রাজশাহী নগরীর উপকণ্ঠ শাহাপুর এলাকায় গলায় ফাঁস দিয়ে দুই বান্ধবী একসঙ্গে আত্মহত্যা করেছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে নিজ ঘরের তিরের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে তারা। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহতরা হলো- শাহাপুর পশ্চিপাড়া এলাকার নাজমুল হক নাজুর মেয়ে বন্যা (১৩) ও একই এলাকার মুক্তার আলী মেয়ে সম্পা (১২)।
মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, তারা দুই বান্ধবী। একই ঘরের তিরের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে তারা। তিনি বলেন, পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।
স্থানীরা জানায়, তারা দুইজন কাটাখালীর বেলঘড়িয়া আবদুস সাত্তার উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সেই সুবাদে তারা দু'জন বান্ধবী। বিকেলের দিকে বন্যা তার বান্ধবী সম্পার বাড়িতে যায়। এরপর সন্ধ্যার দিকে তারা ঘরের তিরের সঙ্গে ওড়নার পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে একসঙ্গে আত্মহত্যা করে। এদিকে, সম্পার বাবা মুক্তার হোসেন তার চিকিৎসার জন্য ভারতে গেছেন।
স্থানীয়রা আরো জানান, সম্পা ও বন্যার সাথে তাদের দুই বন্ধুর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। প্রেমের কারণেই তারা আত্মহত্যা করতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন এলাকাবাসী। তাদের একই ওড়নায় ঝুলতে দেখে থানায় খবর দেয়া হয়। পরে পুলিশ গিয়ে তাদের লাশ উদ্ধার করে।
সূত্র:.dailynayadiganta
নিহতরা হলো- শাহাপুর পশ্চিপাড়া এলাকার নাজমুল হক নাজুর মেয়ে বন্যা (১৩) ও একই এলাকার মুক্তার আলী মেয়ে সম্পা (১২)।
মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, তারা দুই বান্ধবী। একই ঘরের তিরের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে তারা। তিনি বলেন, পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।
স্থানীরা জানায়, তারা দুইজন কাটাখালীর বেলঘড়িয়া আবদুস সাত্তার উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সেই সুবাদে তারা দু'জন বান্ধবী। বিকেলের দিকে বন্যা তার বান্ধবী সম্পার বাড়িতে যায়। এরপর সন্ধ্যার দিকে তারা ঘরের তিরের সঙ্গে ওড়নার পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে একসঙ্গে আত্মহত্যা করে। এদিকে, সম্পার বাবা মুক্তার হোসেন তার চিকিৎসার জন্য ভারতে গেছেন।
স্থানীয়রা আরো জানান, সম্পা ও বন্যার সাথে তাদের দুই বন্ধুর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। প্রেমের কারণেই তারা আত্মহত্যা করতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন এলাকাবাসী। তাদের একই ওড়নায় ঝুলতে দেখে থানায় খবর দেয়া হয়। পরে পুলিশ গিয়ে তাদের লাশ উদ্ধার করে।
সূত্র:.dailynayadiganta


Social Links: