অনলাইন ডেস্ক:জাতীয় সংসদের স্পিকার ও সিপিএ নির্বাহী কমিটির চেয়ারপার্সন ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, চিকিৎসা একটি মহান পেশা যা মানব কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।
তিনি ইএনটিকে একটি বিশেষায়িত ক্ষেত্র হিসেবে উল্লেখ করে এ পেশার সঙ্গে জড়িতদের পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে মানবকল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান।
স্পিকার গতকাল ঢাকায় কৃষিবিদ মিলনায়তনে সার্ক ইএনটি কংগ্রেস-২০১৬ উপলক্ষে নাক, কান ও গলা বিশেষজ্ঞদের আজীবন সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করছিলেন।
স্পিকার বলেন, সার্ক ইএনটি প্লাটফর্মটি এ অঞ্চলের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের জন্য খুবই তাৎপর্যপূর্ণ ও অর্থবহ। এ সেক্টরে কর্মরত চিকিৎসকরা মানবতার জন্য তাদের সমৃদ্ধ জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ইএনটি চিকিৎসাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে সক্ষম হবে।
তিনি বলেন, আজকের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের প্রখ্যাত বিশেষজ্ঞদের সম্মাননা প্রদান তাদের কর্মের তুলনায় ক্ষুদ্র হলেও এটি একটি অনন্য স¦ীকৃতি। এ সেক্টরে কর্মরত চিকিৎসকগণ বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের মানসম্মত জীবন যাপনে কাজ করে যাচ্ছেন।
স্বাস্থ্যক্ষেত্রে বাংলাদেশের সাফল্য তুলে ধরে স্পিকার বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে জনগণর দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে ১২ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করেছেন। এছাড়াও বহু চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ, মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণের মাধ্যমে স্বাস্থ্যখাতে ব্যাপক উন্নয়ন সাধন করেছেন। ফলে মাতৃমৃত্যু ও শিশু মৃত্যুহার হ্রাস পেয়েছে।
তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পাশাপাশি সংসদ সদস্য, সাংস্কৃতিক কর্মী, পেশাজীবী সংগঠনের সদস্যবৃন্দ শব্দ ও পরিবেশ দূষণ ও কমিউনিকেবল ডিজিসের বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে এ প্রতিষ্ঠানকে একটি অর্থবহ প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে পারে।
প্রফেসর ডা. কামরুল হাসান তরফদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে ভারতের প্রফেসর ডা. অরুন কুমার আগরওয়াল, শ্রীলংকার ডিএসসি পেরেইরা এবং প্রফেসর ডা. এ এইচ এম জহুরুল হক বক্তৃতা করেন।
স্পিকার বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলংকার ১৩ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে এক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য আজীবন সম্মাননা পুরস্কার প্রদান করেন।
সূত্র:dailysangram
তিনি ইএনটিকে একটি বিশেষায়িত ক্ষেত্র হিসেবে উল্লেখ করে এ পেশার সঙ্গে জড়িতদের পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে মানবকল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান।
স্পিকার গতকাল ঢাকায় কৃষিবিদ মিলনায়তনে সার্ক ইএনটি কংগ্রেস-২০১৬ উপলক্ষে নাক, কান ও গলা বিশেষজ্ঞদের আজীবন সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করছিলেন।
স্পিকার বলেন, সার্ক ইএনটি প্লাটফর্মটি এ অঞ্চলের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের জন্য খুবই তাৎপর্যপূর্ণ ও অর্থবহ। এ সেক্টরে কর্মরত চিকিৎসকরা মানবতার জন্য তাদের সমৃদ্ধ জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ইএনটি চিকিৎসাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে সক্ষম হবে।
তিনি বলেন, আজকের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের প্রখ্যাত বিশেষজ্ঞদের সম্মাননা প্রদান তাদের কর্মের তুলনায় ক্ষুদ্র হলেও এটি একটি অনন্য স¦ীকৃতি। এ সেক্টরে কর্মরত চিকিৎসকগণ বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের মানসম্মত জীবন যাপনে কাজ করে যাচ্ছেন।
স্বাস্থ্যক্ষেত্রে বাংলাদেশের সাফল্য তুলে ধরে স্পিকার বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে জনগণর দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে ১২ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করেছেন। এছাড়াও বহু চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ, মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণের মাধ্যমে স্বাস্থ্যখাতে ব্যাপক উন্নয়ন সাধন করেছেন। ফলে মাতৃমৃত্যু ও শিশু মৃত্যুহার হ্রাস পেয়েছে।
তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পাশাপাশি সংসদ সদস্য, সাংস্কৃতিক কর্মী, পেশাজীবী সংগঠনের সদস্যবৃন্দ শব্দ ও পরিবেশ দূষণ ও কমিউনিকেবল ডিজিসের বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে এ প্রতিষ্ঠানকে একটি অর্থবহ প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে পারে।
প্রফেসর ডা. কামরুল হাসান তরফদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে ভারতের প্রফেসর ডা. অরুন কুমার আগরওয়াল, শ্রীলংকার ডিএসসি পেরেইরা এবং প্রফেসর ডা. এ এইচ এম জহুরুল হক বক্তৃতা করেন।
স্পিকার বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলংকার ১৩ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে এক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য আজীবন সম্মাননা পুরস্কার প্রদান করেন।
সূত্র:dailysangram


Social Links: