চোখে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি উৎপন্ন হতে না পারলে কর্নিয়া ও কঞ্জাংটিভা শুকিয়ে যায়। এটি সাধারণত নারীদের মেনোপজের পর বেশি হয়ে থাকে। এ অবস্থায় চোখ খচখচ করে এবং জ্বালাপোড়া করে। সাধারণত ড্রাই আই সিন্ড্রোম (উৎু ঊুব ঝুহফৎড়স), পিঙ্ক আই (চরহশ ঊুব), ব্লেফারাইটিস (ইষবঢ়যধৎরঃরং) এবং অ্যালার্জির কারণে এ লক্ষণ দেখা যায়। এ ছাড়া চোখে কিছু পড়লেও চোখ জ্বালাপোড়া করতে পারে।
উল্লেখযোগ্য কারণ :
বিভিন্ন কারণে এ লক্ষণ দেখা যেতে পারে। যেমনÑ অ্যালার্জিজনিত কনজাঙ্কটিভাইটিস; আলঝেইমার ডিজিজ; ছানি; কর্নিয়া ইনফেকশন; প্রেসবায়োপিয়া; টেরিজিয়াম; ক্রনিক গ্লুকোমা; রেটিনাল ডিটাচমেন্ট; ভাইরাসজনিত কনজাঙ্কটিভাইটিস; কোরিওরেটিনাইটিস; কর্নিয়াল অ্যাব্রেশন; ইরিডোসাইক্লাইটিস; চোখে বাহ্যিক বস্তুর উপস্থিতি; ম্যাকিউলার ডিজেনারেশন; অ্যাকিউট গ্লুকোমা; সাবকঞ্জাংটিভাল হেমারেজ; ড্রাই আই অফ আননোন কজ ইত্যাদি।
লক্ষণ :
এ রোগের লক্ষণের সঙ্গে অন্যান্য যেসব লক্ষণ দেখা যেতে পারে সেগুলো হলোÑ চোখের লালভাব; চোখে চুলকানি; চোখে ব্যথা হওয়া; চোখে কম দেখা; চোখ দিয়ে পানি পড়া; মাথাব্যথা; চোখের অভ্যন্তরে কোনো কিছুর অস্তিত্ব অনুভব করা; ঘোলাটে দৃষ্টি; চোখ ফুলে যাওয়া; ঠোঁট ফুলে যাওয়া; বুকে জ্বালাপোড়াসহ ব্যথা ইত্যাদি।
পরামর্শ :
মানবদেহের মধ্যে চোখ খুবই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। তাই সব সময় এ অঙ্গটির ব্যাপারে যতœশীল হওয়া প্রয়োজন। চোখের এ ধরনের সমস্যা প্রতিরোধ করা যায়। এ জন্য প্রয়োজন যথেষ্ট সচেতন হওয়া জরুরি। এ ছাড়া যা করতে হবে তা হলোÑ যে ধরনের পরিবেশে গেলে চোখ জ্বালাপোড়া করে, সেসব স্থান এড়িয়ে চলতে হবে। চোখ ধূলিবালি থেকে রক্ষা করার জন্য সানগ্লাস ব্যবহার করতে হবে। নিয়মিত সুষম খাবার খেতে হবে। তবেই চোখ ভালো থাকবে। এর পরও কোনো সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত একজন চক্ষুবিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।
লেখক : অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান
(চক্ষুরোগ বিভাগ; পিআরএল)
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল
চেম্বার : আল-রাজি হাসপাতাল
(তৃতীয়তলা), ফার্মগেট, ঢাকা
০১৫৫২৪০৯০২৬, ০১৭১০৭৩৬০০৮
সূত্র:dainikamadershomoy
উল্লেখযোগ্য কারণ :
বিভিন্ন কারণে এ লক্ষণ দেখা যেতে পারে। যেমনÑ অ্যালার্জিজনিত কনজাঙ্কটিভাইটিস; আলঝেইমার ডিজিজ; ছানি; কর্নিয়া ইনফেকশন; প্রেসবায়োপিয়া; টেরিজিয়াম; ক্রনিক গ্লুকোমা; রেটিনাল ডিটাচমেন্ট; ভাইরাসজনিত কনজাঙ্কটিভাইটিস; কোরিওরেটিনাইটিস; কর্নিয়াল অ্যাব্রেশন; ইরিডোসাইক্লাইটিস; চোখে বাহ্যিক বস্তুর উপস্থিতি; ম্যাকিউলার ডিজেনারেশন; অ্যাকিউট গ্লুকোমা; সাবকঞ্জাংটিভাল হেমারেজ; ড্রাই আই অফ আননোন কজ ইত্যাদি।
লক্ষণ :
এ রোগের লক্ষণের সঙ্গে অন্যান্য যেসব লক্ষণ দেখা যেতে পারে সেগুলো হলোÑ চোখের লালভাব; চোখে চুলকানি; চোখে ব্যথা হওয়া; চোখে কম দেখা; চোখ দিয়ে পানি পড়া; মাথাব্যথা; চোখের অভ্যন্তরে কোনো কিছুর অস্তিত্ব অনুভব করা; ঘোলাটে দৃষ্টি; চোখ ফুলে যাওয়া; ঠোঁট ফুলে যাওয়া; বুকে জ্বালাপোড়াসহ ব্যথা ইত্যাদি।
পরামর্শ :
মানবদেহের মধ্যে চোখ খুবই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। তাই সব সময় এ অঙ্গটির ব্যাপারে যতœশীল হওয়া প্রয়োজন। চোখের এ ধরনের সমস্যা প্রতিরোধ করা যায়। এ জন্য প্রয়োজন যথেষ্ট সচেতন হওয়া জরুরি। এ ছাড়া যা করতে হবে তা হলোÑ যে ধরনের পরিবেশে গেলে চোখ জ্বালাপোড়া করে, সেসব স্থান এড়িয়ে চলতে হবে। চোখ ধূলিবালি থেকে রক্ষা করার জন্য সানগ্লাস ব্যবহার করতে হবে। নিয়মিত সুষম খাবার খেতে হবে। তবেই চোখ ভালো থাকবে। এর পরও কোনো সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত একজন চক্ষুবিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।
লেখক : অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান
(চক্ষুরোগ বিভাগ; পিআরএল)
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল
চেম্বার : আল-রাজি হাসপাতাল
(তৃতীয়তলা), ফার্মগেট, ঢাকা
০১৫৫২৪০৯০২৬, ০১৭১০৭৩৬০০৮
সূত্র:dainikamadershomoy


Social Links: