মিয়ানমারের চিন সীমান্তে কয়েকটি বিদ্রোহী সংগঠনের সঙ্গে সেনাবাহিনীর সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় শহর মিউজে এ সংঘর্ষ হয়েছে। সংঘর্ষে অন্তত দুজনের প্রাণহানি হয়েছে বলে জানিয়েছে থ্যাইল্যান্ডের সংবাদমাধ্যম ব্যাংকক পোস্ট।
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে বর্তমানে জাতিগত নিপীড়নের স্বীকার হচ্ছে দেশটির মুসলিম রোহিঙ্গা সম্প্রদায়। মিয়ানমারে প্রত্যক্ষ সেনা সরকারব্যবস্থার অবসানের পর পশ্চিমা বিশ্ব সু চির নেতৃত্বে যে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার বিকাশ চাইছেন, এসব জাতিগত নিপীড়নে তার সম্ভাবনা নস্যাৎ হয়ে যাচ্ছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
চোরাচালানের জন্য কুখ্যাতি পাওয়া শহর মিউজের স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রোববার সকালে ওই সংঘর্ষ শুরু হয়। প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এপি জানায়, সংঘর্ষের কারণে সীমান্তের নিরাপত্তা চৌকি পার হয়ে মানুষ মিউজ শহরের দিকে ছুটছে।
বিদ্রোহী সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিরা জানান, স্বাধীনতার দাবিতে সোচ্চার জাতিগোষ্ঠীগুলোর সশস্ত্র সংগঠন কোচিন ইন্ডিপেনডেন্স আর্মি (আরাকান আর্মি) তাং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি এবং ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়েন্স আর্মির সঙ্গে সেনাবাহিনীর ওই সংঘর্ষ হয়।
একইভাবে চিনা বার্তা সংস্থা জানায়, বিদ্রোহীদের মধ্যে কোচিন ইন্ডিপেন্ডেন্স আর্মি এবং মিয়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়েন্সের আর্মির যোদ্ধারা ছিল। আলাদা নামের এই সংগঠনগুলো প্রত্যেকেই স্বাধীনতার দাবিতে সশস্ত্র আন্দোলন চালিয়ে আসছে।
বিদ্রোহীদের একজন প্রতিনিধি হিসেবে আরাকান আর্মির এক সদস্য জানান, জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিসেবে আমরা জোটবদ্ধ হয়ে লড়ছি। উল্লেখ্য, মিয়ানমারে জাতিগত শান্তি আনতে যে শান্তি আলোচনা চলছে, তার সাম্প্রতিক সভাগুলোয় এই তিন সংগঠনকে ডাকা হয়নি।
জাতিগত সংঘর্ষে মিয়ানমারে নতুন করে শুরু হওয়া কথিত সেনা-রোহিঙ্গা সংঘর্ষে ১৩ নভেম্বর ২৮ জন নিহত হন বলে স্বীকার করে সে দেশের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম। মাসব্যাপী উত্তেজনার ধারাবাহিকতায় গতকাল সকালে পূর্বাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্যে ওই সংঘর্ষ হয়।
২০১২ সালে ওই রাজ্যের জাতিগত দাঙ্গায় শতাধিক রোহিঙ্গা মুসলিম নিহত হওয়ার পর সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোয় রাখাইনে চরম উত্তেজনা দেখা গেছে।
সূত্র:dainikamadershomoy
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে বর্তমানে জাতিগত নিপীড়নের স্বীকার হচ্ছে দেশটির মুসলিম রোহিঙ্গা সম্প্রদায়। মিয়ানমারে প্রত্যক্ষ সেনা সরকারব্যবস্থার অবসানের পর পশ্চিমা বিশ্ব সু চির নেতৃত্বে যে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার বিকাশ চাইছেন, এসব জাতিগত নিপীড়নে তার সম্ভাবনা নস্যাৎ হয়ে যাচ্ছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
চোরাচালানের জন্য কুখ্যাতি পাওয়া শহর মিউজের স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রোববার সকালে ওই সংঘর্ষ শুরু হয়। প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এপি জানায়, সংঘর্ষের কারণে সীমান্তের নিরাপত্তা চৌকি পার হয়ে মানুষ মিউজ শহরের দিকে ছুটছে।
বিদ্রোহী সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিরা জানান, স্বাধীনতার দাবিতে সোচ্চার জাতিগোষ্ঠীগুলোর সশস্ত্র সংগঠন কোচিন ইন্ডিপেনডেন্স আর্মি (আরাকান আর্মি) তাং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি এবং ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়েন্স আর্মির সঙ্গে সেনাবাহিনীর ওই সংঘর্ষ হয়।
একইভাবে চিনা বার্তা সংস্থা জানায়, বিদ্রোহীদের মধ্যে কোচিন ইন্ডিপেন্ডেন্স আর্মি এবং মিয়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়েন্সের আর্মির যোদ্ধারা ছিল। আলাদা নামের এই সংগঠনগুলো প্রত্যেকেই স্বাধীনতার দাবিতে সশস্ত্র আন্দোলন চালিয়ে আসছে।
বিদ্রোহীদের একজন প্রতিনিধি হিসেবে আরাকান আর্মির এক সদস্য জানান, জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিসেবে আমরা জোটবদ্ধ হয়ে লড়ছি। উল্লেখ্য, মিয়ানমারে জাতিগত শান্তি আনতে যে শান্তি আলোচনা চলছে, তার সাম্প্রতিক সভাগুলোয় এই তিন সংগঠনকে ডাকা হয়নি।
জাতিগত সংঘর্ষে মিয়ানমারে নতুন করে শুরু হওয়া কথিত সেনা-রোহিঙ্গা সংঘর্ষে ১৩ নভেম্বর ২৮ জন নিহত হন বলে স্বীকার করে সে দেশের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম। মাসব্যাপী উত্তেজনার ধারাবাহিকতায় গতকাল সকালে পূর্বাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্যে ওই সংঘর্ষ হয়।
২০১২ সালে ওই রাজ্যের জাতিগত দাঙ্গায় শতাধিক রোহিঙ্গা মুসলিম নিহত হওয়ার পর সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোয় রাখাইনে চরম উত্তেজনা দেখা গেছে।
সূত্র:dainikamadershomoy


Social Links: