নাক ডাকা দূর করবে জুস

By Unknown বুধবার, ২ নভেম্বর, ২০১৬
নাক ডাকা যে কী বিষম বস্তু, ভুক্তভোগী মাত্রই জানেন। যিনি নাক ডাকেন, তিনি তো বিন্দাস ঘুমে। কিন্তু, কানের পাশে অবিরত শব্দব্রহ্মে পাশের মানুষটির ঘুমের বারোটা। জোর করে দু-চোখের পাতা এক করার চেষ্টা করেও লাভ হয় না। আপনার পাশের মানুষটির প্রতি বিরক্তি প্রকাশের উপায় নেই। পাশ ফিরিয়ে শুইয়ে সাময়িক স্বস্তি মিললেও, কিছু মুহূর্ত পরে আবার একইরকম নাসিকা গর্জন। যিনি নাক ডাকছেন, তার ঘুমটিও যে খাসা হচ্ছে, এমনটা ভাবার কারণ নেই। তিনি না-বুঝলেও, ব্যাঘাত তারও ঘটে।

এই নাক ডাকার অন্যতম কারণ হল শ্বাসনালীতে বায়ু চলাচলে ব্যাঘাত। ঘুমন্ত অবস্থায় গলা ও তালুর টিস্যু ঢিলেঢালা হয়ে এই বাধার সৃষ্টি করে। এটা ঘটে হালকা ঘুম থেকে গভীর ঘুমে যাওয়ার সময়। এই বাধা ঠেলে জোর করে বায়ু চলাচলের কারণেই নাসিকা গর্জন। অ্যালার্জি, অ্যাজমা, ঠাণ্ডা লাগা, স্লিপ অ্যাপনিয়া, সাইনাস... এমন নানা কারণ থাকতে পারে।

এ জন্য সর্বাগ্রে ওজন ঝরানোর চেষ্টা করতে হবে। কারণ, ওবেসিটি নাক ডাকার অন্যতম কারণ। ওজন কমলে নাক ডাকাও আপনা থেকে কমবে। কিন্তু, রাতারাতি তো ওজন কমবে না। ততদিন একটি জুস নিয়মিত খেয়ে দেখতে পারেন। আপনার সামান্য উদ্যোগে পাশের মানুষটি শব্দব্রহ্মের হাত থেকে নিস্তার পাবে।


জুসের উপকরণ: ২টা আপেল। ২টা গাজর। একটা পাতিলেবুকে চার টুকরো করে তার একভাগ। এক ইঞ্চি সমান একগাঁট আদা

যে ভাবে বানাবেন:  সব উপাদান একসঙ্গে ব্লেন্ড করে, সেই জুসটি বিছানায় ঘুমাতে যাওয়ার ঘণ্টাখানেক আগে খেতে হবে। নাক ডাকা বন্ধ।

যা কখনোই করবেন না: রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে মদ্যপান বাদ দিতে হবে। মদ্যপানে নাক ডাকা আরও বাড়ে। খাওয়ার তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে ভাজাভুজিও। মাথায় রাখুন ডেয়ারি প্রোডাক্ট ও মশলা জাতীয় খাবারও চলবে না।

সূত্র:protidinersangbad

Jillur Rahman

I'm Jillur Rahman. A full time web designer. I enjoy to make modern template. I love create blogger template and write about web design, blogger. Now I'm working with Themeforest. You can buy our templates from Themeforest.