উইকেট, ছক্কা, উইকেট, উইকেট! শেষ ওভারের নাটকীয়তা শেষ হলো এভাবেই। জয়ের জন্য শেষ ওভারে বরিশালের প্রয়োজন ছিল ২০ রান। দ্বিতীয় বলের ছক্কায় উত্তেজনা ছড়িয়েছিলেন তাইজুল ইসলাম। কিন্তু পরের দুই বলেই ম্যাচ শেষ। পেরে উঠল না বরিশাল, জিতল রংপুর।
বিপিএলে চট্টগ্রাম পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে বরিশাল বুলসকে ১২ রানে হারিয়েছে রংপুর রাইডার্স। রংপুরের ১৭৫ রান তাড়ায় বরিশাল শেষ ওভারে গুটিয়ে যায় ১৬৩ রানে।
১২ রানের ব্যবধান দেখে যতটা মনে হয়, ম্যাচটি ছিল তার চেয়েও রোমাঞ্চকর। কিন্তু শেষ ওভারে চার বলের মধ্যে তিন উইকেট হারিয়ে ফেলল বরিশাল। প্রথম বলের পর আর স্ট্রাইকই পেলেন না থিসারা পেরেরা। লঙ্কান অলরাউন্ডার স্ট্রাইক পেলে হয়ত আরও জমতে পারত ম্যাচ।
আগের তিন ম্যাচের দুটিতে ছোট্ট দুটি অপরাজিত ইনিংস, একটিতে শূন্য রানেই বিদায়। এবার লম্বা সময় ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়ে দারুণ ভাবে কাজে লাগালেন মোহাম্মদ মিঠুন। তাকে দারুণ সঙ্গ দিলেন লিয়াম ডসন। শেষ দিকে শহিদ আফ্রিদির ব্যাটে ছোট্ট ঝড়। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে বরিশাল বুলসের বিপক্ষে রংপুর রাইডার্স তুলে ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৭৫।
টসের সময় রংপুর অধিনায়ক নাইম ইসলাম বলেছিলেন, ১৬০ রান এখানে ভালো স্কোর। তার ব্যাটসম্যানরা এনে দিয়েছেন আরও ১৫ রান বেশি।
বরিশালের শুরুটা ছিল ঝড়ো। দ্বিতীয় ওভারেই আল আমিন হোসেনকে টানা তিনটি চার মারেন সৌম্য সরকার। বিধ্বংসী ওপেনার অবশ্য বড় ইনিংস খেলতে পারেননি এ দিনও। তাইজুল ইসলামের বলে স্টাম্পড হয়েছেন ১৪ রানে।
আরেক বিস্ফোরক ওপেনার মোহাম্মদ শাহজাদকেও ১৪ রানেই ফেরান তাইজুল। কিন্তু রংপুরের রান স্রোত তীব্রই থেকে যায় মিঠুনের ব্যাটে। দারুণ সব শট খেলে দলকে এগিয়ে নেন জাতীয় দলে জায়গা হারানো এই ব্যাটসম্যান।
মিঠুনকে দারুণ সঙ্গ দেন ইংলিশ অলরাউন্ডার ডসন। তৃতীয় উইকেটে দুজনে গড়েন ৫৬ বলে ৭৮ রানের জুটি। ৩৫ বলে মিঠুন স্পর্শ করেন টি-টোয়েন্টিতে পঞ্চম অর্ধশতক। শেষ পর্যন্ত থিসারা পেরেরার স্লোয়ার বলে মিঠুন বোল্ড হন ৬২ রানে। ৪৪ বলের ইনিংসে ছিল ৬টি চার, দুটি ছক্কা।
আফ্রিদি উইকেটে যাওয়ার খানিক পরই প্রিয় স্লগ শটে ডিপ মিড উইকেট দিয়ে ওড়ান পেরেরাকে। পরের ওভারে টানা দুই বলে চার ও ছক্কা আল আমিনকে। তাকেও ফিরিয়েছেন পেরেরা। স্লোয়ার ফুলটস অন সাইডে ওড়াতে গিয়ে আফ্রিদি ক্যাচ দিয়েছেন কাভার পয়েন্টে। তবে ১০ বলে ২২ করে নিজের কাজটা করে এসেছেন।
ততক্ষণে রানের গতি বাড়িয়েছেন ডসনও। এগিয়ে যাচ্ছিলেন অর্ধশতকের দিকে। তবে কাজ শেষ করে আসতে পারেননি তিনিও (৩৬ বলে ৪৬)।
সূত্র:.bdnews24
বিপিএলে চট্টগ্রাম পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে বরিশাল বুলসকে ১২ রানে হারিয়েছে রংপুর রাইডার্স। রংপুরের ১৭৫ রান তাড়ায় বরিশাল শেষ ওভারে গুটিয়ে যায় ১৬৩ রানে।
১২ রানের ব্যবধান দেখে যতটা মনে হয়, ম্যাচটি ছিল তার চেয়েও রোমাঞ্চকর। কিন্তু শেষ ওভারে চার বলের মধ্যে তিন উইকেট হারিয়ে ফেলল বরিশাল। প্রথম বলের পর আর স্ট্রাইকই পেলেন না থিসারা পেরেরা। লঙ্কান অলরাউন্ডার স্ট্রাইক পেলে হয়ত আরও জমতে পারত ম্যাচ।
আগের তিন ম্যাচের দুটিতে ছোট্ট দুটি অপরাজিত ইনিংস, একটিতে শূন্য রানেই বিদায়। এবার লম্বা সময় ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়ে দারুণ ভাবে কাজে লাগালেন মোহাম্মদ মিঠুন। তাকে দারুণ সঙ্গ দিলেন লিয়াম ডসন। শেষ দিকে শহিদ আফ্রিদির ব্যাটে ছোট্ট ঝড়। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে বরিশাল বুলসের বিপক্ষে রংপুর রাইডার্স তুলে ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৭৫।
টসের সময় রংপুর অধিনায়ক নাইম ইসলাম বলেছিলেন, ১৬০ রান এখানে ভালো স্কোর। তার ব্যাটসম্যানরা এনে দিয়েছেন আরও ১৫ রান বেশি।
বরিশালের শুরুটা ছিল ঝড়ো। দ্বিতীয় ওভারেই আল আমিন হোসেনকে টানা তিনটি চার মারেন সৌম্য সরকার। বিধ্বংসী ওপেনার অবশ্য বড় ইনিংস খেলতে পারেননি এ দিনও। তাইজুল ইসলামের বলে স্টাম্পড হয়েছেন ১৪ রানে।
আরেক বিস্ফোরক ওপেনার মোহাম্মদ শাহজাদকেও ১৪ রানেই ফেরান তাইজুল। কিন্তু রংপুরের রান স্রোত তীব্রই থেকে যায় মিঠুনের ব্যাটে। দারুণ সব শট খেলে দলকে এগিয়ে নেন জাতীয় দলে জায়গা হারানো এই ব্যাটসম্যান।
মিঠুনকে দারুণ সঙ্গ দেন ইংলিশ অলরাউন্ডার ডসন। তৃতীয় উইকেটে দুজনে গড়েন ৫৬ বলে ৭৮ রানের জুটি। ৩৫ বলে মিঠুন স্পর্শ করেন টি-টোয়েন্টিতে পঞ্চম অর্ধশতক। শেষ পর্যন্ত থিসারা পেরেরার স্লোয়ার বলে মিঠুন বোল্ড হন ৬২ রানে। ৪৪ বলের ইনিংসে ছিল ৬টি চার, দুটি ছক্কা।
আফ্রিদি উইকেটে যাওয়ার খানিক পরই প্রিয় স্লগ শটে ডিপ মিড উইকেট দিয়ে ওড়ান পেরেরাকে। পরের ওভারে টানা দুই বলে চার ও ছক্কা আল আমিনকে। তাকেও ফিরিয়েছেন পেরেরা। স্লোয়ার ফুলটস অন সাইডে ওড়াতে গিয়ে আফ্রিদি ক্যাচ দিয়েছেন কাভার পয়েন্টে। তবে ১০ বলে ২২ করে নিজের কাজটা করে এসেছেন।
ততক্ষণে রানের গতি বাড়িয়েছেন ডসনও। এগিয়ে যাচ্ছিলেন অর্ধশতকের দিকে। তবে কাজ শেষ করে আসতে পারেননি তিনিও (৩৬ বলে ৪৬)।
সূত্র:.bdnews24


Social Links: