ল্যান্সেট এর একটি গবেষণা মতে, চীন, ভারত এবং যুক্তরাষ্ট্র হলো শীর্ষ তিন দেশ যেখানে ডায়াবেটিক রোগীর সংখ্যা অনেক। চীনে ১৯৮০ সালে ডায়াবেটিক রোগীর সংখ্যা ছিল ২০.৪ মিলিয়ন। যা ২০১৪ সালে বেড়ে দাঁড়ায় ১০২.৯ মিলিয়নে। ভারতেও একইরকম নাটকীয়হারে ডায়াবেটিক রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। ১৯৮০ সালে দেশটিতে ডায়াবেটিক রোগীর সংখ্যা ছিল ১১.৯ মিলিয়ন। আর বর্তমানে সেখানে ডায়াবেটিক রোগীর সংখ্যা ৬৪.৫ মিলিয়ন।
চীন ও ভারতে পুরুষ ডায়াবেটিক রোগীর সংখ্যা দ্বিগুনেরও বেশি বেড়েছে। ভারতে ৩.৭ শতাংশ থেকে ৯.১ শতাংশ বেড়েছে। আর চীনে ৩.৫ শতাংশ থেকে ৯.৯ শতাংশ বেড়েছে। এছাড়া চীনের নারীদের মধ্যে ডায়াবেটিক রোগীর সংখ্যা বেড়েছে ৫০ শতাংশ। ৫.০ শতাংশ থেকে ৭.৬ শতাংশ। আর ভারতের নারীদের মধ্যে বেড়েছে ৮০ শতাংশ। ৪.৬ শতাংশ থেকে ৮.৩ শতাংশ।
শুরুতেই ডায়াবেটিসের চিকিৎসা করানো হলে পরবর্তী জটিলতাগুলো প্রতিরোধ বা বিলম্বিত করা সম্ভব। এখানে এমন কয়েকটি লক্ষণ তুলে ধরা হলো যেগুলো আপনার মধ্যে থাকলে বুঝবেন যে আপনি ঝুঁকিতে আছেন:
উচ্চ রক্তচাপ এবং রক্তে উচ্চহারে ট্রাইগ্লিসারাইডের উপস্থিতি
গর্ভকালীন ডায়াবেটিস বা ৪ কেজির বেশি ওজনের শিশু জন্ম দান।
উচ্চ চর্বিযুক্ত খাদ্যাভ্যাস এবং অ্যালকোহল
অস্বাস্থ্যকর জীবন-যাপন বা স্থুলতা এবং কোমরের বেড় পুরুষদের বেলায় ৯০ সে.মি. এর বেশি আর নারীদের বেলায় ৮৫ সে.মি. এর বেশি বৃদ্ধি পাওয়া
পারিবারিক ইতিহাস; বয়সের ছাপ পড়া (৪৫ বছর বয়সে ঝুঁকি বাড়ে) কিছু ঝুঁকি উপাদান যেমন, বয়স, পারিবারিক ইতিহাস, এবং নৃতাত্বিক পরিচয় বদলানো সম্ভব নয়।
তবে, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করে এবং শারীরিক তৎপরতা বাড়ানোর মাধ্যমে ওজন কমুক বা না কমুক ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করা সম্ভব। উচ্চ রক্তচাপ বা বেড়ে চলা ট্রাইগ্লিসারাইডও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
অনেক সময় লক্ষণগুলোকে ক্ষতিহীন বা স্বাভাবিক মনে করার ফলে ডায়াবেটিসের চিকিৎসা করানো হয় না।
লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে
প্রায়ই মূত্রত্যাগ:
আপনি কি প্রায়ই বাথরুমে যান বা দিনভরই মূত্র ত্যাগ করতে থাকেন? মূত্রত্যাগ বাড়তে থাকে যদি রক্তে অতিরিক্ত গ্লুকোজ থাকে। যদি ইনসুলিন অকার্যকর বা অপর্যাপ্ত হয় তাহলে কিডনি অতিরিক্ত গ্লুকোজ পরিশোধিত করে রক্তে ফেরত পাঠাতে ব্যর্থ হয়।
বাড়তি তৃষ্ণা:
আপনি যদি প্রায়ই তৃষ্ণার্ত বোধ করেন বা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি পানি পান করেন তার মানে হতে পারে আপনি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়েছেন। বিশেষকরে যদি ঘন ঘন মুত্র ত্যাগ করেন।
তীব্র ক্ষুধা:
আপনার দেহ যেহেতু যথেষ্ট গ্লুকোজ হজম করে না ফলে আরো বেশি গ্লুকোজ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হতে পারে। আর এর ফলে মস্তিষ্কে অনবরত ক্ষুধার সঙ্কেত পাঠাতে থাকে।
অস্বাভাবিকভাবে ওজন কমা: দেহ নিদারুণভাবে শক্তির উৎসের সন্ধান করে। কারণ কোষগুলো যথেষ্ট গ্লুকোজ পায় না। এটি শক্তির জন্য মাংসপেশির টিস্যু এবং চর্বি ভাঙ্গতে শুরু করে।
বাড়তি অবসাদ: গ্লুকোজের সদ্ব্যবহার না হওয়ায় কোষগুলো শক্তির উপবাসে থাকে। ফলে আপনি ক্লান্তি অনুভব করেন এবং ভেঙ্গে পড়েন।
রোষপ্রবণতা:
ঝাপসা দৃষ্টি; হাত, পা বা পায়ের পাতায় রণন বা অসাড়তা, ত্বকে শুষ্ক অনুভূতি বা ফাটল; নিরাময়ের অযোগ্য ক্ষত বা জখম; এবং ঘনঘন সংক্রমণ। আপনি যদি নিজের মধ্যে ধারাবাহিকভাবে এসব লক্ষণ দেখতে পান তাহলে ডাক্তারের কাছে গিয়ে পরীক্ষা করান।
সূত্র: টাইমস অফ ইন্ডিয়া
চীন ও ভারতে পুরুষ ডায়াবেটিক রোগীর সংখ্যা দ্বিগুনেরও বেশি বেড়েছে। ভারতে ৩.৭ শতাংশ থেকে ৯.১ শতাংশ বেড়েছে। আর চীনে ৩.৫ শতাংশ থেকে ৯.৯ শতাংশ বেড়েছে। এছাড়া চীনের নারীদের মধ্যে ডায়াবেটিক রোগীর সংখ্যা বেড়েছে ৫০ শতাংশ। ৫.০ শতাংশ থেকে ৭.৬ শতাংশ। আর ভারতের নারীদের মধ্যে বেড়েছে ৮০ শতাংশ। ৪.৬ শতাংশ থেকে ৮.৩ শতাংশ।
শুরুতেই ডায়াবেটিসের চিকিৎসা করানো হলে পরবর্তী জটিলতাগুলো প্রতিরোধ বা বিলম্বিত করা সম্ভব। এখানে এমন কয়েকটি লক্ষণ তুলে ধরা হলো যেগুলো আপনার মধ্যে থাকলে বুঝবেন যে আপনি ঝুঁকিতে আছেন:
উচ্চ রক্তচাপ এবং রক্তে উচ্চহারে ট্রাইগ্লিসারাইডের উপস্থিতি
গর্ভকালীন ডায়াবেটিস বা ৪ কেজির বেশি ওজনের শিশু জন্ম দান।
উচ্চ চর্বিযুক্ত খাদ্যাভ্যাস এবং অ্যালকোহল
অস্বাস্থ্যকর জীবন-যাপন বা স্থুলতা এবং কোমরের বেড় পুরুষদের বেলায় ৯০ সে.মি. এর বেশি আর নারীদের বেলায় ৮৫ সে.মি. এর বেশি বৃদ্ধি পাওয়া
পারিবারিক ইতিহাস; বয়সের ছাপ পড়া (৪৫ বছর বয়সে ঝুঁকি বাড়ে) কিছু ঝুঁকি উপাদান যেমন, বয়স, পারিবারিক ইতিহাস, এবং নৃতাত্বিক পরিচয় বদলানো সম্ভব নয়।
তবে, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করে এবং শারীরিক তৎপরতা বাড়ানোর মাধ্যমে ওজন কমুক বা না কমুক ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করা সম্ভব। উচ্চ রক্তচাপ বা বেড়ে চলা ট্রাইগ্লিসারাইডও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
অনেক সময় লক্ষণগুলোকে ক্ষতিহীন বা স্বাভাবিক মনে করার ফলে ডায়াবেটিসের চিকিৎসা করানো হয় না।
লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে
প্রায়ই মূত্রত্যাগ:
আপনি কি প্রায়ই বাথরুমে যান বা দিনভরই মূত্র ত্যাগ করতে থাকেন? মূত্রত্যাগ বাড়তে থাকে যদি রক্তে অতিরিক্ত গ্লুকোজ থাকে। যদি ইনসুলিন অকার্যকর বা অপর্যাপ্ত হয় তাহলে কিডনি অতিরিক্ত গ্লুকোজ পরিশোধিত করে রক্তে ফেরত পাঠাতে ব্যর্থ হয়।
বাড়তি তৃষ্ণা:
আপনি যদি প্রায়ই তৃষ্ণার্ত বোধ করেন বা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি পানি পান করেন তার মানে হতে পারে আপনি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়েছেন। বিশেষকরে যদি ঘন ঘন মুত্র ত্যাগ করেন।
তীব্র ক্ষুধা:
আপনার দেহ যেহেতু যথেষ্ট গ্লুকোজ হজম করে না ফলে আরো বেশি গ্লুকোজ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হতে পারে। আর এর ফলে মস্তিষ্কে অনবরত ক্ষুধার সঙ্কেত পাঠাতে থাকে।
অস্বাভাবিকভাবে ওজন কমা: দেহ নিদারুণভাবে শক্তির উৎসের সন্ধান করে। কারণ কোষগুলো যথেষ্ট গ্লুকোজ পায় না। এটি শক্তির জন্য মাংসপেশির টিস্যু এবং চর্বি ভাঙ্গতে শুরু করে।
বাড়তি অবসাদ: গ্লুকোজের সদ্ব্যবহার না হওয়ায় কোষগুলো শক্তির উপবাসে থাকে। ফলে আপনি ক্লান্তি অনুভব করেন এবং ভেঙ্গে পড়েন।
রোষপ্রবণতা:
ঝাপসা দৃষ্টি; হাত, পা বা পায়ের পাতায় রণন বা অসাড়তা, ত্বকে শুষ্ক অনুভূতি বা ফাটল; নিরাময়ের অযোগ্য ক্ষত বা জখম; এবং ঘনঘন সংক্রমণ। আপনি যদি নিজের মধ্যে ধারাবাহিকভাবে এসব লক্ষণ দেখতে পান তাহলে ডাক্তারের কাছে গিয়ে পরীক্ষা করান।
সূত্র: টাইমস অফ ইন্ডিয়া


Social Links: