ত্বকের নমনীয়তা জোগানোর পাশাপাশি ঘরোয়া বিভিন্ন কাজেও পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করা যায়। এমনই কিছু ঘরোয়া টোটকা উল্লেখ করা হয় লাইফস্টাইল বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটের প্রতিবেদনে।
চামড়ার যত্নে:
চামড়ার তৈরি জুতা, স্যান্ডেল, বেল্ট, ব্যাগ দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে অনুজ্জ্বল হয়ে যায়। তাই শখের এই জিনিসগুলো আবারও চকচকে করে তুলতে পেট্রোলিয়াম জেলি ঘষে নেওয়া যেতে পারে। এতে চামড়ার অনুষঙ্গগুলো আবারও নতুন হয়ে উঠবে।
দরজা জানালায় ব্যবহার: অনেক সময় দরজা ও জানালা খোলার সময় ক্যাঁচক্যাঁচ শব্দ হয় এবং আটকে থাকে। এ ধরনের সমস্যায় সংযোগ স্থলে খানিকটা পেট্রোলিয়াম জেলি দিলে সমস্যা দূর করা যায়।
আসবাবপত্রের দাগ:
আসবাবপত্রে দাগ এবং পানির ছোপ পড়ে। এই ধরনের দাগ ওঠাতে পেট্রোলিয়াম জেলি লাগিয়ে আট থেকে ১০ ঘণ্টা রেখে কাপড় দিয়ে মুছে ফেলতে হবে।
পোকামাকড়: একটি কাগজের দুই পাশে পর্যাপ্ত পরিমাণে জেলি লাগিয়ে ঝুলিয়ে রাখুন। এটি ‘ফ্লাই পেপার’ অর্থাৎ পোকামাকড় আটকানোর কাজ করবে।
প্রাথমিক চিকিৎসা:
কাটাছেঁড়া বা হালকা পোড়া অংশে পেট্রোলিয়াম জেলি লাগিয়ে রাখলে ত্বক কোমল থাকে এবং ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণ হয় না।
স্যানিটারি প্যাড র্যাশ:
পিরিয়ড চলাকালে স্যানিটারি প্যাডের কারণে র্যাশ হতে পারে। তাই প্যাড পরার আগে ত্বকে খানিকটা পেট্রোলিয়াম জেলি লাগিয়ে নিলে ত্বকের জ্বালাভাব ও র্যাশ হওয়ার সমস্যা রোধ হবে।
পা ফাঁটা:
শুধু শীতকাল নয় সারা বছরই অনেকে পা ফাঁটার সমস্যায় ভুগে থাকেন। তারা এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে ফাঁটা অংশে ভারী করে পেট্রোলিয়াম জেলি লাগাতে পারেন।
এক্ষেত্রে প্রথমে কুসুম গরম পানিতে পা ভিজিয়ে রাখতে হবে। এরপর শুকনা করে মুছে নিয়ে জেল লাগিয়ে নিন। ঘুমানোর সময় চাইলে জেল লাগিয়ে মোজা পরে ঘুমাতে পারেন।
নেইলপলিশ বোতল খুলতে:
অনেক সময় নেইলপলিশের বোতল শক্ত হয়ে আঁটকে যায়। এ সমস্যা থেকে রেহাই পেতে বোতল আটকানোর আগে ভেতরের অংশে খানিকটা পেট্রোলিয়াম জেলি ছড়িয়ে তারপর ঢাকনা আটকে নিতে পারেন।
সুন্দর নখ:
হাতের সৌন্দর্য নষ্ট করে দেয় নখ এবং শুষ্ক কিউটিকল। এক্ষেত্রে নখে ও এর চারপাশে খানিকটা পেট্রোলিয়াম জেলি লাগিয়ে নিলে তা কোমল থাকবে এবং হাতের সৌন্দর্য বজায় থাকবে।
মেইকআপ রিমুভার:
কাজল, আইলাইনার বা ওয়াটারপ্রুফ মাস্কারা তুলে ফেলতে পেট্রোলিয়াম জেলি বেশ কার্কর।
ময়েশ্চারাইজার:
শুষ্ক ত্বক, ঠোঁট ফাঁটা ইত্যাদি সমস্যার সমাধানে পেট্রোলিয়াম জেলির ব্যবহার নতুন নয়। ঘুমানোর আগে পেট্রোলিয়াম জেলি লাগিয়ে নিলে ত্বক কোমল থাকবে।
সূত্র:bdnews24
চামড়ার যত্নে:
চামড়ার তৈরি জুতা, স্যান্ডেল, বেল্ট, ব্যাগ দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে অনুজ্জ্বল হয়ে যায়। তাই শখের এই জিনিসগুলো আবারও চকচকে করে তুলতে পেট্রোলিয়াম জেলি ঘষে নেওয়া যেতে পারে। এতে চামড়ার অনুষঙ্গগুলো আবারও নতুন হয়ে উঠবে।
দরজা জানালায় ব্যবহার: অনেক সময় দরজা ও জানালা খোলার সময় ক্যাঁচক্যাঁচ শব্দ হয় এবং আটকে থাকে। এ ধরনের সমস্যায় সংযোগ স্থলে খানিকটা পেট্রোলিয়াম জেলি দিলে সমস্যা দূর করা যায়।
আসবাবপত্রের দাগ:
আসবাবপত্রে দাগ এবং পানির ছোপ পড়ে। এই ধরনের দাগ ওঠাতে পেট্রোলিয়াম জেলি লাগিয়ে আট থেকে ১০ ঘণ্টা রেখে কাপড় দিয়ে মুছে ফেলতে হবে।
পোকামাকড়: একটি কাগজের দুই পাশে পর্যাপ্ত পরিমাণে জেলি লাগিয়ে ঝুলিয়ে রাখুন। এটি ‘ফ্লাই পেপার’ অর্থাৎ পোকামাকড় আটকানোর কাজ করবে।
প্রাথমিক চিকিৎসা:
কাটাছেঁড়া বা হালকা পোড়া অংশে পেট্রোলিয়াম জেলি লাগিয়ে রাখলে ত্বক কোমল থাকে এবং ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণ হয় না।
স্যানিটারি প্যাড র্যাশ:
পিরিয়ড চলাকালে স্যানিটারি প্যাডের কারণে র্যাশ হতে পারে। তাই প্যাড পরার আগে ত্বকে খানিকটা পেট্রোলিয়াম জেলি লাগিয়ে নিলে ত্বকের জ্বালাভাব ও র্যাশ হওয়ার সমস্যা রোধ হবে।
পা ফাঁটা:
শুধু শীতকাল নয় সারা বছরই অনেকে পা ফাঁটার সমস্যায় ভুগে থাকেন। তারা এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে ফাঁটা অংশে ভারী করে পেট্রোলিয়াম জেলি লাগাতে পারেন।
এক্ষেত্রে প্রথমে কুসুম গরম পানিতে পা ভিজিয়ে রাখতে হবে। এরপর শুকনা করে মুছে নিয়ে জেল লাগিয়ে নিন। ঘুমানোর সময় চাইলে জেল লাগিয়ে মোজা পরে ঘুমাতে পারেন।
নেইলপলিশ বোতল খুলতে:
অনেক সময় নেইলপলিশের বোতল শক্ত হয়ে আঁটকে যায়। এ সমস্যা থেকে রেহাই পেতে বোতল আটকানোর আগে ভেতরের অংশে খানিকটা পেট্রোলিয়াম জেলি ছড়িয়ে তারপর ঢাকনা আটকে নিতে পারেন।
সুন্দর নখ:
হাতের সৌন্দর্য নষ্ট করে দেয় নখ এবং শুষ্ক কিউটিকল। এক্ষেত্রে নখে ও এর চারপাশে খানিকটা পেট্রোলিয়াম জেলি লাগিয়ে নিলে তা কোমল থাকবে এবং হাতের সৌন্দর্য বজায় থাকবে।
মেইকআপ রিমুভার:
কাজল, আইলাইনার বা ওয়াটারপ্রুফ মাস্কারা তুলে ফেলতে পেট্রোলিয়াম জেলি বেশ কার্কর।
ময়েশ্চারাইজার:
শুষ্ক ত্বক, ঠোঁট ফাঁটা ইত্যাদি সমস্যার সমাধানে পেট্রোলিয়াম জেলির ব্যবহার নতুন নয়। ঘুমানোর আগে পেট্রোলিয়াম জেলি লাগিয়ে নিলে ত্বক কোমল থাকবে।
সূত্র:bdnews24


Social Links: