চূড়ান্ত হয়ে গেলো ভারতের মাটিতে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সংক্ষিপ্ত সিরিজের সূচি। আগেই জানা ছিল আগামী ফেব্রুয়ারিতে ভারতের মাটিতে এক ম্যাচের টেস্ট খেলতে যাবে বাংলাদেশ দল। এবার ঠিক হয়ে গেলো তার দিনক্ষণ।
আগের ভাবনা অনুযায়ীই হায়দ্রাবাদের রাজিব গান্ধী আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামেই অনুষ্ঠিত হবে ম্যাচটি। বোর্ড অব কনট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়ার (বিসিসিআই) সভাপতি অনুরাগ ঠাকুর জানিয়েছেন আট থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি অবধি চলবে এই টেস্ট ম্যাচ।
২০০০ সালে টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার পর এটা হবে টেস্ট খেলার জন্য বাংলাদেশের প্রথম ভারত সফর। সর্বশেষ গত বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও ২০০৬ সালের আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি বাদ দিলে আর কখনওই টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার পর ভারতে খেলতে যায়নি বাংলাদেশ।
২০১৬-১৭ মৌসুমে ভারত ১৩টি টেস্ট, আটটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলবে। ১৩টি টেস্ট খেলার মধ্যদিয়ে আগের রেকর্ডকে ছুঁয়ে যাবে ভারত। এর আগে ১৯৭৯-৮০ মৌসুমে ভারত ঘরের মাঠে সমান ১৩ টেস্ট খেলেছিলো।
বিসিসিআইয়ের সভাপতি অনুরাগ ঠাকুর বলেন, ‘একটা টেস্ট খেলুড়ে দেশ হিসেবে বিসিসিআইয়ের দায়িত্ব হল প্রতিটি টেস্ট খেলুড়ে দেশকে সুযোগ দেয়া। আমি আনন্দের সাথে ঘোষণা করছি যে, আগামী বছর আমাদের প্রতিবেশী বাংলাদেশ এখানে টেস্ট খেলতে আসছে। এটা ২০১৬-১৭ মৌসুমে আমাদের জন্য দারুণ এক ব্যাপার হতে যাচ্ছে।’
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন এই টেস্ট ম্যাচকে বাংলাদেশের জন্য বড় অর্জন মনে করছেন। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারতের প্রতিনিধিত্ব করা ক্রিকেটাররা নি:সন্দেহে এই ম্যাচটার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিল; কারণ সাম্প্রতিক সময়ে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে এই দু’দলের লড়াই ছিল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। দুটি ক্রিকেট পাগল দেশের মানুষদের জন্য এটা আনন্দের একটা ব্যাপার। ভারতের মাটিতে একটা টেস্টের জন্য আমরা অনেকদিন অপেক্ষা করেছি। সেই অপেক্ষাটা অবশেষে হল। এখন সেই অর্জনটা উৎযাপনের সময়।’
-priyo
আগের ভাবনা অনুযায়ীই হায়দ্রাবাদের রাজিব গান্ধী আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামেই অনুষ্ঠিত হবে ম্যাচটি। বোর্ড অব কনট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়ার (বিসিসিআই) সভাপতি অনুরাগ ঠাকুর জানিয়েছেন আট থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি অবধি চলবে এই টেস্ট ম্যাচ।
২০০০ সালে টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার পর এটা হবে টেস্ট খেলার জন্য বাংলাদেশের প্রথম ভারত সফর। সর্বশেষ গত বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও ২০০৬ সালের আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি বাদ দিলে আর কখনওই টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার পর ভারতে খেলতে যায়নি বাংলাদেশ।
২০১৬-১৭ মৌসুমে ভারত ১৩টি টেস্ট, আটটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলবে। ১৩টি টেস্ট খেলার মধ্যদিয়ে আগের রেকর্ডকে ছুঁয়ে যাবে ভারত। এর আগে ১৯৭৯-৮০ মৌসুমে ভারত ঘরের মাঠে সমান ১৩ টেস্ট খেলেছিলো।
বিসিসিআইয়ের সভাপতি অনুরাগ ঠাকুর বলেন, ‘একটা টেস্ট খেলুড়ে দেশ হিসেবে বিসিসিআইয়ের দায়িত্ব হল প্রতিটি টেস্ট খেলুড়ে দেশকে সুযোগ দেয়া। আমি আনন্দের সাথে ঘোষণা করছি যে, আগামী বছর আমাদের প্রতিবেশী বাংলাদেশ এখানে টেস্ট খেলতে আসছে। এটা ২০১৬-১৭ মৌসুমে আমাদের জন্য দারুণ এক ব্যাপার হতে যাচ্ছে।’
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন এই টেস্ট ম্যাচকে বাংলাদেশের জন্য বড় অর্জন মনে করছেন। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারতের প্রতিনিধিত্ব করা ক্রিকেটাররা নি:সন্দেহে এই ম্যাচটার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিল; কারণ সাম্প্রতিক সময়ে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে এই দু’দলের লড়াই ছিল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। দুটি ক্রিকেট পাগল দেশের মানুষদের জন্য এটা আনন্দের একটা ব্যাপার। ভারতের মাটিতে একটা টেস্টের জন্য আমরা অনেকদিন অপেক্ষা করেছি। সেই অপেক্ষাটা অবশেষে হল। এখন সেই অর্জনটা উৎযাপনের সময়।’
-priyo


Social Links: