ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি বাতিল করলে তা ‘বিপর্যয়কর ও বোকামি’ হবে বলে নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হুশিয়ার করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (সিআইএ) প্রধান। বিবিসিকে দেওয়া এক সাাৎকারে সিআইএ প্রধান জন ব্রেনান ট্রাম্পকে সতর্ক করে বলেছেন, রাশিয়ার প্রতিশ্রুতিগুলো নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ রয়েছে। সিরিয়ায় রাশিয়ার কারণে অনেক ভোগান্তি হচ্ছে।
বিবিসি অপর এক খবরে জানায়, হোয়াইট হাউসে উঠার আগেই সব ব্যবসা ছেড়ে দিয়ে প্রেসিডেন্সিতে মন দেবেন ট্রাম্প। অন্যদিকে ইউএসএটুডে জানায়, জাতীয় পতাকা পোড়ালে নাগরিকত্ব বাতিল ও কারাগারে প্রেরণের হুশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প।
চার বছর সিআইএর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষে ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে বিদায় নেবেন ব্রেনান। নির্বাচনী প্রচারের সময় ট্রাম্প বলেছিলেন, প্রেসিডেন্ট হলে ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি বাতিল করবেন। রাশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তিনি।
সিআইএয়ের প্রধান হিসেবে এই প্রথমবার ব্রিটিশ গণমাধ্যমকে সাাৎকার দিলেন ব্রেনান। তিনি এমন কিছু বিষয় বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রশাসনকে বুদ্ধিমত্তা ও নিয়মতান্ত্রিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে বলে মনে করেন তিনি। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলোÑ সন্ত্রাসীদের সম্পর্কে কী ভাষা ব্যবহার করা হচ্ছে, রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক, ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি এবং সিআইএর কাজ করার নিজস্ব সমতা।
হ্যাকিং ও তথ্য প্রকাশের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে রাশিয়ার প্রভাব বিস্তারের চেষ্টার পরিপ্রেেিত ব্রেনান বলেছেন, রাশিয়া এসব করতে চেয়েছিল। তিনি রাশিয়ার গোয়েন্দাদের সঙ্গে কথা বলেছিলেন এবং তাদের সতর্ক করেছিলেন, এ ধরনের কাজের জবাব দেবে যুক্তরাষ্ট্র।
সূত্র:dainikamadershomoy
বিবিসি অপর এক খবরে জানায়, হোয়াইট হাউসে উঠার আগেই সব ব্যবসা ছেড়ে দিয়ে প্রেসিডেন্সিতে মন দেবেন ট্রাম্প। অন্যদিকে ইউএসএটুডে জানায়, জাতীয় পতাকা পোড়ালে নাগরিকত্ব বাতিল ও কারাগারে প্রেরণের হুশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প।
চার বছর সিআইএর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষে ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে বিদায় নেবেন ব্রেনান। নির্বাচনী প্রচারের সময় ট্রাম্প বলেছিলেন, প্রেসিডেন্ট হলে ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি বাতিল করবেন। রাশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তিনি।
সিআইএয়ের প্রধান হিসেবে এই প্রথমবার ব্রিটিশ গণমাধ্যমকে সাাৎকার দিলেন ব্রেনান। তিনি এমন কিছু বিষয় বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রশাসনকে বুদ্ধিমত্তা ও নিয়মতান্ত্রিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে বলে মনে করেন তিনি। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলোÑ সন্ত্রাসীদের সম্পর্কে কী ভাষা ব্যবহার করা হচ্ছে, রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক, ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি এবং সিআইএর কাজ করার নিজস্ব সমতা।
হ্যাকিং ও তথ্য প্রকাশের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে রাশিয়ার প্রভাব বিস্তারের চেষ্টার পরিপ্রেেিত ব্রেনান বলেছেন, রাশিয়া এসব করতে চেয়েছিল। তিনি রাশিয়ার গোয়েন্দাদের সঙ্গে কথা বলেছিলেন এবং তাদের সতর্ক করেছিলেন, এ ধরনের কাজের জবাব দেবে যুক্তরাষ্ট্র।
সূত্র:dainikamadershomoy


Social Links: