বিশ্বের প্রায় অধিকাংশ মানুষের কাছে পছন্দের কর্মস্থল হচ্ছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গুগল। শুধু তাই নয় এই প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের সেরা কর্মস্থলের স্বীকৃতি পেয়েছে একাধিকবার। কর্মী বান্ধব পরিবেশের জন্য বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে গুগল।
এর পেছনেও অনেক কারণ আছে। গুগল কর্মী বান্ধব পরিবেশ তৈরির জন্য প্রশংসিত। এর মনোরম পরিবেশ, ছিমছাম, চাইলে ঘুমাও, খেলা করো, মজা করো, খাও দাও, যা খুশি তা–ই করো ইত্যাদি ইত্যাদি।
তবে এর মধ্যে সবচেয়ে অন্যতম একটি কারণ হচ্ছে কর্মীদের জন্য বিনা মূল্যের খাবার দেয়া। তাও আবার যা ইচ্ছা, যত ইচ্ছা খাও। এখন প্রশ্ন হলো, কর্মীদের জন্য ২৪ ঘণ্টা বিনা মূল্যে খাবারের ব্যবস্থা করে কেন এই প্রতিষ্ঠানটি?
এর উত্তরে গুগলের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেট ইনকর্পোরেটেডের নির্বাহী চেয়ারম্যান এরিক স্মিট জানিয়েছেন, খাবারের ধারণাটি প্রথম অ্যালফাবেটের প্রেসিডেন্ট সের্গেই ব্রিনের মাথায় আসে। তার মতে একসঙ্গে খাবার সাধারণত পরিবারের সঙ্গে ঘরে বসে খাওয়া হয়।
কর্মস্থলে পর্যাপ্ত খাবার রাখার পেছনে ঠিক একই কারণ রয়েছে। সের্গেই চেয়েছিলেন, কর্মীরা যেন কর্মস্থলে সহকর্মীদের নিয়ে এক পরিবারের মতো কাজ করেন, তাই এমন ব্যবস্থা। এরিকের মতে, এই একটি পরিবর্তন কর্মপরিবেশ আমূল বদলে দিয়েছে। ফলে কর্মীরা আমাদের এখানে স্বাচ্ছন্দ্যে ও আনন্দের সঙ্গে কাজ করেন। এতে আমাদের প্রতিষ্ঠানেরই লাভ হয়।
বুধবার ব্লুমবার্গকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এই কথা বলেন অ্যালফাবেট ইনকর্পোরেটেডের নির্বাহী চেয়ারম্যান। এ সময় তাকে গুগলের ড্রেস কোড নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। তিনি বলেন, প্রচলিত ধারণা যা-ই হোক, আমাদের কিন্তু ড্রেস কোড আছে। আর তা হচ্ছে, কিছু একটা অন্তত পরতে হবে।
এর পেছনেও অনেক কারণ আছে। গুগল কর্মী বান্ধব পরিবেশ তৈরির জন্য প্রশংসিত। এর মনোরম পরিবেশ, ছিমছাম, চাইলে ঘুমাও, খেলা করো, মজা করো, খাও দাও, যা খুশি তা–ই করো ইত্যাদি ইত্যাদি।
তবে এর মধ্যে সবচেয়ে অন্যতম একটি কারণ হচ্ছে কর্মীদের জন্য বিনা মূল্যের খাবার দেয়া। তাও আবার যা ইচ্ছা, যত ইচ্ছা খাও। এখন প্রশ্ন হলো, কর্মীদের জন্য ২৪ ঘণ্টা বিনা মূল্যে খাবারের ব্যবস্থা করে কেন এই প্রতিষ্ঠানটি?
এর উত্তরে গুগলের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেট ইনকর্পোরেটেডের নির্বাহী চেয়ারম্যান এরিক স্মিট জানিয়েছেন, খাবারের ধারণাটি প্রথম অ্যালফাবেটের প্রেসিডেন্ট সের্গেই ব্রিনের মাথায় আসে। তার মতে একসঙ্গে খাবার সাধারণত পরিবারের সঙ্গে ঘরে বসে খাওয়া হয়।
কর্মস্থলে পর্যাপ্ত খাবার রাখার পেছনে ঠিক একই কারণ রয়েছে। সের্গেই চেয়েছিলেন, কর্মীরা যেন কর্মস্থলে সহকর্মীদের নিয়ে এক পরিবারের মতো কাজ করেন, তাই এমন ব্যবস্থা। এরিকের মতে, এই একটি পরিবর্তন কর্মপরিবেশ আমূল বদলে দিয়েছে। ফলে কর্মীরা আমাদের এখানে স্বাচ্ছন্দ্যে ও আনন্দের সঙ্গে কাজ করেন। এতে আমাদের প্রতিষ্ঠানেরই লাভ হয়।
বুধবার ব্লুমবার্গকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এই কথা বলেন অ্যালফাবেট ইনকর্পোরেটেডের নির্বাহী চেয়ারম্যান। এ সময় তাকে গুগলের ড্রেস কোড নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। তিনি বলেন, প্রচলিত ধারণা যা-ই হোক, আমাদের কিন্তু ড্রেস কোড আছে। আর তা হচ্ছে, কিছু একটা অন্তত পরতে হবে।
সূত্র:manobkantha


Social Links: