়হীন সেই অবোধ শিশুটিকে পরম মমতায় আশ্রয় দিয়েছে কাদামাটি। ‘অনিচ্ছুক’ আশ্রয় জানিয়ে দিচ্ছে মানবতার অপমানের কথা। মানবতার এমন অপমানেই হয়তো মুখ ঢেকেছে লজ্জায়।
মিয়ানমার থেকে প্রাণভয়ে পালিয়ে আসা অন্তত ১৫ নারী-পুরুষ ও শিশুকে গুলি করে গত রোববার রাতে হত্যা করেছে দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী। খবর রোহিঙ্গা ভিশন।
খবরে আরও বলা হয়, ১৫ জনের বেশি লোককে হত্যা করা হয় এবং দুই নৌকাভর্তি লোকজন নিখোঁজ রয়েছে। নিহতরা বাংলাদেশে পালিয়ে আসছিলেন। নাফ নদীর তীর থেকে লাশগুলো উদ্ধার করা হয়।
জানা গেছে, কাদামাটিতে মুখ থুবড়ে পড়ে থাকা শিশুটির নাম তোতাইত। তোতাইত মংডুর বড় গওজবিল এলাকার জাফর আলম ও ছেনুয়ারার সন্তান। তোতাইতের বয়স ১০ মাস। যে নৌকায় এ হত্যাকাণ্ড চালানো হয় সে নৌকার যাত্রী ছিলেন রেহানা। রেহানার খালাতো ভাই তোতাইত। টেকনাফে আশ্রয় নেওয়া রেহানা সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
উত্তর মংডুর এক ব্যক্তি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এ শিশুদের দোষ কী? কেন এই নিষ্পাপ শিশুদের হত্যা? কেন এভাবে এ নিষ্পাপ শিশুদের লাশ দেখতে হচ্ছে?’ ভুক্তভোগী অধিকাংশ মানুষই উত্তর মংডুর রাইমবালি গ্রামের বাসিন্দা। ৯ অক্টোবর থেকে সেনা অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে মংডুর অবস্থা শোচনীয় হয়ে পড়েছে। এ পর্যন্ত ২৫০ জনকে হত্যা করেছে দেশটির বাহিনী, যারা বিভিন্ন সময় নাফ নদী পার হওয়ার চেষ্টা করেছিল।
সূত্র:dainikamadershomoy
মিয়ানমার থেকে প্রাণভয়ে পালিয়ে আসা অন্তত ১৫ নারী-পুরুষ ও শিশুকে গুলি করে গত রোববার রাতে হত্যা করেছে দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী। খবর রোহিঙ্গা ভিশন।
খবরে আরও বলা হয়, ১৫ জনের বেশি লোককে হত্যা করা হয় এবং দুই নৌকাভর্তি লোকজন নিখোঁজ রয়েছে। নিহতরা বাংলাদেশে পালিয়ে আসছিলেন। নাফ নদীর তীর থেকে লাশগুলো উদ্ধার করা হয়।
জানা গেছে, কাদামাটিতে মুখ থুবড়ে পড়ে থাকা শিশুটির নাম তোতাইত। তোতাইত মংডুর বড় গওজবিল এলাকার জাফর আলম ও ছেনুয়ারার সন্তান। তোতাইতের বয়স ১০ মাস। যে নৌকায় এ হত্যাকাণ্ড চালানো হয় সে নৌকার যাত্রী ছিলেন রেহানা। রেহানার খালাতো ভাই তোতাইত। টেকনাফে আশ্রয় নেওয়া রেহানা সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
উত্তর মংডুর এক ব্যক্তি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এ শিশুদের দোষ কী? কেন এই নিষ্পাপ শিশুদের হত্যা? কেন এভাবে এ নিষ্পাপ শিশুদের লাশ দেখতে হচ্ছে?’ ভুক্তভোগী অধিকাংশ মানুষই উত্তর মংডুর রাইমবালি গ্রামের বাসিন্দা। ৯ অক্টোবর থেকে সেনা অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে মংডুর অবস্থা শোচনীয় হয়ে পড়েছে। এ পর্যন্ত ২৫০ জনকে হত্যা করেছে দেশটির বাহিনী, যারা বিভিন্ন সময় নাফ নদী পার হওয়ার চেষ্টা করেছিল।
সূত্র:dainikamadershomoy


Social Links: